Back

ⓘ আল-হারার যুদ্ধ




আল-হারার যুদ্ধ
                                     

ⓘ আল-হারার যুদ্ধ

আল-হারার যুদ্ধ হচ্ছে, মুসলিম ইবনে উকবার নেতৃত্বে উমাইয়া খলিফা ইয়াজিদ ১ এর সিরীয় সেনাবাহিনী ও আনসার মুহাজির জোট নামে স্থানীয় আত্মরক্ষাকারীদের মধ্যে যুদ্ধ। ৬৮৩ সালের ২৬ আগস্ট মদীনার উত্তর-পূর্ব উপকণ্ঠে হারাত ওয়াকিমের লাভা মাঠে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

মদীনার অভিজাত দলগুলো ইয়াজিদকে অস্বীকার করে। খলিফার ইসলামী ইতিহাসে নজিরবিহীন, অযৌক্তিক জীবনযাত্রায় তারা অসন্তোষ প্রকাশ করে এবং উমাইয়া অর্থনৈতিক নীতির অধীনে অসন্তোষ প্রকাশ করে। বিদ্রোহ ঘোষণাপর তারা মদিনায় উমাইয়া গোত্রের বাসিন্দাদের ঘেরাও করে এবং শহরের চারপাশে একটি প্রতিরক্ষামূলক খাদ খনন করে। ইয়াজিদ স্থানীয় উমাইয়াদের সঙ্গী করে সৈন্য বাহিনী পাঠায়। যারা পরবর্তীতে অবরোধ থেকে মুক্তি পেয়েছিল, তারা হারাত ওয়াকিমে শিবির করে। এখানেই বিদ্রোহীরা তাদের মুখোমুখি হয়। প্রাথমিকভাবে সুবিধা পেলেও, তাদের একটি দলের দলত্যাগের ফলে মদিনার বাসীদের উৎখাত করা হয়, যার ফলে মারওয়ান ইবনে আল-হাকামের নেতৃত্বে উমাইয়া অশ্বারোহীরা পিছন থেকে তাদের আক্রমণ করতে সক্ষম হয়।

এরপর সেনাবাহিনী তিন দিন ধরে মদিনায় লুটপাট চালায়, যদিও লুণ্ঠনের বিবরণ বিভিন্ন বর্ণনানুসারে পরিবর্তিত হয়। সিরিয়ার সেনাবাহিনী মক্কায় বিদ্রোহী নেতা আব্দ আল্লাহ ইবনে আল-জুবায়েরকে ঘেরাও করতে অগ্রসর হয়। যদিও মদিনার লুণ্ঠনে তার ভূমিকার জন্য মুসলিম ঐতিহ্যবাহী উৎসে ইবনে উকবা অপমানিত হয়েছেন। তিনি পথেই মারা যান। আল-হারার যুদ্ধকে ঐতিহ্যবাহী সূত্র দ্বারা উমাইয়াদের "প্রধান অপরাধ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

                                     

1. অবস্থান

যুদ্ধের অবস্থান ছিল হেজাজে পশ্চিম আরব মদীনার পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত হরাত ওয়াকিম নামে পরিচিত একটি লাভা ক্ষেত্র। প্রাক-ইসলামিক যুগে এই এলাকায় বসবাসকারী বনু কুরাইজা গোত্রের ওয়াকিম দুর্গের নামানুসারে এর নামকরণ করা হয় এবং বিকল্প হিসেবে হরাত বনু কুরাইজা বা হরাত জুহরা নামে পরিচিত ছিল। এটি সিরিয়ার হাউরান অঞ্চলের পূর্ব দিকে মদীনার পরিবেশ পর্যন্ত বিস্তৃত বিশাল ভূতাত্ত্বিক ব্যবস্থার একটি অংশ গঠন করে। যুদ্ধের খ্যাতির ফলে, হারাত ওয়াকিমকে মুসলিম উৎসে উল্লেখ করা হয় "হারা"।

                                     

