Back

ⓘ মহাবিশ্ব




                                               

মহাবিশ্ব

স্থান ও সময় এবং এদের অন্তর্ভুক্ত সকল বিষয় নিয়েই মহাবিশ্ব । পৃথিবী এবং অন্যান্য সমস্ত গ্রহ, সূর্য ও অন্যান্য তারা ও নক্ষত্র, জ্যোতির্বলয়স্থ স্থান ও এদের অন্তর্বর্তীস্থ গুপ্ত পদার্থ, ল্যামডা-সিডিএম নকশা, তমোশক্তি ও মহাশূণ্য মহাকাশ - যেগুলো এখনও তাত্ত্বিকভাবে অভিজ্ঞাত কিন্তু সরাসরি পর্যবেক্ষিত নয় - এমন সব পদার্থ ও শক্তি মিলে যে জগৎ তাকেই বলা হচ্ছে মহাবিশ্ব বা বিশ্ব-ব্রহ্মাণ্ড । আমাদের পর্যবেক্ষণ-লব্ধ মহাবিশ্বে র ব্যাস প্রায় ২৮ বিলিয়ন parsec ৯১ বিলিয়ন light-year । পুরো বিশ্বে র আকার অজানা হলেও এর উপাদান ও সৃষ্টিধারা নিয়ে বেশ কয়েকটি hypotheses বিদ্যমান । মহাবিশ্বের উৎপত্তি সংক্রান্ত ব ...

                                               

বহু-মহাবিশ্ব

বহু-মহাবিশ্ব হল মহাবিশ্বগুলির প্রকল্পিত সম্ভাব্য সেট, যার মধ্যে, আমরা যে মহাবিশ্বে বসবাস করি সেটিও অন্তর্ভুক্ত। একত্রে এই মহাবিশ্বগুলি বিদ্যমান: এই স্থান, সময়, পদার্থ, শক্তি, এবং ভৌত নীতিগুলি এবং ধ্রুবকগুলি যেগুলি তাদের বর্ণনা করে, সবকিছু গঠন করে। এই মাল্টিভার্সের মধ্যে বিভিন্ন মহাবিশ্বকে "সমান্তরাল মহাবিশ্ব", "অন্যান্য মহাবিশ্ব", অথবা "বিকল্প মহাবিশ্ব" বলা হয়।

                                               

মহাবিশ্ব (গ্রন্থ)

মহাবিশ্ব বাংলাদেশি লেখক হুমায়ুন আজাদ রচিত একটি মহাকাশ বিজ্ঞান ও জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ সংকলন। ২০০০ খ্রিষ্টাব্দের ফেব্রুয়ারিতে আগামী প্রকাশনী, ঢাকা থেকে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। হুমায়ুন আজাদ এই গ্রন্থটি উৎসর্গ করেছেন গ্যালিলিও গ্যালিলি এবং জিয়োরদানো ব্রুনোকে।

                                               

পর্যবেক্ষণযোগ্য মহাবিশ্ব

পর্যবেক্ষণযোগ্য মহাবিশ্ব হচ্ছে মহাবিশ্বের এমন একটি গোলাকার অঞ্চল যার অন্তর্গত বস্তুসমূহ পৃথিবী থেকে বর্তমান সময়ে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব। মহাজাগতিক প্রসারণের শুরু থেকে কেবল এই অঞ্চলে অবস্থিত বস্তুসমূহের নির্গত তড়িৎ-চৌম্বকীয় বিকিরণ পৃথিবীতে পৌঁছানোর সময় পেয়েছে। সারা পৃথিবীর মোট বালুকণার সংখ্যার চেয়েও বেশি তারা সহ অন্তত দুই লক্ষ কোটি ছায়াপথ পর্যবেক্ষণযোগ্য মহাবিশ্বে অবস্থিত। মহাবিশ্ব সর্বত্র প্রতিসম ধরে নিলে পর্যবেক্ষণযোগ্য মহাবিশ্বের সীমানা সবদিকেই প্রায় সমান দূরত্বে বিদ্যমান। অর্থাৎ পর্যবেক্ষণযোগ্য মহাবিশ্ব হচ্ছে পর্যবেক্ষক-কেন্দ্রিক একটি গোলাকার ক্ষেত্র। মহাবিশ্বের প্রতিটি স্থানের নি ...

                                               

কম্পনশীল মহাবিশ্ব

কম্পনশীল মহাবিশ্ব কয়েকটি বিশ্বতাত্ত্বিক নকশার একটি যেখানে বলা হয় যে মহাবিশ্ব অসীম, বা অনির্দিষ্ট, স্বনির্ভর চক্রে আবর্তিত হয়। ১৯২২ সালে বিজ্ঞানী আলেক্সান্ডার ফ্রিডম্যান এই নকশা প্রণয়ন করেছিলেন। পরবর্তীতে ১৯৩৪ সালে রিচার্ড টলম্যান এর উন্নয়ন করেন।

                                               

সুপরিকল্পিত মহাবিশ্ব

সুপরিকল্পিত মহাবিশ্ব হচ্ছে এমন একটি প্রতিজ্ঞা, যেখানে বলা হয়, এ মহাবিশ্ব সৃষ্টির সময় যদি পদার্থবিজ্ঞানের ধ্রুবকের মান একটুও এদিক-সেদিক হত, তাহলে আমরা মহাবিশ্বের বর্তমান যে অবস্থা দেখছি, তা কখনোই এমন হত না। বলা হয়, প্রাণের অস্তিত্বের জন্য ধ্রুবকের যে মান থাকার প্রয়োজন ছিল, নিখুঁতভাবে সে মানই আছে। এর ফলেএই মহাবিশ্বে প্রাণ সৃষ্টি সম্ভবপর হয়েছে, পদার্থের সৃষ্টি হয়েছে, নভোমণ্ডলীয় গঠন তৈরী হয়েছে, নানাবিধ বৈচিত্র্যের উদ্ভব বা জীবনকে বুঝা সম্ভবপর হয়েছে। এই প্রতিজ্ঞার নানাবিধ ব্যাখ্যা নিয়ে দার্শনিক, বিজ্ঞানী, ধর্মতত্ববিদ, এবং সৃষ্টিবাদের প্রবক্তারা আলোচনা করেন। সুপরিকল্পিত মহাবিশ্বের এ প্ ...

কমা (ধূমকেতু-সম্পর্কীয়)
                                               

কমা (ধূমকেতু-সম্পর্কীয়)

কমা একটি ধূমকেতু এর নিউক্লিয়াস কাছাকাছি আবছায়া আচ্ছাদন, ধূমকেতু যখন তার অত্যন্ত উপবৃত্তাকার কক্ষপথে সূর্যের কাছে যায় তখন গঠিত হয় ; ধূমকেতু উষ্ণতা হিসাবে, এর অংশগুলি অতিপ্রাকৃত এটি একটি ধূমকেতু একটি "অস্পষ্ট" চেহারা দেয় যখন টেলিস্কোপে দেখা যায় এবং তারকা থেকে এটি আলাদা করে। কমা শব্দটি এসেছে গ্রীক শব্দ "kome" থেকে, যার অর্থ "চুল" এবং যার থেকে ধূমকেতু শব্দটির উৎপত্তি