Back

ⓘ বিষয়শ্রেণী:এশিয়ার রেল পরিবহন অসম্পূর্ণ




                                               

আজমপুর রেলওয়ে স্টেশন

১৮৯২ সালে ইংল্যান্ডে গঠিত আসাম বেঙ্গল রেলওয়ে কোম্পানি এদেশে রেলপথ নির্মাণের দায়িত্ব নেয়। ১৮৯৫ সালের ১লা জুলাই চট্টগ্রাম থেকে কুমিল্লা ১৫০ কিমি মিটার গেজ লাইন এবং লাকসাম থেকে চাঁদপুর পর্যন্ত ৬৯ কিমি রেলপথ জনসাধারণের জন্য খোলা হয়। ১৮৯৬ সালে কুমিল্লা–আখাউড়া–শাহবাজপুর রেলপথ স্থাপন করা হয়। এসময় এই রেলপথের অন্যতম স্টেশন হিসেবে আজমপুর রেলওয়ে স্টেশন তৈরি করা হয়।

                                               

খুলনা-বাগেরহাট রেলপথ

খুলনা-বাগেরহাট রেলওয়ে ২ ফুট ৬ ইঞ্চি সরু গেজ রেলপথ যা খুলনা এবং বাগেরহাটের মাঝে যোগাযোগ পথ হিসেবে ব্যবহৃত হত। এই রেলপথটি ১৯১৮ সালে নির্মাণ করা হয় এবং ১৯৯৮ সালে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। ২০-মাইল দীর্ঘ রেলপথে ১৯৫৮ সালে ১৩ টি কোচ এবং ৮ টি মালগাড়ি চলাচল করতো।

                                               

খুলনা-মোংলা বন্দর রেলপথ

খুলনা-মংলা বন্দর রেলপথটি মংলা বন্দরের সাথে সারাদেশের রেলপথে যোগাযোগ স্থাপনের নিমিত্তে নির্মিত হচ্ছে। এটি ৬৫ কিলোমিটার লম্বা ব্রডগেজ রেলপথ হবে। নির্মাণাধীন রূপসা রেল সেতু এই পথেরই অংশ।

                                               

ফেঞ্চুগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন

ফেঞ্চুগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন হচ্ছে বাংলাদেশের একটি রেলওয়ে স্টেশন যা সিলেট বিভাগের সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় কুশিয়ারা নদীর তীরবর্তী এলাকায় অবস্থিত। ২০২০ সালের ১২ই আগস্ট স্টেশনটির কার্যক্রম বন্ধ করা হয়।

                                               

লাকসাম জংশন রেলওয়ে স্টেশন

লাকসাম জংশন রেলওয়ে স্টেশন ১৮৯৩ সালে প্রায় ৩০০ একর সম্পত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত হয়। এই স্টেশনে বর্তমানে বিরাট স্টেশন ভবনসহ ৪টি প্ল্যাটফর্ম রয়েছে। এর উপর দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২০ জোড়া ট্রেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলাচল করে।

                                               

সমতট এক্সপ্রেস

সমতট এক্সপ্রেস বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃক পরিচালিত বাংলাদেশের একটি যাত্রীবাহী ট্রেন পরিষেবা। ট্রেনটি লাকসাম–নোয়াখালী রেলপথে চলাচল করে নোয়াখালী জেলা ও কুমিল্লা জেলাকে সংযুক্ত করেছে।