2. পটভূমি

উমাইয়া খলিফা মুয়াবিয়া ১ এর পুত্র ইয়াজিদ ১ ৬৮০ সাল থেকে ইসলামী ইতিহাসে নজিরবিহীন কিছু কাজ শুরু করে। যা মদীনার জনগণের মধ্যে, বিশেষ করে হেজাজের বিশিষ্ট মুসলিম নেতাদের মধ্যে বিতর্কের বিষয় ছিল। তাদের মধ্যে একজন খলিফা আলীর ৬৫৬-৬৬১ পুত্র এবং ইসলামী নবী মুহাম্মদের নাতি হুসাইন ইরাকে ইয়াজিদদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দিতে মদিনা ত্যাগ করেন, কিন্তু উমাইয়া গভর্নর উবায়দাল্লাহ ইবনে যিয়াদের বাহিনী কারবালার যুদ্ধে হুসাইন সহ প্রায় সত্তর জন অনুসারীকে নিহত করে। ইয়াজিদ দামেস্কে হুসায়েনের মাথা প্রদর্শনের জন্য ঝুলিয়ে রাখে। ইয়াজিদের অধার্মিক আচরণের মধ্যে ছিল- মেয়েদের দিয়ে গান গাইয়ে বিনোদন এবং একটি পোষা বানরের মাধ্যমে বিনোদন। যা খলিফা হিসেবে তার অনুপযুক্ততা ও অযোগ্যতার ক্ষেত্রে মদীনায় প্রচলিত মনোভাব তৈরিতে অবদান রেখেছে। মদিনা বাসীরা ছিল আনসার স্থানীয় মদিনা বাসী, যারা ৬২২ সালে মক্কা থেকে হিজরতেপর মুহাম্মদের সাথে ছিলেন ও তাঁর মিত্র ছিলেন এবং মুহাজিরুন মুহাম্মদের প্রথম দিকের সমর্থকরা যারা তাঁর সাথে হিজরত করেছিলেন। মুহাজিররা কুরাইশদের অধীনে ছিল। মুহাম্মদ, আলী ও উমাইয়ারা কুরাইশ গোত্রের অন্তর্ভুক্ত ছিল। ইয়াজিদের বিরোধিতার সময়, মদিনা বাসীরা মূলত দুই দলের সন্তান ছিল।

মদিনা বাসীদের সাথে সমঝোতা করার জন্য ইয়াজিদ দামেস্কে তার আদালতে একটি প্রতিনিধি দল পাঠানোর অনুরোধ জানান। মদীনার গভর্নর, ইয়াজিদ এর চাচাতো ভাই উসমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি সুফিয়ান দামেস্কে মদিনা দূতাবাসের প্রতিষ্ঠা করেন। ইয়াজিদ উপহার ও অর্থ দিয়ে প্রতিনিধিদের মন জয় করার চেষ্টা করেন। এটা নিষ্ফল প্রমাণিত হয় যখন প্রতিনিধিরা ফিরে আসেন এবং ইয়াজিদের কলঙ্কজনক জীবনযাত্রার বিবরণ দিয়ে মদীনার জনগণকে প্ররোচিত করেন। প্রতিনিধিদের মধ্যে সবচেয়ে সোচ্চার সমালোচক ছিলেন আব্দ আল্লাহ ইবনে হানজালা। তিনি ঘোষণা করেন যে তিনি এবং তার ছেলেরা ইয়াজিদকে সাহায্য করবে না। এবং যেহেতু ইয়াজিদ তাকে সম্মান দেখিয়েছে, তাই সে খলিফার বিরুদ্ধে যে উপহার দিয়েছিল তা সে ব্যবহার করবে। এদিকে প্রথম খলিফা আবু বকরের র. ৬৩২-৬৩৪ নাতি আব্দ আল্লাহ ইবনে আল-জুবায়ের ৬৮৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মক্কার নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেন, কাবাতে তার সদর দপ্তর স্থাপন করেন এবং ইয়াজিদ বিরোধী ইবনে হানজালার সাথে মিত্রতা করেন।

                                     

2.1. পটভূমি মুখবন্ধ

উসমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি সুফিয়ান উমাইয়া শাসনের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান বিরোধিতা নিয়ন্ত্রণ করতে অক্ষম হন। প্রাচীন মুসলিম ঐতিহাসিক আল-মাদাইনি মৃত্যু- ৮৪৩ অনুসারে, মসজিদে এক সমাবেশের সময় মদিনাবাসীদের বিদ্রোহের সূচনা ঘটে, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা প্রত্যেকেই কাপড়ের মতো বস্তু ছুঁড়ে মারে, যেমন পাগড়ি বা জুতা। এটি একটি আরব প্রথা ভা আরব রীতি যার মাধ্যমে তারা ইয়াজিদের প্রতি আনুগত্য অস্বীকার করে। আরেক প্রাথমিক যুগের মুসলিম ঐতিহাসিক আবু মিখনাফ মৃত্যু- ৭৭৪ এর মতে, মদিনাবাসীদের বিদ্রোহের প্রথম কাজ ছিল ইবনে হানজালার প্রতি আনুগত্য প্রদান করা। এরপর তারা শহরে উমাইয়া ও তাদের সমর্থকদের উপর হামলা চালায়। পরে তায়া তাদের বয়োজ্যেষ্ঠ মারওয়ান ইবনে আল-হাকামের আবাসস্থলে পালিয়ে যায়।

