Back

ⓘ বিষয়শ্রেণী:নদী




                                               

আথাবাস্কা নদী

আথাবাস্কা নদী কানাডার আলবার্টা প্রদেশের একটি নদী।এই নদীর নাম উডস ক্রি ভাষা হতে উদ্ভূত। এটির উৎপত্তি জেসপার জাতীয় উদ্যানে অবস্থিত কলাম্বিয়া বরফক্ষেত্রে সমুদ্রপৃষ্ট হতে প্রায় ১,৬০০ মিটার উপরে। নদীটি ১,২৩১ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে আথাবাস্কা হ্রদে পড়েছে। আথাবাস্কা নদীর দুই তীরের বেশীরভাগ অংশই কানাডার প্রাদেশিক ও জাতীয় উদ্যান বেস্টিত। উত্তর ও মধ্য আলবার্টা এবং রকি পর্বতমালার আলবার্টা অংশের মধ্য দিয়ে আথাবাস্কা নদীর অনেক শাখা ও উপনদী জালের মত ছড়িয়ে আছে। ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্বের কারণে নদীটি কানাডার ঐতিহ্যবাহী নদী হিসেবে স্বীকৃত। নয়নাভিরাম আথাবাস্কা জলপ্রপাত এই নদীর উজানে জেসপার পৌর ...

                                               

ওঘবতী নদী

ভারতবর্ষের একটি প্রাচীন এবং পবিত্র নদী। সরস্বতী নদীর সাতটি রূপের মধ্যে একটি ওঘবতী। অপর নদী সমূহ হলো-সুপ্রভা, কাঞ্চনাক্ষী,বিশালা, মনোরমা, সুরেণু, বিমলোদকা। সুপ্রভা কাঞ্চনাক্ষী চ বিশালা চ মনোরমা। সরস্বতী চৌঘবতী সুরেণুর্বিমলোদকা।। এই সাতটি নদী সমস্ত জগৎ এ ছড়িয়ে রয়েছে। মহাঋষি বশিষ্ঠ কুরু রাজার যজ্ঞে কুরুক্ষেত্রে পূণ্যসলিলা স্রোতস্বিনী সরস্বতীকে আহ্বান করেন, তখন ওঘবতী নদী কুরুক্ষেত্রের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়।. মহাভারতে ধৃতরাষ্ট্র সঞ্জয়ের নিকট ভারতবর্ষের নদী সমূহের নাম জিজ্ঞাসা করলে সঞ্জয় অন্যান্য নদীর সঙ্গে এর নাম-ও উল্লেখ করেন। পূর্বাভিরামাং চীরাঞ্চ ভীমামোঘবতীং তথা। পলাশিনীং পাপহরা মহেন্ ...

                                               

কাজিরা নদী

কাজিরা নদী, যা আকাজিরা নদী বা আলেকজান্দ্রা নীল নামেও পরিচিত, একটি পূর্ব আফ্রিকান নদী। এটি নীল নদের উপরের পানির অংশ গঠন করে এবং এর সবচেয়ে দূরবর্তী উৎস থেকে পানি বহন করে। কাজিরা নদীর অংশ বুরুন্ডিতে শুরু হয়, যা রুরু হ্রদ থেকে প্রবাহিত হয়। হ্রদ থেকে এটি রুয়ান্ডা-বুরুন্ডি এবং রুয়ান্ডা-তানজানিয়া সীমান্ত বরাবর পূর্ব দিকে রুভুবু নদীর সাথে মিলিত হয়। কাজিরার পানি এইভাবে দুটি প্রধান উপনদী দ্বারা সরবরাহ করা হয়, যার একটি রুয়ান্ডার নবরঙ্গ, যেটি রুরু হ্রদের উৎস, এবং অন্যটি বুরুন্ডির রুভুবু। এই দুই ফিডার নদীর মধ্যে কোনটি দীর্ঘ এবং কোনটি নীল নদের চূড়ান্ত উৎস তা অজানা। মিলনস্থল থেকে কাজিরা রুয়ান্ ...

                                               

ছাং চিয়াং নদী

ছাং চিয়াং নদী বা ইয়াং ৎসি চিয়াং নদী এশিয়ার দীর্ঘতম এবং বিশ্বের মধ্যে তৃতীয় দীর্ঘতম নদী। নদীটি ছিংহাই-তিব্বত নামক বরফাবৃত মালভূমি অঞ্চলে উৎপত্তিলাভ করে থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম, কেন্দ্ৰীয় এবং পূর্ব চীনের মধ্য দিয়ে বয়ে গিয়ে সাংহাইয়ের কাছে পূর্ব চীন সাগরে পতিত হয়েছে। এর মোট দৈর্ঘ্য প্ৰায় ৬,৩০০ কিলোমিটার ৷ এই নদী চীনের এক-পঞ্চমাংশ অঞ্চলের পানির প্ৰধান উৎস এবং এই নদীর উপত্যকায় চীনের এক-তৃতীয়াংশ জনসংখ্যার বাস। ছাং চিয়াং নদী চীনের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং অৰ্থনীতিতে গুরুত্বপূৰ্ণ স্থান দখল করে আছে। এই নদীর ব-দ্বীপ চীনের মোট দেশজ উৎপাদনের ২০% উৎপন্ন করে। এই নদী বিভিন্ন বাস্তুতন্ত্রের মধ্য দিয় ...

