Back

ⓘ বিষয়শ্রেণী:বিপাক




                                               

ক্রিয়েটিনিন

ক্রিয়েটিনিন হচ্ছে মাংসপেশির ক্রিয়েটিন ফসফেট ভেঙে তৈরী হওয়া উৎপাদ। এটা শরীরে সর্বদা একটা নির্দিষ্ট অনুপাতে তৈরী হতে থাকে। তবে এটা পেশীভর বা ঘনত্বের উপর নির্ভর করে। মানবশরীরে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার অর্থ হচ্ছে কিডনি ঠিকমত কাজ করছে না। ক্রিয়েটিনিন কমানোর কোনো ওষুধ নাই। মূলত কিছু বিশেষ রোগ হলে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বেড়ে যায়। যেসব রোগের কারণে ক্রিয়েটিনিন বাড়ে সেসব রোগের চিকিৎসা করালেই ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

                                               

গ্লুকাগন

গ্লুকাগন হল অগ্ন্যাশয়ের আলফা কোষ দ্বারা উত্পাদিত পেপ্টাইড হরমোন, যা রক্তপ্রবাহে গ্লুকোজের ঘনত্ব বৃদ্ধি করে। এর বিপরীত প্রভাব হল ইনসুলিন, যা গ্লুকোজের ঘনত্ব কমিয়ে দেয়। রক্তপ্রবাহে যখন গ্লুকোজের ঘনত্ব অত্যন্ত কমে গেল অগ্ন্যাশয় থেকে গ্লুকাগন নিঃসৃত হয়। এই আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহান্স বিভিন্ন কোষে গঠিত। যেমন: আলফা, বিটা, গামা, ডেল্টা,পিপি, ডি১,ই,এক্স বা এফ ইত্যাদি। আলফা কোষ থেকে গ্লুকাগন নামক হরমন নিঃসৃত হয়। গ্লুকাগন রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়ায়। শরীরে শর্করা বা গ্লুকোজ এর পরিমাণ কমে গেলে আলফা কোষ থেকে গ্লুকাগন ক্ষরিত হয় এবং গ্লুকোনিওজেনেসিস প্রক্রিয়ায় গ্লুকোজ তৈরি করে।

                                               

নাইট্রোজেন সংবদ্ধকরণ

নাইট্রোজেন সংবদ্ধকরণ হচ্ছে একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে পরিবেশের নাইট্রোজেনকে অ্যামোনিয়াম (NH 4 + এ রুপান্তর করা হয়। পরিবেশের নাইট্রোজেন সাধারণত নিষ্ক্রিয় থাকে, সহজে কোন যৌগ গঠনে অংশ নেয় না। সংবদ্ধকরণ প্রক্রিয়া দ্বি-পরমাণুক নাইট্রোজেন অণুতে পরমাণুগুলো পৃথক করে বিক্রিয়াযোগ্য করে তুলে। এই প্রক্রিয়া প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম উভয়ভাবেই হতে পারে। বজ্রপাতের সময় প্রাকৃতিকভাবে এই পক্রিয়া কার্যকরী হয়। নাইট্রোজেন সংবদ্ধকরণ বলতে জৈবিক উপায়ে নাইট্রোজেনের রূপান্তর ও বুঝায়। যেসব অণুজীব নাইট্রোজেন সংবন্ধন করতে পারে তাদের Diazotroph বলে। কিছু উন্নত উদ্ভিদ ও প্রাণী Diazotroph এর সাথে মিথোজীবী রূপে স ...