মারওয়ান ইয়াজিদকে সাহায্যের জন্য জরুরী অনুরোধ পাঠিয়েছিলেন, যিনি বনু কলব অধ্যুষিত সিরিয়ার আরব আদিবাসীদের ৪,০০০ থেকে ১২,০০০ শক্তিশালী, সুসজ্জিত সেনাবাহিনী পাঠান। মদিনা বাসী ও ইবনে আল-জুবায়ের উভয়ের বিরোধিতা দমন করতে এই বাহিনী পাঠানো হয়। সৈন্যদের জন্য প্রণোদনা হিসেবে, যারা সামনে একটি কঠিন অভিযান হতে যাচ্ছে বলে অনুমান করেছিল, তাদের প্রত্যেক সৈন্যকে তাদের নিয়মিত বেতনের জন্য ১০০ দিরহাম দেওয়া হয়। এই বাহিনীর কমান্ডার হিসেবে উমাইয়া আমর ইবনে সায়েদ ইবনে আল-আস ইয়াজিদের প্রাথমিক পছন্দ ছিল। কিন্তু তিনি তার সতীর্থ কুরাইশদের রক্ত না ফেলার নীতি থেকে সরে আসার অস্বীকৃতি জানান। অন্যদিকে উবায়েদ আল্লাহ, যিনি এখনো হুসাইনের মৃত্যুতে তার ভূমিকার জন্য দ্বিধা বিভক্ত ছিলেন, তিনিও নেতৃত্ব দিতে অস্বীকার করেন। ফলে তাদের পরিবর্তে অনুগত বৃদ্ধ ও অ-কুরাইশী প্রবীণ মুসলিম ইবনে উকবাকে আদেশ দেওয়া হয়। ঐতিহাসিক আল-ইয়াকুবি মৃত্যু- ৮৯৭ অনুসারে, ইবনে উকবার বাহিনী সিরিয়ার পাঁচটি জুন্ড সৈন্যবাহিনী থেকে সমান সংখ্যক সৈন্য নিয়ে গঠিত: রাওহ ইবনে জিনবা আল-জুধামি ফিলিস্তিনের সৈন্যদের নেতৃত্ব দেন, হুবায়েশ ইবনে দুলজা আল-কাইনি জর্ডানের লোকদের নেতৃত্ব দেন, আব্দ আল্লাহ ইবনে মাসদা আল-ফাজারি দামেস্কের লোকদের নেতৃত্ব দেন, হুসাইন ইবনে নুমায়ার আল-সাকুনি হোমসের লোকদের নেতৃত্ব দেন এবং জুফার ইবনে আল-হারিথ আল-কিলাবি কিননাসেরের লোকদের নেতৃত্ব দেন।

সিরিয়ার অগ্রযাত্রার কথা শুনে মদিনা বাসীরা মদিনার উমাইয়াদের বিরুদ্ধে অবরোধ জোরদার করে। এবং আসন্ন সেনাবাহিনীকে সাহায্য না করার শপথ নেওয়াপর তাদের চলে যাওয়ার অনুমতি দেওয়ার আগ পর্যন্ত এ অবরোধ চলে। সিরিয়া যাওয়ার পথে নির্বাসিত উমাইয়ারা সিরিয়া ও মদীনার মধ্যবর্তী ওয়াদি আল-কুরা অঞ্চলে ইবনে উকবার সেনাবাহিনীর মুখোমুখি হয়। মদীনার প্রতিরক্ষা সম্পর্কে ইবনে উকবার জিজ্ঞাসাবাদ অধিকাংশ উমাইয়াদের দ্বারা প্রত্যাখ্যান করা হয়, যাদের মধ্যে কেউ কেউ উত্তর দিকে অগ্রসর হতে থাকে, কিন্তু মারওয়ানের ছেলে আব্দ আল-মালিক সহযোগিতা করেন এবং মূল্যবান গোয়েন্দা তথ্য প্রদান করেন। মারওয়ানের নেতৃত্বে, অধিকাংশ নির্বাসিত এই অভিযানে যোগ দেয়। মদীনায় প্রায় ২,০০০ লোকবলের রক্ষীরা শহরের দুর্বল অংশ উত্তর কোণ রক্ষার জন্য একটি পরিখা খনন করে এবং নিজেদেরকে চারটি ইউনিটে বিভক্ত করে। যার মধ্যে দুটি কুরাইশের সদস্যরা, একটি বনু আশজার একজন সদস্য এবং অন্যটি আনসারের ইবনে হানজালা দ্বারা পরিচালিত হয়। ২৩ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে তিন দিন ধরে ইবনে উকবা মদিনার নেতাদের সাথে আলোচনার চেষ্টা করেন। তিনি ঐক্যের আহ্বান জানান এবং ইয়াজিদ থেকে মদিনা বাসীদের বার্ষিক দুটি অর্থ প্রদান এবং ভুট্টার উল্লেখযোগ্য মূল্য হ্রাসের প্রতিশ্রুতি দেন।



