Back

ⓘ গণমাধ্যম




                                               

গণমাধ্যম

গণমাধ্যম হচ্ছে সংগৃহীত সকল ধরনের মাধ্যম, যা প্রযুক্তিগতভাবে গণযোগাযোগ কার্যক্রমে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। সম্প্রচার মাধ্যম যা ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া নামে পরিচিত, বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির সাহায্যে তাদের তথ্যাবলী প্রেরণ করে। টেলিভিশন, চলচ্চিত্র, ইন্টারনেট,রেডিও বা বেতার, সিডি, ডিভিডি এবং অন্যান্য সুবিধাজনক ছোট ও সহায়ক যন্ত্রপাতি যেমনঃ ক্যামেরা বা ভিডিওচিত্রের সাহায্যে ধারণ করা হয়। পাশাপাশি মুদ্রিত মাধ্যম হিসেবে সংবাদপত্র, সাময়িকী, ব্রোশিওর, নিউজলেটার, বই, লিফলেট, পাম্পলেটে বাহ্য বিষয়বস্তু তুলে ধরা হয়। এতে ফটোগ্রাফী বা দৃশ্যমান উপস্থাপনায় সহায়ক ভূমিকা পালন করে। টেলিভিশন কেন্দ্রে অথবা পাবলিশিং কোম্ ...

                                               

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট একটি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যা বাংলাদেশে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিষয়ে অভূতপূর্ব অবদান রেখে চলেছে। এটির সদর দপ্তর এ. এ. ডব্লিউ চৌধুরী রোড, দারুস সালাম থানা, ঢাকায় অবস্থিত। বর্তমানে মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন হরছেন শাহিন ইসলাম, এনডিসি।

                                               

গণমাধ্যম সংস্কৃতি

সংস্কৃতি অধ্যয়নে গণমাধ্যম সংস্কৃতি হলো গণমাধ্যমের প্রভাবে উন্নীত বর্তমানের পাশ্চাত্য পুঁজিবাদী সমাজব্যবস্থা। শব্দটি মানুষের মতামত, রুচি ও আদর্শের উপর গণমাধ্যমের সার্বিক প্রভাব ও বুদ্ধিবৃত্তিক নির্দেশনার উপর আলোকপাত করে। বিকল্প শব্দ গণসংস্কৃতি শব্দটি গণমানুষের নিজের তৈরী সংস্কৃতিকে বুঝায়, যেমন বিংশ শতাব্দীর আগের জনপ্রিয় শিল্পকে গণসংস্কৃতি বলে গণ্য করা যায়। অন্যদিকে গণমাধ্যম সংস্কৃতি হলো গণমাধ্যমের পণ্য। গণমাধ্যম সংস্কৃতির একটি বিকল্প শব্দ আবার "ছবি সংস্কৃতি"। সমালোচকদের মতে, গণমাধ্যম সংস্কৃতি বিজ্ঞাপন ও মানুষের সাথে পরোক্ষ সম্পর্ককে ব্যবহার করে মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করার একটি ব্যবস্থা হিশে ...

                                               

বাংলাদেশের গণমাধ্যম

বাংলাদেশের গণমাধ্যম বলতে বাংলাদেশের মুদ্রিত, সম্প্রচার এবং অনলাইন গণমাধ্যম বোঝায়। সংবিধান সংবাদপত্র স্বাধীনতা এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতা "যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ"সহ নিশ্চয়তা প্রদান করে। যদিও কিছু সংবাদমাধ্যমের হয়রানি করা হয়েছে। ”রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার” -এর ২০১৯ সালের সংবাপত্র স্বাধীনতা সুচকে বাংলাদেশের গণমাধ্যম ১৮০টি দেশের মধ্যে ১৫০তম স্থানে আছে।

                                               

নেপালের গণমাধ্যম

ঐতিহাসিকভাবে নেপালে গণসংযোগের সব থেকে চলতি মাধ্যম ছিল বেতার। ১৯৫১ সাল থেকে দেশের অভ্যন্তরে সরকারি মালিকানায় একমাত্র বেতার পরিষেবায় নিয়োজিত ছিল রেডিও নেপাল। ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত এই বেতার সম্প্রচার শর্ট ওয়েভ, মিডিয়াম ওয়েভ এবং এফএম প্রচার তরঙ্গের কাজ করছিল। বেসরকারি সম্প্রচারকগণ এফএম চ্যানেল ইজারা দিতে পারে। বেতারের সংখ্যা: ২০,০০,০০০ ২০০৬ সাল বেতার কেন্দ্রসমূহ: এএম ৬, এফএম ২০০, শর্টওয়েভ ১ ২০১৫ সাল

                                               

তথ্য ও গণমাধ্যম সাক্ষরতা

তথ্য ও গণমাধ্যম সাক্ষরতা মানুষকে তথ্য ও গণমাধ্যমের ব্যবহারকারী হিসাবে তথ্যের ব্যাখ্যা ও তথ্যবহুল মতামত প্রকাশে সক্ষম করে তোলে। একই সাথে তাদের নিজেদের অধিকারবলে তথ্য ও গণমাধ্যম বার্তার দক্ষ প্রস্তুতকারীতে পরিণত করে। ১৯৯০ এর আগে, তথ্য সাক্ষরতার প্রাথমিক কেন্দ্রবিন্দু মূলত গবেষণা দক্ষতা ছিল। ১৯৭০ এর দশকে উদীত একটি অধ্যয়ন হলো গণমাধ্যম সাক্ষরতা, প্রচলিতভাবে যার কেন্দ্রবিন্দু ছিল বিভিন্ন ধরনের গণমাধ্যমের সাহায্যে তথ্যের বিশ্লেষন ও সরবরাহ করা। বর্তমানে যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সহ বিভিন্ন দেশে তথ্য সাক্ষরতার পরিধি বিস্তৃত করে এর সাথে গণমাধ্যম সাক্ষরতা সংযুক্ত করা হয়েছে। তথ্য সাক্ষ ...

                                               

জনতাবাণী

জনতাবাণী একটি স্থানীয় কন্নড় দৈনিক পত্রিকা, ১৯৭৪ সাল থেকে ভারতের কর্নাটকের দাওয়ানগর থেকে প্রকাশিত। এই সংবাদপত্রটি এইচ এন শাদাক্ষরাপ্পা শুরু করেছিলেন। এটি মধ্য কর্ণাটকের সাথে সম্পর্কিত সংবাদগুলি কভার করে। ২০১৪ সাল থেকে, পত্রিকাটি রঙিন প্রকাশনা শুরু করে।

                                               

সুড্ডি সংগাতি

সুড্ডি সাঙ্গাতি একটি কন্নড় ভাষার পত্রিকা। এটি একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা ছিল। ভারতের কর্ণাটক থেকে প্রকাশিত একটি কন্নড় ভাষার সাপ্তাহিক পত্রিকা ছিল। এটি ১৯৮৫ সালে ইন্দুধারা হন্নাপুরা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ১৯৮৭ সালের হিসাবে, এর প্রচলন ছিল ৪৪,০০০ অনুলিপি।

প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া
                                               

প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া

প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া বা পিটিআই হল ভারতের সবচেয়ে বড় সংবাদ সংস্থা। এর সদর দপ্তর নতুন দিল্লিতে অবস্থিত। এটি পাঁচ শতাধিক ভারতীয় সংবাদপত্রের অমুনাফাভোগী সমবায় সংগঠন এবং ২০১৬ সালের ২২শে জানুয়ারি মোতাবেক এর পূর্ণকালীন কর্মী সংখ্যা এক সহস্রাধিক।