Back

ⓘ নলিনী জয়বন্ত




নলিনী জয়বন্ত
                                     

ⓘ নলিনী জয়বন্ত

নলিনী জয়বন্ত ১৯২৬ সালে বোম্বাইতে বর্তমানে মুম্বই জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি অভিনেত্রী শোভনা সমর্থের মাসতুতো বোন ছিলেন। ১৯৮৩ সাল থেকে, তিনি বেশিরভাগ সময় একান্ত জীবন যাপন করেছিলেন।

১৯৪০-এর দশকে পরিচালক বীরেন্দ্র দেশাইয়ের সাথে তাঁর বিবাহ হয়। ১৯৪৮ সালে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়। পরে, তিনি তাঁর দ্বিতীয় স্বামী অভিনেতা প্রভু দয়ালকে বিবাহ করেছিলেন, এঁর সাথে তিনি বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন।

                                     

1. অভিনেত্রী জীবন

কৈশোর বয়সে তিনি মেহবুব খানের বহেন ১৯৪১ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন, এটি বোনের প্রতি একজন ভাইয়ের অত্যধিক ভালবাসা সম্পর্কে একটি চলচ্চিত্র ছিল। আনোখা প্যার ১৯৪৮ ছবির চিত্রগ্রহণের আগে তিনি আরও কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন। ১৯৫০ সালে অশোক কুমারের বিপরীতে সমাধি এবং সংগ্রাম চলচ্চিত্রে তাঁর অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি খ্যাতি অর্জন করেন এবং একজন শীর্ষ তারকা হয়ে ওঠেন।। সমাধি ছবিটি সুভাষচন্দ্র বসু এবং তাঁর আজাদ হিন্দ ফৌজ সম্পর্কিত একটি দেশপ্রেম মূলক চলচ্চিত্র ছিল। যদিও সে সময়ের শীর্ষস্থানীয় চলচ্চিত্র পত্রিকা, ফিল্ম ইন্ডিয়া এটিকে "রাজনৈতিকভাবে অচল" বলে অভিহিত করেছিল, এটি বক্স অফিসে সাফল্য পেয়েছিল। সংগ্রাম একটি অপরাধবিষয়ক নাটক ছিল যেখানে নলিনী বিরোধী নায়কের চরিত্রটির আমূল সংস্কার করে নায়িকা হিসেবে অভিনয় করেছিলেন। তিনি শাম্মী কাপুরের সাথে প্রথম শ্রেণীর রোমান্টিক ছবি মেহবুবা ১৯৫৪ এবং প্রহসন মূলক ছবি হাম সব চোর হ্যায় ১৯৫৬ তে কাজ করেছিলেন। তিনি এবং অশোক কুমার জলপরি ১৯৫২, কাফিলা ১৯৫২, নও বাহার ১৯৫২, সালোনি ১৯৫২, লকীরেঁ ১৯৫৪, নাজ ১৯৫৪, মি. এক্স ১৯৫৭, শেরু ১৯৫৭ এবং তুফান মে প্যায়ার কাঁহা ১৯৬৩ ইত্যাদি অন্যান্য ছবিতে একসাথে অভিনয় করেছিলেন।

১৯৫০-এর দশকের মধ্যভাগ জুড়ে নলিনী একজন গুরুত্বপূর্ণ শীর্ষস্থানীয় অভিনেত্রী হিসাবে অভিনয় করেছিলেন। এই সময়ের মধ্যে তিনি রাহি ১৯৫৩, শিকস্ত ১৯৫৩, রেলওয়ে প্ল্যাটফর্ম ১৯৫৫, নাস্তিক ১৯৫৪, মুনিমজি ১৯৫৫ এবং হাম সব চোর হ্যায় ১৯৫৬ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন। ১৯৫৮ সালে নির্মিত রাজ খোসলা পরিচালিত চলচ্চিত্র কালা পানি নলিনীর শেষ সফল ছবি ছিল। এই ছবির জন্য তিনি সেরা সহায়ক অভিনেত্রী ফিল্মফেয়ার জন্য পুরস্কার জিতেছিলেন। অবসর নেওয়ার আগে তাঁর শেষ চলচ্চিত্র ছিল বম্বে রেসকোর্স ১৯৬৫। ১৮ বছর পরে, তিনি নাস্তিক ছবিতে একটি চরিত্র অভিনেত্রী হিসাবে ফিরে এসেছিলেন, যা ছিল তাঁর শেষ অভিনীত ছবি।