                                     

3. যুদ্ধ

ইবনে উকবা এবং মদীনাবাসীদের মধ্যে আলোচনা ব্যর্থ হয় এবং সংঘর্ষ শুরু হয়। মদিনার অশ্বারোহীরা হারা য় ইবনে উকবার বিরুদ্ধে মার্চ করে অগ্রসর হয় এবং সম্ভবত ইবনে উকবার আবাস পর্যন্ত অগ্রসর হয়, যেখান থেকে তিনি তার সৈন্যদের পরিচালনা করতেছিলেন। তাদের কাছে এসে ইবনে উকবা ঘোড়ার পিঠে তাদের মুখোমুখি হন এবং যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। মদিনা বাসীরা প্রাথমিক সুবিধা লাভ করে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সিরীয়রা দখল করে নেয় এবং বেশ কয়েকজন আনসারি ও কুরাইশি উল্লেখযোগ্যরা নিহত হন, যার মধ্যে ইবনে হানজালা, তার আট ছেলে এবং মদিনার অভিজাত শ্রেণীর মুষ্টিমেয় কয়েকজন ব্যক্তিও ছিল। মধ্যযুগীয় আরব ঐতিহাসিক ওয়াহব ইবনে জারির মৃত্যু- ৮২২ এবং আল-সামহুদি মৃত্যু- ১৫৩৩ ধরে নেন যে, মদিনা বাসী নীতিবিসর্জিত বনু হারিসার দলত্যাগদ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, যিনি মারওয়ান ও তার অশ্বারোহীদের মদীনায় তাদের কোয়ার্টারে প্রবেশাধিকার দিয়েছিলেন, যার ফলে তারা মদীনার মদিনা বাসীদের আক্রমণ করতে সক্ষম হয়। আব্দুল্লাহ ইবনে মুতি আল-আদাউয়ির নেতৃত্বে কুরাইশরা যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালিয়ে মক্কার ইবনে আল-জুবায়েরের দিকে এগিয়ে যায়। প্রথম দিকের মুসলিম সূত্র আল-ওয়াকিদি মৃত্যু- ৭৪৭ অনুসারে, যুদ্ধ ২৬ আগস্ট ৬৮৩ তারিখে সমাপ্ত হয়।

                                     

4. পরিণাম

সিরিয়ার বিজয়েপর পরস্পরবিরোধী মন্তব্য গুলো রয়ে গেছে। আবু মিখনাফ ও আল-সামহুদীর মতে, ইবনে উকবা তার সৈন্যদের তিন দিনের জন্য মদিনায় লুটপাটের অনুমতি দেন। যুদ্ধে এবং তাৎক্ষণিক ভাবে হতাহতের সংখ্যা আনসার ও কুরাইশের ১৮০ থেকে ৭০০ সদস্য এবং আরও ৪,০০০ থেকে ১০,০০০ মদিনা বাসী। আল-সামহুদি আরো দাবি করেন যে ইবনে উকবার সৈন্যদের দ্বারা মদিনার নারীদের ধর্ষণের অভিযোগের ফলে পরবর্তীতে ১,০০০ অবৈধ শিশু জন্মগ্রহণ করে। প্রথম দিকের আরব ঐতিহাসিক আওয়ানা ইবনে আল-হাকাম মৃত্যু- ৭৬৪ বর্ণনা করেছেন আরো সুশৃঙ্খলভাবে দখল করার, যেখানে ইবনে উকবা কুবা মসজিদে ইয়াজিদকে আনুগত্য করার জন্য মদীনার উল্লেখযোগ্যদের তলব করেন এবং বিরোধী দলের বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট নেতাকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্য তাদের ব্যবহার করেন। পরবর্তীতে ঘনিষ্ঠ বন্ধু যিনি ইবনে উকবার মত একই ঘাটাফান গোত্রের সদস্য ছিলেন, কিন্তু তা সত্ত্বেও ইয়াজিদকে অস্বীকার করার জন্য তাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়। উমাইয়া গোত্রের সদস্য খলিফা উসমানের ৬৪৪-৬৫৬ শাসনকাল পুত্রের দাড়ি মদিনা বাসীদের সাথে সন্দেহজনক সংঘর্ষের শাস্তি হিসেবে কেটে ফেলা হয়, যদিও খলিফা আলীর নাতি আলী ইবনে আল-হুসাইনের সাথে ইয়াজিদ-এর ব্যক্তিগত নির্দেশে ভালো ব্যবহার করা হয়। ওয়াহব ইবনে জারির একইভাবে মদীনার তিন দিনের লুণ্ঠনের কথা উল্লেখ করেননি এবং ওয়েলহাউসেন সন্দেহ প্রকাশ করেন যে এটা ঘটেছে। আবু মিখনাফ ও আওয়ানার বর্ণনায় একমত যে মদীনায় কাজের আদেশেপর ইবনে উকবা মক্কায় ইবনে আল-জুবায়েরকে দমন করতে চলে যান, কিন্তু তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং আল-মুশাল্লালে মারা যান। ইয়াজিদ-এর আদেশ অনুযায়ী তিনি সেকেন্ড-ইন-কমান্ড হুসাইন ইবনে নুমায়ার আল-সাকুনি দায়িত্ব গ্রহণ করে, যিনি সেপ্টেম্বরে মক্কা অবরোধ করতে অগ্রসর হন।

