Back

ⓘ চন্দ্রমল্লিকা




চন্দ্রমল্লিকা
                                     

ⓘ চন্দ্রমল্লিকা

চন্দ্রমল্লিকা একটি অতি পরিচিত ফুল। এই ফুলের অনেকগুলো প্রজাতি রয়েছে। বেশিরভাগ প্রজাতির উৎপত্তি পূর্ব এশিয়া থেকে এবং এই ফুলের বৈচিত্র্যের কেন্দ্রস্থল হল চিনে। এটি বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ হয়। বিভিন্ন রংয়ের এই ফুলগুলোর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমূল্য রয়েছে প্রথম সারিতে। অক্টোবরে কুঁড়ি আসে এবং নভেম্বরে ফুল ফোটে৷ গাছে ফুল তাজা থাকে ২০ থেকে ২৫ দিন৷ ফুলদানি সাজানোর জন্য লম্বা ডাঁটাসহ এবং মালা গাঁখার জন্য ডাঁটা ছাড়া ফুল তোলা হয়। অন্যান্য স্থানীয় নামের মধ্যে - চন্দ্রমুখী, chrysanthemum, Gul dawoodi উল্লেখযোগ্য।

                                     

1. নামকরণ

চন্দ্রমল্লিকার ইংরেজি প্রতিশব্দ ক্রিস্যানথিমাম । শব্দটি গ্রীক থেকে এসেছে। ক্রিসস অর্থ সোনা এবং এনথিমাম অর্থ ফুল।

এ গাছ ৫০ থেকে ১৫০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত উঁচু হয়ে থাকে। বৃহদাকৃতির ফুলগুলো সচরাচর সাদা, হলুদ অথবা পটল বর্ণের হয়। ফুলটির অপর একটি নাম হল সেবতি ।

                                     

2. প্রজাতি

বাংলাদেশ তিনটি প্রজাতি বিশেষভাবে পরিচিত যথা- তিন রঙা চন্দ্রমল্লিকা, তোরা চন্দ্রমল্লিকা, মালীর চন্দ্রমল্লিকা। চন্দ্রমল্লিকার বিভিন্ন জাত রয়েছে। বাণিজ্যিকভিত্তিতে যেগুলোর চাষ হয়, সেগুলোকে প্রধানতঃ দুই শ্রেণীতে ভাগ করা হয় – ছোট ও বড়৷

  • ছোট প্রজাতি - বাসন্তী জলদি জাত – উজ্জ্বল হলুদ, মেঘামী ঐ – হালকা বেগুনী, উনা নাবিজাত – হালকা গোলাপী
  • বড় প্রজাতি - চন্দমা, স্নোবল, সোনার বাংলা, রোজডে, পুইসা পকেট