Back

ⓘ সংস্কৃতি




                                               

সংস্কৃতি

সংস্কৃতি হলো সেই জটিল সামগ্রিকতা যাতে অন্তর্গত আছে জ্ঞান, বিশ্বাস, নৈতিকতা, শিল্প, আইন, আচার এবং সমাজের একজন সদস্য হিসেবে মানুষের দ্বারা অর্জিত অন্য যেকোনো সম্ভাব্য সামর্থ্য বা অভ্যাস।ওয়ারউইক বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত ভাষাতত্ত্বের অধ্যাপিকা হেলেন স্পেনসার-ওটেইয়ের মতে, সংস্কৃতি হলো কিছু বুনিয়াদি অনুমান, মূল্যবোধ ও জীবনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির, বিশ্বাস, নীতিমালা, প্রক্রিয়া এবং আচরণিক প্রথার অস্পষ্ট সমষ্টি–যা এক দল মানুষ ভাগ করে নেয় এবং সেই সমষ্টি দলের প্রত্যেক সদস্যের আচরণকে এবং তার নিকট অন্য সদস্যের আচরণের অর্থ বা সংজ্ঞায়নকে প্রভাবিত করে ।

                                               

ইসলামি সংস্কৃতি

প্রাথমিকভাবে ইসলামী সংস্কৃতি শব্দটি ধর্মনিরপেক্ষ একাডেমিয়ায় ঐতিহাসিকভাবে ইসলামী মানুষদের প্রচলিত সাংস্কৃতিক প্রথার বর্ণনায় ব্যবহৃত হয়। যেহেতু ইসলাম ধর্৭ম শতাব্দিতে আরবে উৎপত্তি লাভ করেছিল, তাই মুসলিম সংস্কৃতির শুরুটা ছিল প্রধানত আরবীয়। ইসলামী সাম্রাজ্যগুলোর পরিধি দ্রুত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে, মুসলিম সংস্কৃতিও ইরানি, বাংলাদেশি, তুর্কী, পাকিস্তানি, মঙ্গল, চীনা, ভারতীয়, মালয়, সোমালীয়, মিশরীয়, ইন্দোনেশীয়, ফিলিপাইন, গ্রিক, রোমক, বাইজেন্টাইন, স্প্যানিশ, সিসিলিয়, বলকানীয়, পশ্চিমা সংস্কৃতির দ্বারা প্রভাবিত এবং তাদের সম্পৃক্ত হয়ে পড়ে।

                                               

বাংলার সংস্কৃতি

বাংলার সংস্কৃতি ধারণ করে আছেন দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের বাঙালিরা, যার মধ্যে বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিম বাংলা, ত্রিপুরা এবং আসাম, যেখানে বাংলা ভাষা প্রধান এবং দাপ্তরিক। বাংলার রয়েছে ৪ হাজার বছরের ইতিহাস। বাঙালিরাই এখানের সমাজের প্রায় সবটা জুড়ে আছেন। ভারতীয় উপমহাদেশের এই অঞ্চলের রয়েছে স্বকীয় ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতি। বাংলা ছিলো তৎকালীন সবচেয়ে ধনী অঞ্চল যারা উপমহাদেশীয় রাজনীতির এবং সংস্কৃতির রাজধানী। ১৯৪৭ এর দেশভাগেপর বাংলার সংস্কৃতি ক্ষয় হতে থাকে। বাংলাদেশ বিশেষ করে বাংলাভাষী মুসলিমরাই বাংলাকে ধারণ করে রাখেন যেখানে পুরো অঞ্চলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিলো হিন্দুদের। ইহা বলার অপেক্ষা রাখেনা যে মুসলমান ...