                                               

তীরবর্তী অঞ্চল

তীরবর্তী অঞ্চল বা তীরবর্তী এলাকা হচ্ছে জমি এবং নদী বা স্ট্রিমের মাঝের অঞ্চল। তীরবর্তী অঞ্চলসমূহ পৃথিবীর ১৫টি স্থলজ বায়োমের একটি। নদী বরাবর উদ্ভিদ আবাসস্থল ও সম্প্রদায়ের অবস্থানকে তীরবর্তী গাছপালা দ্বারা চিহ্নিত করা হয়, যেখানে মূলত হাইড্রফিলিক গাছপালা অবস্থিত। তীরবর্তী অঞ্চল বাস্তুসংস্থান, পরিবেশ ব্যবস্থাপনা, এবং পুরকৌশলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ মাটি সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য ও তাদের বাসস্থান সংরক্ষণে এ অঞ্চলের ভূমিকা রয়েছে। এছাড়া প্রানিজগত এবং জলজ বাস্তুতন্ত্রসহ তৃণভূমি, অরণ্য, জলাভূমি, বা এমনকি অ-বর্ধনশীল এলাকায় এর প্রভাবে রয়েছে। কিছু অঞ্চলে তীরবর্তী বনভূমি, তীরবর্তী বন, তীরবর্তী বাফা ...

                                               

দিহিঙ নদী

দিহিঙ বা বুঢ়ী দিহিঙ নদী একটি বড় শাখা নদী, ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে প্রায় ৩৮০ কিলোমিটার লম্বা, উত্তর-পূর্ব ভারতের আসামের উপরিভাগে। নদীটির উৎপত্তি সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে ২,৩৭৫ মিটার উপরে অরুণাচল প্রদেশের পূর্ব হিমালয় অঞ্চলে এবং আসামের তিনসুকিয়া এবং ডিব্রু গড় জেলাগুলির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ব্রহ্মপুত্রের সাথে দিহিঙ মুখে মিলিত হয়। এর প্রবাহিকা প্রায় ৬,০০০ বর্গকিলোমিটার জুড়ে। দিহিঙ নদীটি এই অঞ্চলে বেশ কিছু অক্সবউ লেক সৃষ্টি করেছে। দিশাং হচ্ছে দিহিঙ এর দক্ষিণ তীরের একটি শাখা নদী। জয়-দিহিঙ এর চিরহরিৎ বন, অসংখ্য পেট্রোলিয়াম ভূমি, ধানের জলা ভূমি, বাঁশর ঝাড় এবং চায়ের বাগান এই পাশটিতে একটি অনন্ ...

                                               

কাপনা নদী

কাপনা নদী বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট জেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ২৭ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ৭৮ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা "পাউবো" কর্তৃক কাপনা নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদী নং ১১। এ নদীর দক্ষিণ পাশেই রাতারগুল জলাবন অবস্থিত।

খোয়াথল্যাংতুইপুই নদী
                                               

খোয়াথল্যাংতুইপুই নদী

খোয়াথল্যাংতুইপুই নদী যা কর্ণফুলি নামেও পরিচিত, ভারতের মিজোরাম রাজ্যের একটি নদী। মিজোরামের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা নদীটির উপর নির্ভরশীল। নদীটির উৎসমুখ মমিত জেলার শৈতা গ্রাম অবস্থিত। এটা বাংলাদেশের সীমান্ত বরাবর দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে তলাবুং এর কাছে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। নদীটির প্রধান শাখাগুলোর মধ্যে কাওরপুই নদী বা থেগা নদী, তুইচ্যাং নদী এবং ফেইরুয়াং নদী উল্লেখযোগ্য।

ভোদ্রিক নদী
                                               

ভোদ্রিক নদী

ভোদ্রিক নদী দক্ষিণ-পশ্চিম স্লোভাকিয়াতে ১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি ছোট নদী, যা প্রায় সমুদ্রসমতল থেকে ৪৫০ মিটার উচ্চতায় লিটল কারপাথিয়ান পর্বতমালায় উৎপন্ন হয় এবং রাজধানী ব্রাতিস্লাভা মাধ্যমে ডেন্যুয়বে প্রবেশ করে। নদীটি ব্রাতিস্লাভা বন পার্কের মধ্য দিয়ে যায় এবং কার্লোভা ভেস বারোতে ডেনুবে প্রবেশ করে।নদী বরাবর কিছু এলাকা ন্যাচার ২০০০-এর অংশ। এটা স্লোভাকিয়া মধ্যে কয়েকটি নদী সরাসরি ডেনুয়েব মধ্যে প্রবাহিত হয়।