Back

ⓘ খাদ্য ও পানীয়




                                               

পানীয়

পানীয় হচ্ছে তরল সমৃদ্ধ মানুষের একটি ভোগপণ্য। সন্তোষজনক তৃষ্ণার মৌলিক চাহিদা ছাড়াও পানীয় মানব সংস্কৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সাধারণ পানযোগ্য পানি, দুধ, চা, গরম চকলেট, রস এবং কোমল পানীয় সাধারণ ধরনের পানীয়ের অন্তর্ভুক্ত। এছাড়াও মদ, বিয়ার এবং লিকার ৮০০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে মানব সংস্কৃতির অংশ হিসেবে দাড়িয়েছে। অ্যালকোহলমুক্ত পানীয় প্রায়শই এমন পানীয়কে বোঝায় যেগুলোতে সাধারণত অ্যালকোহল থাকে। তবে সেগুলো ০.৫ শতাংশের কম পরিমাণ অ্যালকোহল দিয়ে তৈরি করা হয়ে থাকে। অ্যালকোহল এর পরিমাণ বা অ্যালকোহল অপসারণের উপর ভিত্তি করে পানীয়কে শ্রেণিভুক্ত করা হয়। যেমন - অ্যালকোহলযুক্ত বিয়ার ও ...

                                               

সোম (পানীয়)

বৈদিক ঐতিহ্যে, সোম হল একটি প্রথাগত লৌকিক পানীয় যা প্রাচীন বৈদিক ইন্দো-আর্যদের নিকট গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ঋগ্বেদে এর উল্লেখ রয়েছে, বিশেষ করে সোমমণ্ডল নামক নবম মণ্ডলে। গীতাতে নবম অধ্যায়ে পানীয়টির উল্লেখ রয়েছে। এটি ইরানী হোমের সমতুল্য। উক্ত লিপিসমূহে একটি গাছ থেকে রস সংগ্রহের মাধ্যমে সোম তৈরির বর্ণনা দেওয়া হয়েছে, যে গাছের পরিচয় এখনো অজানা এবং তা পণ্ডিতদের নিকট একটি বিতর্কের বিষয়। প্রাচীন ঐতিহাসিক বৈদিক ধর্ম ও জরাথুস্ট্রবাদ, উভয় ধর্মেই পানীয় ও গাছটির নাম অভিন্ন। এই উদ্ভিদটি আসলে কোন উদ্ভিদ, তার পরিচয় নিয়ে অনেক জল্পনা রয়েছে। প্রথাগত ভারতীয় বর্ণনামতে, যেমন ভারতীয় আয়ুর্বেদ, সিদ্ধ চিক ...

                                               

কোমল পানীয়

কোমল পানীয় হচ্ছে এক প্রকার মাদকবিহীন তরল পানীয়বিশেষ। এতে সচরাচর দ্রবীভূত অবস্থায় কার্বনসমৃদ্ধ পানি, মিষ্টিজাতীয় পদার্থসহ সুগন্ধযুক্ত পদার্থের উপাদান সন্নিবেশিত থাকে। এছাড়াও, ক্যাফেইন, ফলের রস কিংবা উভয়ই কোমল পানীয়ে দ্রবীভূত অবস্থা থাকে। কোমল পানীয়কে অনেকে সোডা, পপ, কোক, সোডা পপ, ফিজি ড্রিঙ্ক, টনিক বা কার্বনেটেড বেভারেজ নামে ডেকে থাকেন। বিশুদ্ধ ফলের রস, উচ্চ তাপে প্রস্তুতকৃত হট চকোলেট, চা, কফি, দুধ এবং দুগ্ধজাত পানীয় কোমল পানীয় হিসেবে বিবেচিত হয় না। তরল পানীয় গ্যাটোরেড এবং পাওয়ারেড কোমল পানীয়ের সংজ্ঞায় পড়লেও তা খেলাধূলায় ব্যবহৃত আদর্শ পানীয়রূপে বিবেচ্য। রেড বুলও এ সংজ্ঞায় ...

                                               

বাঙালি রন্ধনশৈলী

বাঙালি রন্ধনশৈলী হচ্ছে রান্নার একটা শৈলী যা ভারতীয় উপমহাদেশের পূর্বাঞ্চলে বঙ্গে উৎপত্তি লাভ করে। প্রাচীন বঙ্গ অঞ্চল বর্তমানে বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা এবং আসামের বরাক ভ্যালীতে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। এই অঞ্চলে প্রধান খাবার ভাত এবং মাছের সাথে মাংস, সব্জি, ডাল দিয়ে সমৃদ্ধ হয়েছে এর খাদ্য সম্ভার।

                                               

লেবাননী রন্ধনশৈলী

লেবাননী রন্ধনশৈলী হচ্ছে একটি লেভান্তিন রন্ধনপ্রণালী। এটি শস্য, ফল, সবজি, শর্করা, তাজা মাছ এবং সীফুড দিয়ে সমৃদ্ধ। প্রচুর পরিমাণে প্রাণীজ চর্বি খাওয়া হয়। তবে লাল মাংসের চেয়ে হাঁস মুরগী বেশি করে খাওয়া হয়। লাল মাংসের মধ্যে সাধারণত উপকূল অঞ্চলে ভেড়া এবং পার্বত্য অঞ্চলে ছাগলের মাংস খাওয়া হয়। প্রচুর পরিমাণে রসুন এবং জলপাই তেল ব্যবহার করা হয়, যাতে প্রায়ই লেবুর রস মেশানো হয়। এছাড়াও, তাদের খাদ্য তালিকায় প্রচুর পরিমাণে ছোলার ডাল থাকে। জলপাই তেল, গুল্ম, রসুন এবং লেবু সাধারণ মশলা উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। আরাক عرق হচ্ছে লেবাননের জাতীয় পানীয় এবং সাধারণত এটি ঐতিহ্যগত লেবাননি খাবারের সাথে ...

                                               

রেস্তোরাঁ

রেস্তোরাঁ খাদ্যদ্রব্য, কোমল পানীয় প্রস্তুত ও তা সংশ্লিষ্ট ভোজন রসিকদের কাছে সরবরাহকারী হিসেবে কাজ করে থাকে। এর বিনিময়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে খাদ্যের জন্য নির্ধারিত বিনিময় মূল্য পূর্বেই কিংবা খাদ্য গ্রহণের পরবর্তী সময়ে গ্রহণ করে। সাধারণতঃ লিখিত কিংবা মৌখিক খাদ্য তালিকা প্রদর্শন ও মূল্যমানের উপর নির্ভর করে গ্রাহকদেরকে তা সরবরাহ করা হয় ও খাওয়ানো হয়। তবে অনেক রেস্তোরাঁই বিশেষ খাবার গ্রহণের জন্য গ্রাহকদের রূচিবোধকে আমন্ত্রণ জানায় ও প্রাধান্য দেয়। প্রয়োজনে রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষের সাথে গ্রাহকের দ্বি-পাক্ষিক চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট স্থানে খাদ্য সরবরাহের জন্য প্রস্তাবনা করা হয় এবং ...