                                               

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একটি মন্ত্রণালয় ।বাংলাদেশ সরকারের অন্যতম এ সংস্থাটি দেশীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, গবেষণা, উন্নয়ন ও পুরাতত্ত্ব, স্থাপত্য, ভাস্কর্য, লাইব্রেরি উন্নয়ন এবং বাংলা ভাষার উন্নয়ন,সাংস্কৃতিক পরিবেশের উৎকর্ষসাধন, সাংস্কৃতিক পণ্য উৎপাদন ও নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে সংস্কৃতি-সংশ্লিষ্ট বিবিধ আইন-বিধি-বিধান-প্রবিধান প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করে থাকে।

                                               

মঙ্গোলিয়ার সংস্কৃতি

মঙ্গোলিয়ার সংস্কৃতি মোঙ্গলদের যাযাবর জীবনযাত্রার দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত হয়েছে। এছাড়া চীন, তিব্বত ও তিব্বতী বৌদ্ধধর্ম বেশ প্রভাব রেখেছে। এর বাইরে ২০ শতকেপর থেকে রাশিয়া এবং রাশিয়ার মাধ্যমে ইউরোপীয় সংস্কৃতিও প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে।

                                               

সিলেটি সংস্কৃতি

সিলেটি সংস্কৃতিতে এর রান্নাবান্না, সাহিত্য, ভাষা, গান, ঐতিহ্য ইত্যাদি ফুটে উঠেছে। সিলেটি ছাড়াও মণিপুরী, পাত্র খাসিয়া, চাকমা, ত্রিপুরা এবং সাঁওতাল জাতিগোষ্ঠীর লোক সিলেটে বসবাস করে। যারফলে এই অঞ্চলের ভাষা, ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতি বেশ বৈচিত্র্যময় এবং সমৃদ্ধ। সিলেটের সংস্কৃতি বৈদিক সংস্কৃতির তুলনায় অনার্য সংস্কৃতি দ্বারা অধিক সমৃদ্ধ। সিলেটের ভাষা ও সংস্কৃতিতে আসামের প্রভাব লক্ষণীয় কারণ এটি পূর্বে আসাম রাজ্যের একটি অংশ ছিল। কথিত আছে যে ব্রহ্মযুদ্ধের পরে মণিপুরীরা শ্রীহট্ট এবং কাছারে আসে এবং ঈশ্বরের উপাসনা করে লাই নামে একটি নৃত্য পরিবেশন করত। যা এই অঞ্চলের প্রাচীন সংস্কৃতিতে অন্তর্ভুক্ত ...

লোকনৃত্য
                                               

লোকনৃত্য

লোকনৃত্যে ধ্রুপদী নৃত্যের তুলনায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। এর বিশেষ বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রযেছেঃ লোকনৃত্যের ক্ষেত্রে বিশেষ পোশাক পরিধান করার কোন বাধ্যবাধকতা নেই। প্রায় সব দেশের লোকনৃত্যের একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য হলো দলবদ্ধতা। লোকনৃত্য ছন্দ শাস্ত্রের কঠোর রীতি অনুসরণ করে না। লোকনৃত্যের গতি, ছন্দ, অঙ্গ কৌশল অনেকটা বাস্তব জীবনের কাছাকাছি।

হংকং রন্ধনশৈলী
                                               

হংকং রন্ধনশৈলী

হংকং রন্ধনশৈলী প্রধানত ক্যান্টনিজ রন্ধনশৈলী, ব্রিটিশ রন্ধনশৈলী, পশ্চিমা রন্ধনশৈলী, অ ক্যান্টনিজ রন্ধনশৈলী, জাপান ও দক্ষিণ পূর্ব এশীয় রন্ধনশৈলী দ্বারা প্রভাবিত। অতীতে হংকং ব্রিটেনের উপনিবেশ ছিলো এবং এর বাণিজ্য বন্দরের দীর্ঘ ইতিহাস আছে। পথপার্শ্বের স্টল থেকে আধুনিক উচ্চমানের রেস্তোরাঁ বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের জন্য হংকং বহুবিধ খাদ্য পরিবেশন করে।