Back

ⓘ মারিৎজার যুদ্ধ




মারিৎজার যুদ্ধ
                                     

ⓘ মারিৎজার যুদ্ধ

মারিৎজার যুদ্ধ, অথবা চেরনোমেনের যুদ্ধ ছিলো সেপ্টেম্বর ১৩৭১ সালে মধ্যবর্তী মারিৎজা নদীর কাছে লালা শাহিন পাশা এবং এভ্রেনোস দ্বারা পরিচালিত উসমানীয় বাহিনীর এবং রাজা ভুকাইন এবং তাঁর ভাই ডেস্পট জোভান উগলিয়েশার নেতৃত্বাধীন সার্বীয় সেনাবাহিনীর মধ্যকার সংঘটিত যুদ্ধ। সার্বীয়রা মারিৎসার প্রথম যুদ্ধের প্রতিশোধ নিতে চেয়েছিলো।

                                     

1. প্রেক্ষাপট

মারিৎজা যুদ্ধের আগে ভুকাশিন সার্বীয় সাম্রাজ্যের জন্য স্কদার বর্তমানে শকোদার পুনরায় দখল করার পরিকল্পনা করেন। রাজা ভুকাশিন এবং তাঁর পুত্র যুবরাজ মার্কোর নেতৃত্বাধীন সেনাবাহিনী ১৩৭১ সালের জুনে স্কাদেরের দিকে অগ্রসর হয়। কিন্তু যখন তাদের পূর্ব থেকে একটি বড় উসমানী সেনাবাহিনী অগ্রসর হওয়ার খবর আসে, তখন তারা মারিৎজার যুদ্ধের প্রস্তুতির জন্য পূর্ব দিকে এগিয়ে যায়।

                                     

2. লড়াই

খ্রিস্টান সেনাবাহিনীর সংখ্যা ছিলো ৫০,০০০–৭০,০০০ জন। বেশিরভাগ সূত্রই বেশি সংখ্যার ব্যাপারে একমত হয়। প্রথম মুরাদ আনাতোলিয়ায় থাকাকালীন ডেস্পট উগলিয়েজা উসমানীয়দের রাজধানী এদিরনের উপর আশ্চর্য আক্রমণ করতে চেয়েছিল। উসমানীয় সেনাবাহিনী ছিল অনেক ছোট, বাইজেন্টাইন গ্রীক পণ্ডিত লাওনিকোস চালকোকন্ডাইলস এবং অন্যান্য উৎস ৮০০ পুরুষের সংখ্যা দিয়েছেন। উচ্চতর কৌশলের কারণে, খ্রিস্টান শিবিরে রাতে একটি অভিযান পরিচালনা করে, শাহিন পাশা খ্রিস্টান সেনাবাহিনীকে পরাজিত করতে এবং রাজা ভুকানিশকে এবং উগলিয়েশাকে হত্যা করতে হন। হাজার হাজার খ্রিস্টান মারা গিয়েছিল এবং হাজার হাজার লোক পালানোর চেষ্টা করার সময় মারিৎজা নদীতে ডুবে গিয়েছিল। যুদ্ধের পরে মারিৎজা রক্ত ​​দিয়ে লাল রঙের হয়ে গিয়েছিলো।

                                     

3. ফলাফল

এই যুদ্ধের পরে মেসিডোনিয়া এবং থ্রেসের কিছু অংশ উসমানীয়দের অধীনে আসে। যুদ্ধটি বলকান জয় করার জন্য উসমানীয় অভিযানের একটি অংশ ছিল। এর আগে উসমানীয়রা আধুনিক বুলগেরিয়ায় সোজোপল দখল করেছিল এবং পরে আধুনিক গ্রীসের ড্রামা, কাভেলা এবং সেরাই শহর দখল করে সফল হয়েছিল। পরবর্তী সসময়ে ১৩৮৯ সালে কসোভোর যুদ্ধটি হয়েছিলো।