Back

ⓘ বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের আইন




                                               

১৪৪ ধারা

১৪৪ ধারা হল বাংলাদেশের ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর একটি ধারা। ভারতীয় ফৌজদারী কার্যবিধির ১৪৪ ধারার সাথে এক ও অভিন্ন। এই আইনের ক্ষমতাবলে কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কোন এলাকায় একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সভা-সমাবেশ করা, আগ্নেয়াস্ত্র বহনসহ যেকোন কাজ নিষিদ্ধ করতে পারেন। জরুরী অবস্থা বা সম্ভাব্য বিপজ্জনক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য এই আইনের প্রয়োগ করা হয়। ১৯৭৬ সালে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ গঠনেপর শুধু মহানগরী এলাকার জন্য এই বিধান রহিত করে নতুন বিধান চালু করা হয়েছে।

                                               

আপিল বিভাগ

আপীল বিভাগ হল বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রীম কোর্টের আপীল আদালত। আপীল বিভাগ হল প্রথম স্তরের আপীল আদালত, যা হাইকোর্ট বিভাগের চুড়ান্ত বিচারিক রায় পর্যালোচনা করার কর্তৃত্ব রাখে। আপীল বিভাগ প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে ৬ জন বিচারক নিয়ে গঠিত। বর্তমান প্রধান বিচারপতি হলেন সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

                                               

জাতির পিতার পরিবার-সদস্যদের নিরাপত্তা আইন-২০০৯

জাতির পিতার পরিবার-সদস্যদের নিরাপত্তা আইন-২০০৯ বাংলাদেশের একটি বিশেষ আইন এবং বাংলাদেশে সমালোচিত আইনগুলোর মধ্যে অন্যতম। আইনটি ১৩ অক্টোবর ২০০৯-এ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে গৃহীত হয়।

                                               

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮

তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৪, ৫৫, ৫৬, ৫৭ ও ৬৬ সহ মোট ৫টি ধারা বিলুপ্ত করে ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তে, বাংলাদেশের সংসদে কণ্ঠভোটে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ পাস হয়। এ আইনটি প্রস্তাবেপর গণমাধ্যম এবং সামাজিক মাধ্যমের কর্মী সহ বিভিন্ন মহল তীব্র সমালোচনা করে। তাদের মতে ৫৭ ধারায় অপরাধের ধরনগুলো একসঙ্গে উল্লেখ ছিল, নতুন আইনে শুধুমাত্র সেগুলো বিভিন্ন ধারায় ভাগ করে দেয়া হয়েছে। ৩২ ধারায় সাংবাদিকরা হয়রানির শিকার হতে পারে বলে আশঙ্কা করেন সাংবাদিকরা।

                                               

দালাল আইন (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশ ১৯৭২

দালাল আইন, ১৯৭২ বলতে দ্যা বাংলাদেশ কোলাবরেটরস অর্ডার, ১৯৭২ Order, 1972")-কে বুঝনো হয়। কখনো কখনো এটিকে রাষ্ট্রপতির আদেশ ১৯৭২ সালের ৮ নং হিসাবেও পরিচিত উল্লেখ করা হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য মুক্তিযুদ্ধের সময় যেসব রাজাকার, আলবদর, আলশামস পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সদস্যদের সহায়তা করেছে তাদের বিচারের জন্য ১৯৭২ সালের ২৪ জানুয়ারি এই আইনটি প্রণয়ন করা হয় এবং ১৯৭৩ সালের অক্টোবর পর্যন্ত এই আইনের আওতায় ২,৮৮৪টি মামলা দায়ের করা হয়। এসব মামলায় সাজা দেওয়া হয় ৭৫২ জনকে। এদের মধ্যে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবনসহ বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিল। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ৩১ অক্টোবর দালাল আইন বাতিল ...

                                               

ফ্যাক্টরি আইন ১৯৬৫

ফ্যাক্টরি আইন ১৯৬৫ হ‌লো কারখানায় শ্রমিক নিয়োগ, তাদের মজুরি এবং কাজের পরিবেশ, যথা স্বাস্থ্যকর ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কর্মস্থল, স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপত্তা, কল্যাণমূলক ব্যবস্থা, কর্মঘণ্টা, সাপ্তাহিক ও অন্যান্য সব ধরনের ছুটির সুযোগ এবং আইনভঙ্গের কারণে মালিক ও শ্রমিক উভয়ের জন্যই শাস্তি ও জরিমানা ইত্যাদি সংক্রান্ত আইন।