Back

ⓘ টেক্কা সেন্টার




টেক্কা সেন্টার
                                     

ⓘ টেক্কা সেন্টার

টেক্কা সেন্টার না না রকম কাজে ব্যবহৃত কতগুলো দালানের সম্মিলন, এর এক পার্শ্বে আছে মাছ, মাংস বা সবজীর মত পচনশীল দ্রব্যর বাজাআর অন্য পাশে আছে খাবারের জন্য ফুড সেন্টাআর অন্যান্য দোকান। সিঙ্গাপুরের লিটল ইন্ডিয়ার বুকিত তিমাহ রোড এবং সেরানগুন রোডের উত্তর কোণায় এর অবস্থান।

                                     

1. ব্যুৎপত্তি ও ইতিহাস

সিঙ্গাপুরে চাইনিজ ভাষাকে রোমান পদ্ধতির কাছাকাছি রূপান্তর করার জটিল প্রক্রিয়ার উদাহরণ দেবার জন্য টেক্কা সেন্টারেকে উদ্ধৃত করা হয়। মার্কেটটি প্রথম থেকেই কান্দং কারাবা কিংবা শুধু কে,কে নামে পরিচিত, মালয় ভাষায় যার অর্থ "মহিষের খোয়াঁড়"। ১৯২০ সাল পর্যন্ত ওই এলাকায় কসাইখানা চালু থাকার কারেনে এমন নামকরন হয় এবং এর পাশে অবস্থিত কান্দং কারাবা উওমেন্স ‍এন্ড চিলড্রেন্স হসপিটাল, কান্দং কারাবা থানা এবং কান্দং কারাবা পোস্ট অফিসের কাছে এ নামটি এখনও চালু আছে।

হক্কিয়েন এ, মার্কেটটি টেক কিয়া খ, নামে পরিচিত যার আভিধানিক অর্থ "ছোট বাশেঁর পা", কারণ রোচার ক্যানেল নামক হ্রদের তীরে এক সময় ছোট ছোট বাশেঁর গাছ হতো । পরে এটাকে জনপ্রিয় নাম টেক্কা পাশাএর সাথে অঙ্গীভুত করা হয় 笛卡巴刹, এখানে পাসার মানে মালয় ভাষায় বাজার বা "মার্কেট"।

আদি বাজার তৈরী হয়েছিল ১৯১৫ সালে এবং এর অবস্থান হেস্টিংস রোড ও সুনগেই রোডের আড়াআড়ি মাঝখানে।

যখন ১৯৮২ সালে এটাকে ভেঙ্গে ফেলে এখনকার জায়গায় নতুন করে তৈরী করা হয়, বহু ব্যবহার উপযোগী এই দালানটি নাম দেয়া হয় ঝুজিয়াও সেন্টার চীনা: 竹脚中心, শব্দটি স্থানীয় টেক খ এর পিনয়িন সংস্করণ অর্থাৎ মূল চাইনীজ ভাষার কাছাকাছি ইংরেজি উচ্চারণ, বিশেষ করে ঝুজিয়াও এই নতুন অ-চাইনীজ শব্দটি লিখা ও বলা দুটোই কঠিন ছিল এবং টেক্কার সাথে ‍কোন মিল ছিল না।

অবশেষে এই কমপ্লেক্সটি ২০০০ সালে সরকারীভাবে টেক্কা সেন্টার নামে পুনঃ নামকরণ করা হয়, নামটিতে ঐ জায়গার ইতিহাসের সাথে আগের চাইতে বেশি মিল খুঁজে পাওয়া যায়। মার্কেটি বড়সড় সংস্কার করার জন্য ২০০৮ সালে বন্ধ হয়ে যায় এবং ২০০৯ সালে নতুন করে চালু হয়। লিটল ইন্ডিয়ার প্রথম শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাজার টেক্কা মল, তৈরী হয় ২০০৩ সালের আদি জায়গার উপরে।

                                     

2. সু্যোগ-সুবিধা

টেক্কা সেন্টার লিটল ইন্ডিয়ার জন্য একটা মাইল ফলক হয়ে থাকবে যেখানে বিভিন্ন জাতিগত সম্প্রদায়ের সম্মিলন ঘটেছে। এখানে আছে চাইনিজ দোকানি যে তামিল ভাষায় কথা বলছে কিংবা তামিল ভাষাভাষী চাইনিজ বলছে। দোকানগুলোতে বিক্রি হচ্ছে গতানুগতিক ভারতীয় পোশাক এবং সস্তা সাধারন ব্যবহারের পোশাক। বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য দোকান আছে যারা তাওবাদী এবং বৌদ্ধধর্মাবলম্বীদের জন্য কাপড়, গহনা পত্র এবং সাজ সরঞ্জাম বিক্রি করছে। এ ছাড়াও আছে বিভিন্ন ধাতুর তৈরী জিনিস বিক্রির হার্ডওয়্যারের দোকান, এমনকি দর্জি, যারা কম সময়ের মধ্যে কাপড় চোপড় মাপমত পরিবর্তন করে দিতে পারে।

নীচতালায় হকার সেন্টারএর দোকানগুলোতে চাইনিজ নিরামিষ, উত্তর ভারতীয় এবং মালয় খাবার ছাড়াও, কলার পাতা বা স্টেইনলেস স্টিলের থালায় ভারতীয় নিরামিষ খাবার বিক্রি হচ্ছে। একই তালায় কাঁচা বাজারে দোকানগুলো তাজা সামুদ্রিক খাবার বিশেষ করে শ্রীলঙ্কা থেকে আসা কাঁকড়া আর শাকসবজি বিক্রি করছে। এ ছাড়াও চাইনিজ দোকানগুলো উড়োজাহাজে করে আনা, মূলত ভারতীয় শাক সবজি বিক্রি করে।

পার্শ্ববর্তী লিটল ইন্ডিয়া এমআরটি স্টেশন প্রধানত এই মার্কেটির যাতায়াত সেবা দিয়ে আসছে। মার্কেটটিতে এছাড়াও আছে একটি ভূগর্ভস্থ গাড়ি পার্কিং এর জায়গা, ও দুইটা ট্যাক্সিক্যাব ষ্ট্যান্ড। কাছাকাছি সুযোগ-সুবিধার মধ্যে আছে ভেঙ্গে ফেলা শপিং মল দি ভারজ্‌ এবং লিটল ইন্ডিয়ার ছাদ ঢাকা পথ।

                                     
  • স স করণ ছ ড র পর কল পন ন য স ল র জ ল ই, ব অন সন ধ ন ইঞ জ নক ট ক ক দ ত ছব র থ ম বন ইল ম উস পয ন ট র র খল বড হয এমন একট ব শ ষ ট য য গ
  • ব হ ন প রধ ন ইন দ র ল ল র য প রথম ভ রত য স ব ধ নত র প র ব উড ন ত ট ক ক জ ন র ল শঙ কর র য চ ধ র প র ক তন ভ রত য স ন প রধ ন চ ত তরঞ জন দত ত, ব ল দ শ