Back

ⓘ রাজনৈতিক অর্থনীতি




                                               

ক্রিট আমিরাত

ক্রিট আমিরাত একটি মুসলিম রাষ্ট্র ছিল যা ৮২০ এর দশকের শেষ থেকে ৯৬১ সালে বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য দ্বারা দ্বীপটি পুনরায় বিজয় পর্যন্ত ভূমধ্যসাগরীয় দ্বীপ ক্রিটে বিদ্যমান ছিল। যদিও আমিরাত আব্বাসীয় খিলাফতের সার্বভৌমত্বকে স্বীকৃতি দেয় এবং মিশরের তুলুনিদের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় ছিল, এটি কার্যত স্বাধীন ছিল। আবু হাফস উমর আল-ইকরিতিশির নেতৃত্বে একদল আন্দালুসীয় নির্বাসিতরা ক্রিট জয় করে ৮২৪ বা ৮২৭/৮২৮ সালে, এবং একটি স্বাধীন ইসলামিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে। বাইজেন্টাইনরা একটি প্রচারণা শুরু করে যা থিওকটিস্টোসের অধীনে ৮৪২ এবং ৮৪৩ সালে দ্বীপের বেশিরভাগ অংশ ফিরিয়ে নেয়, কিন্তু পুনরায় বিজয় সম্পন্ন হয ...

                                               

খাইবার পাখতুনখোয়ার জেলার তালিকা

খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশ, জনসংখ্যার ভিত্তিতে পাকিস্তানের তৃতীয় বৃহত্তম প্রদেশ এবং অঞ্চল অনুসারে ক্ষুদ্রতম প্রদেশ যা ৩৫ টি জেলা এবং ৭ টি বিভাগে বিভক্ত। নিম্নে আপনি খাইবার পাখতুনখোয়ার জেলা এবং বিভাগগুলির ইতিহাসের বিশদ বিবরণ পাবেন, প্রতিটি জেলার, খাইবার পাখতুনখোয়ার বিভাগ এবং এটার জেলাগুলির একটি মানচিত্র প্রদর্শিত হবে, এবং প্রতিটি জেলার নাম, জেলাটি বিভাগের অন্তর্গত, জেলার অঞ্চল, জেলার সদর দফতর সম্পর্কিত একটি তালিকা প্রদর্শন করে, জেলার জনসংখ্যা এবং জনসংখ্যার ঘনত্ব, প্রতিটি জেলার গড় বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার এবং প্রতিটি জেলার অবস্থান একটি মানচিত্রে প্রদর্শিত হবে।

রাজনৈতিক অর্থনীতি
                                     

ⓘ রাজনৈতিক অর্থনীতি

রাজনৈতিক অর্থনীতি বা রাষ্ট্রীয় অর্থনীতি হল এবং আইন, প্রচলিত পদ্ধতি ও সরকারের সঙ্গে উৎপাদন ও ক্রয় বিক্রয়ের সম্পর্ক বিষয়ক অধ্যয়নের জন্য ব্যবহৃত প্রধান পরিভাষা।

এই শাস্ত্রটি বিভিন্ন রাষ্ট্রের অর্থনীতির পাঠশাস্ত্র হিসেবে ১৭শ শতকে বিকাশ লাভ করে যা সরকার বিষয়ে তত্ত্বের মাঝে সম্পদের মালিকানার তত্ত্বকে অন্তর্ভুক্ত করে।

কিছু রাজনৈতিক অর্থনীতিবিদ শ্রমভিত্তিক মূল্যের তত্ত্বের প্রস্তাব করেজন লক কর্তৃক প্রবর্তিত, এডাম স্মিথ ও কার্ল মার্ক্স কর্তৃক বিকশিত, যাতে বলা হয়, শ্রম হল মূল্যের প্রকৃত উৎস। অনেক রাজনৈতিক অর্থনীতিবিদ আবার প্রযুক্তির রাতারাতি উন্নয়নের দিকে আলোকপাত করেছেন, যার ভূমিকা অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অতীতের তুলনায় অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

১৯ শতকে, "রাজনৈতিক অর্থনীতি" পরিভাষাটি অর্থনীতি নামক পরিভাষা দ্বারা স্থানান্তরিত হয়, এবং পরিভাষাটি পরিবর্তন করেছিলেন এমন কিছু লোক, যারা উৎপাদন ও ভোগের মধ্যকার সম্পর্কের ভিত্তির পরিবর্তে গাণিতিক ভিত্তিতে অর্থ বিষয়ক অধ্যয়নকে স্থাপন করতে চেয়েছিলেন।

বর্তমানে, রাজনৈতিক অর্থনীতি অর্থ হল ভিন্ন কিন্তু পারস্পারিকভাবে-সম্পর্কিত অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক আচরণের অধ্যয়নের আঙ্গিকসমূহ, যার সীমা হল অন্যান্য ক্ষেত্রের সঙ্গে সমন্বিত অর্থনীতি থেকে শুরু করে প্রথাগত অর্থনীতিকে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন করা বিভিন্ন মৌলিক স্বতঃসিদ্ধ চিন্তার ব্যবহার পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে থাকে।