Back

ⓘ সিড ও’লিন




                                     

ⓘ সিড ও’লিন

সিডনি ও’লিন কেপ প্রদেশের অটশুর্ন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী দক্ষিণ আফ্রিকান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও ফুটবলার ছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৬০-এর দশকের মাঝামাঝি সূচনালগ্নে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ট্রান্সভাল, ওয়েস্টার্ন প্রভিন্স ও ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে কেন্ট দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, বামহাতে ব্যাটিংয়ে পারদর্শী ছিলেন সিডনি ও’লিনস্কি নামে পরিচিত সিড ও’লিন ।

                                     

1. প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট

জন্মকালীন তিনি সিডনি ও’লিনস্কি নামে পরিচিত ছিলেন। ১৯৪৫-৪৬ মৌসুম থেকে ১৯৬৫-৬৬ মৌসুম পর্যন্ত সিড ও’লিনের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। একগুঁয়ে মনোভাবের অধিকারী উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ছিলেন তিনি। কার্যকর বিকল্প উইকেট-রক্ষক ও যে-কোন অবস্থানে চমৎকার ফিল্ডার হিসেবেও ভূমিকা রাখতেন।

১৯৬০ সালে ঘরোয়া ক্রিকেটে ট্রান্সভালের পক্ষে ৬৮.৭৮ গড়ে ৬১৯ রান করেন। ১৯৫১ থেকে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত কেন্টে খেলেন। এ পর্যায়ে তিনি গডফ্রে ইভান্সের সহকারী হিসেবে উইকেট-রক্ষণে ছিলেন। ২৬ খেলায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি। বামহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন তিনি। ১৯৬০ সালে ইংল্যান্ড গমনার্থে তাকে দক্ষিণ আফ্রিকা দলের সদস্য করা হয়।

                                     

2. আন্তর্জাতিক ক্রিকেট

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে সাতটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করেছেন সিড ও’লিন। ৯ জুন, ১৯৬০ তারিখে বার্মিংহামে স্বাগতিক ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ২৬ ডিসেম্বর, ১৯৬১ তারিখে জোহেন্সবার্গে সফরকারী নিউজিল্যান্ড দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি।

ঘরোয়া ক্রিকেটে চমৎকার ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৬০ সালে ৩২ বছর বয়সে ইংল্যান্ড গমনার্থে তাকে দলে রাখা হয়। পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া ঐ সিরিজের প্রত্যেকটিতেই তার অংশগ্রহণ ছিল। ছয় নম্বরে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ৩২.৬২ গড়ে ২৬১ রান সংগ্রহ করতে পেরেছিলেন তিনি। এ সফরেই বর্ণবাদের দানা ফুঁটে উঠে। তন্মধ্যে, ট্রেন্ট ব্রিজে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টেস্টে ছয় ঘণ্টা ক্রিজে অবস্থান করে ৯৮ রান তুলে স্লিপ অঞ্চলে দণ্ডায়মান কলিন কাউড্রে’র হাতে তালুবন্দী হন। এটিই তার অংশগ্রহণকৃত টেস্টগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস ছিল।

১৯৬১-৬২ মৌসুমে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম দুই টেস্টেও তাকে দলে রাখা হয়। কিন্তু, দূর্বল ক্রীড়ানৈপুণ্যের কারণে তাকে দলের বাইরে চলে যেতে হয়।

                                     

3. ব্যক্তিগত জীবন

ক্রিকেট খেলার পাশাপাশি ফুটবল খেলায়ও দক্ষ ছিলেন সিড ও’লিন। ১৯৪৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা দলের সদস্যরূপে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ফুটবল খেলায় অংশ নেন। এরপর, ইংরেজ প্রথম বিভাগ ফুটবল লীগে চার্লটন অ্যাথলেটিকের পক্ষে ১৮৭ খেলায় অংশগ্রহণ করেছিলেন তিনি।

ইংল্যান্ডে ফুটবল খেলার পাশাপাশি কেন্টের পক্ষে ক্রিকেট খেলতেন। ১৯৫১ সাল থেকে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত সহকারী উইকেট-রক্ষকের দায়িত্বে ছিলেন। ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬ তারিখে ৮৯ বছর বয়সে র‍্যান্ডবার্গ এলাকায় সিড ও’লিনের দেহাবসান ঘটে।

                                     

4. আরও দেখুন

  • এডওয়ার্ড ফন দার মারউই
  • ইংরেজ ক্রিকেট ও ফুটবল খেলোয়াড়দের তালিকা
  • দক্ষিণ আফ্রিকান টেস্ট ক্রিকেটারদের তালিকা
  • প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট দলসমূহের বর্তমান তালিকা
  • কলিন ওয়েসলি