Back

ⓘ বিষয়শ্রেণী:একক পদ্ধতি




                                               

আন্তর্জাতিক একক পদ্ধতি

আন্তর্জাতিক একক পদ্ধতি সংক্ষেপে এস.আই. একক নামে পরিচিত। মেট্রিক একক এর আধুনিক সংস্করণ হল SI একক। দৈনন্দিন জীবনে ব্যবসা ও বিজ্ঞানে এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত একক পদ্ধতি। ১৯৬০ সালে SI একক অর্থাৎ মিটার-কিলোগ্রাম-সেকেন্ড পদ্ধতি, সেন্টিমিটার-গ্রাম-সেকেন্ড অর্থাৎ Metric এককের পরিবর্তে চালু হয়।

                                               

নিউটন স্কেল

এই প্রবন্ধটি তাপমাত্রার নিউটনীয় স্কেল বিষয়ক। বলের আন্তর্জাতিক একক সম্বন্ধে জানতে চাইলে নিউটন একক প্রবন্ধটি দেখুন। স্যার আইজ্যাক নিউটন ১৭০০ খ্রীস্টাব্দের আশেপাশের সময়ে তাপমাত্রার নিউটন স্কেল টি উদ্ভাবন করেন। তাপ নিয়ে চিন্তাভাবনা করতে গিয়ে তিনি "শীতকালের ঠাণ্ডা বাতাস" থেকে "রান্নাঘরের জ্বলন্ত কয়লা"-র মধ্যে প্রায় কুড়িটি প্রাসঙ্গিক বিন্দুর তাপমাত্রা নিয়ে সর্বপ্রথম তাপমাত্রার গুণগত স্কেলটি তৈরি করেন। এই পদ্ধতিটি যথেষ্ট স্থূল এবং এর ফলাফল ত্রুটিপূর্ণ হওয়ায় নিউটন নিজেই এটিকে পরিবর্তন করে তাপপ্রয়োগে অধিকাংশ বস্তুর আয়তন বেড়ে যাওয়ার ধর্মকে কাজে লাগানোর কথা ভাবেন। তিনি একটি পাত্রে খানি ...

                                               

বার (একক)

বার হল চাপের মেট্রিক একক, তবে আন্তর্জাতিক একক পদ্ধতির অংশ নয়। একে সংজ্ঞায়িত করা হয় ১০০,০০০ পাস্কালের সমান বলে, অথবা সমুদ্র পৃষ্ঠের চাপের থেকে সামান্য কম বলে। ব্যারোমেট্রিক সূত্র অনুযায়ী, ১ বার চাপ হল ১৫ °সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় ১১১ মিটার উচ্চতায় পৃথিবীতে বায়ুমণ্ডলীয় চাপের প্রায় সমান। বার এবং মিলিবার এককটি প্রবর্তন করেছিলেন নরওয়েজীয় আবহাওয়াবিদ ভিলহেলম জারকনেস, যিনি আবহাওয়ার পূর্বাভাসের আধুনিক ব্যবস্থাপনার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। আন্তর্জাতিক ওজন ও পরিমাপ ব্যুরো বিআইপিএম বার একককে এসআই তালিকায় উল্লিখিত নন-এসআই একক চিহ্নিত করেছে, - "নন-এসআই ইউনিট যেটি ব্যবহারের স্বাধীনতা থাকা উচিত", তব ...

মেট্রিক একক
                                               

মেট্রিক একক

মেট্রিক একক পদ্ধতি ১৮ শতকের শেষ ভাগে প্রথম ফ্রান্সে চালু হয়। সিস্টেমটি প্রথম ১৬৭০ সালে ফ্রেঞ্চ জ্যোতির্বিজ্ঞানী এবং গণিতবিদ গ্যাব্রিয়েল মুতন দ্বারা প্রস্তাবিত এবং ১৭৯০ সালে রিপাবলিকান ফ্রান্সে প্রমিত করা হয়েছিল। প্রায় ২০০ বছর পর মেট্রিক একক পদ্ধতির পরিবর্তে SI একক পদ্ধতি চালু হয়। এই পদ্ধিতিতে মুল এককের সাথে কিলো, হেক্টো, ডেকা, ডেসি, সেন্টি, মিলি প্রভৃতি উপসর্গ যোগ করে নতুন একক তৈরি করা যায়। দশমিক বিন্দুকে ডানে বা বামে সরিয়ে এককগুলি তৈরি করা যায়।