                                     

2. মৃত্যু

২০১০ সালের ২০শে ডিসেম্বর, ভারতের মুম্বাইয়ের চেম্বুরে, তাঁর ইউনিয়নের পার্কের ৬০ বছরের বাংলোয়, ৮৪ বছর বয়সী নলিনী জয়বন্ত নিঃসঙ্গ অবস্থায় মারা যান। মৃত্যুর ৩ দিন পর অ্যাম্বুলেন্স এসে মৃতদেহ বহন করে নিয়ে যাবাপর সবাই তাঁর মৃত্যুর কথা জানতে পারে। প্রতিবেশীরা জানিয়েছিলেন যে, তিনি সমাজ থেকে নিজেকে আলাদা করে নিয়েছিলেন এবং স্বামীর মৃত্যুর পরে আর কারো সাথে দেখা করতেন না। তার আত্মীয়দেরও দীর্ঘদিন ধরে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ ছিলনা।

                                     

3. তাঁর অভিনীত নির্বাচিত চলচ্চিত্র সমূহ

  • মুক্তি ১৯৬০
  • রাধিকা ১৯৪১
  • মুকদ্দর ১৯৫০
  • লকীরেঁ ১৯৫৪
  • নওজওয়ান ১৯৫১
  • চিঙ্গারি ১৯৫৫
  • শেরু ১৯৫৭
  • সমাধি ১৯৫০
  • কাফিলা ১৯৫২
  • তুফান মেঁ প্যার কাহাঁ ১৯৬৩
  • আন বান ১৯৫৬
  • দুর্গেশ নন্দিনী ১৯৫৬
  • বোম্বে রেস কোর্স ১৯৬৫
  • রাজকন্যা ১৯৫৫
  • জাদু ১৯৫১
  • মিস বোম্বে ১৯৫৭
  • রাহি ১৯৫২
  • ২৬ জানুয়ারী ১৯৫০ ১৯৫৬
  • কালা পানি ১৯৫৮
  • দো রাহ ১৯৫২
  • অমর রহে য়ে প্যার ১৯৬১
  • সালোনি ১৯৫২
  • ফিফটি ফিফটি ১৯৫৬
  • আওয়াজ ১৯৫৬
  • মিস্টার এক্স ১৯৫৭
  • গুঞ্জন ১৯৪৮
  • ইন্সাফ ১৯৫৬
  • শিকস্ত ১৯৫৩
  • জলপরী ১৯৫২
  • জিন্দেগী অঔর হাম ১৯৬২
  • মেহবুবা ১৯৫৪
  • আদাব আরজ ১৯৪৩
  • হাম সব চোর হ্যায় ১৯৫৬
  • আনোখা প্যার ১৯৪৮
  • মুনিমজি ১৯৫৫
  • মিলন ১৯৫৮
  • আঁখ মিচৌলি ১৯৪২
  • নন্দকিশোর ১৯৫১
  • সংগ্রাম ১৯৫০
  • মা কে আঁশু১৯৫৯
  • এক নজর ১৯৫১
  • নাজ ১৯৫৪
  • কিতনা বদল গ্যায়া ইন্সান ১৯৫৭
  • আখেঁ ১৯৫০
  • বাপ বেটি ১৯৫৪
  • রেলওয়ে প্ল্যাটফর্ম ১৯৫৫
  • ফির ভি আপনা হ্যায় ১৯৪৬
  • কবি ১৯৫৪
  • বহেন ১৯৪১
  • নউবাহার ১৯৫২
  • সেনাপতি ১৯৬১
  • নির্দোষ ১৯৪১
  • নাস্তিক ১৯৫৪
  • নীলমণি ১৯৫৭
  • গার্লস হস্টেল 1963