Back

ⓘ কে এস ফিরোজ




                                     

ⓘ কে এস ফিরোজ

খন্দকার শহীদ উদ্দিন ফিরোজ একজন বাংলাদেশী অভিনেতা ও সাবেক সামরিক কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি মঞ্চ এবং ছোট ও বড় পর্দায় যুগপৎ অভিনয় করেছেন; নাট্যদল থিয়েটারের জ্যেষ্ঠ সদস্য ও সভাপতি ছিলেন। নিজ নাট্যদলের হয়ে অভিনয় করেছেন কিং লিয়ার, সাতঘাটের কানাকড়ি, রাক্ষসী সহ বেশ কয়েকটি মঞ্চ নাটকে। ‘সাতঘাটের কানাকড়ি’ ঢাকার মঞ্চের একটি আলোচিত ও প্রশংসিত নাটক।

১৯৬৮ সালে তিনি প্রথম টেলিভিশন নাটকে অভিনয় করেন। প্রথম অভিনীত টিভি নাটকের নাম ‘তবুও দ্বীপ জ্বলে’। অভিনয় জীবনে পাঁচ শতাধিক টিভি নাটকে অভিনয় করেছেন।

                                     

1. প্রথমিক জীবন

কে এস ফিরোজ ১৯৪৬ সালের ৭ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন। তার জন্ম ঢাকার লালবাগে এ জে এম সাইদুর রহমান ও মা রাবেয়া খাতুনের ঘরে। পৈতৃক নিবাস বরিশালের উজিরপুরের মশাং গ্রামে। সেখানে শৈশব ও কৈশোর কাটিয়ে ঢাকার জগন্নাথ কলেজে পড়েছেন।

                                     

2. কর্মজীবন

অভিনয় জগতে পরিচিতি পাওয়ার আগে ১৯৬৭ সালে বাংলাদেশে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন ফিরোজ। ১৯৭৭ সালে মেজর পদে চাকরি থেকে অবসর নেওয়াপর অভিনয়ে নিয়মিত হন।

নাট্যদল ‘থিয়েটার’র সঙ্গে যুক্ত হয়ে অভিনয়ে কে এস ফিরোজের পথচলা শুরু। অভিনয় জীবনের শুরুর দিকে থিয়েটারের ‘কিং লিয়ার’ মঞ্চ নাটকে নাম ভূমিকায় অভিনয় করে পরিচিত পান তিনি। এই দলের হয়ে তিনি আরও অভিনয় করেছেন ‘সাত ঘাটের কানাকড়ি’, ও ‘রাক্ষসী’ নাটকে। এছাড়া তিনি টেলিভিশনে বহু একক নাটক, ধারাবাহিক ও টেলিফিল্মে অভিনয় করেছেন। টিভিতে তার অভিনীত প্রথম নাটক দীপ তবুও জ্বলে। শফিউজ্জামানের রচনায় ও জামান আলী খানের প্রযোজনায় এ নাটকে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন ডলি ইব্রাহীম। টেলিভিশনে তার প্রথম আলোচিত নাটক জিয়া আনসারী প্রযোজিত প্রতিশ্রুতি ।

লাওয়ারিশ চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে বড়পর্দায় যাত্রা করেন কে এস ফিরোজ। এছাড়া আবু সাইয়ীদের শঙ্খনাদ, বাঁশি, মুরাদ পারভেজ’র চন্দ্রগ্রহণ, বৃহন্নলা চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।

                                     

3. মৃত্যু

কে এস ফিরোজ ২০২০ সালের ২৮ অগাস্ট করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন, ঢাকা সিএমএইচে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার দুইবার স্ট্রোক হয়। ৯ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় স্ট্রোকে মৃত্যুবরণ করেন। তাকে বনানী সেনানিবাস কবরস্থানে সমাহিত করা হয়েছে।