                                     

5. গ্রন্থপঞ্জি

  • Hawting, Gerald R. ২০০০। The First Dynasty of Islam: The Umayyad Caliphate AD 661–750 Second সংস্করণ। London and New York: Routledge। আইএসবিএন 0-415-24072-7। উদ্ধৃতি টেমপ্লেট ইংরেজি প্যারামিটার ব্যবহার করেছে link
  • Lecker, Michael ১৯৮৫। "Muhammad at Medina – A Geographical Approach"। Jerusalem Studies in Arabic and Islam । 6: 29–62।
  • Gibb, H. A. R. ১৯৬০। "ʿAbd Allāh ibn al-Zubayr"। Gibb, H. A. R.; Kramers, J. H.; Lévi-Provençal, E.; Schacht, J.; Lewis, B. & Pellat, Ch.। The Encyclopaedia of Islam, New Edition, Volume I: A–B । Leiden: E. J. Brill। পৃষ্ঠা 54–55।
  • Vaglieri, L. Veccia ১৯৭১। "Al-Ḥarra"। Lewis, B.; Ménage, V. L.; Pellat, Ch. & Schacht, J.। The Encyclopaedia of Islam, New Edition, Volume III: H–Iram । Leiden: E. J. Brill। পৃষ্ঠা 226–227।
  • Anthony, Sean W. ২০১৬। "The Meccan Prison of ʿAbdallāh b. al-Zubayr and the Imprisonment of Muḥammad b. al-Ḥanafiyya"। Pomerantz, Maurice A.; Shahin, Aram A.। The Heritage of Arabo-Islamic Learning: Studies Presented to Wadad Kadi । Leiden and Boston: Brill। পৃষ্ঠা 3–27। আইএসবিএন 978-90-04-30590-8।
  • Editors ১৯৭১। "Ḥarra"। Lewis, B.; Ménage, V. L.; Pellat, Ch. & Schacht, J.। The Encyclopaedia of Islam, New Edition, Volume III: H–Iram । Leiden: E. J. Brill। পৃষ্ঠা 226।
  • Biesterfeldt, Hinrich; Günther, Sebastian ২০১৮। The Works of Ibn Wāḍiḥ al-Yaʿqūbī Volume 3: An English Translation । Leiden: Brill। আইএসবিএন 978-90-04-35621-4।
  • Bewley, Aisha ২০০০। The Men of Madina by Muhammad Ibn Sad, Volume 2 । Ta-Ha Publishers। আইএসবিএন 9781897940907।
  • Lassner, Jacob ১৯৮৬। Islamic Revolution and Historical Memory: An Inquiry Into the Art of ʻAbbāsid Apologetics । American Oriental Society।
  • Lecker, Michael ২০১১। "The Jewish Reaction to the Islamic Conquests"। Krech, Volkhard; Steinicke, Marion। Dynamics in the History of Religions Between Asia and Europe: Encounters, Notions, and Comparative Perspectives । Brill। আইএসবিএন 978-90-04-18500-5।
  • Wellhausen, Julius ১৯২৭। The Arab Kingdom and its Fall । Margaret Graham Weir কর্তৃক অনূদিত। Calcutta: University of Calcutta। ওসিএলসি 752790641। উদ্ধৃতি টেমপ্লেট ইংরেজি প্যারামিটার ব্যবহার করেছে link
  • টেমপ্লেট:The History of al-Tabari