Back

ⓘ ২০১৮ বাংলাদেশে নির্বাচনী সহিংসতা




                                     

ⓘ ২০১৮ বাংলাদেশে নির্বাচনী সহিংসতা

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০১৮ বাংলাদেশে ৩১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বর এর মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনের সকল সমালোচনা, ঘটনা এবং দুর্ঘটনা সমূহ এখানে লিপিবদ্ধ করা থাকবে।

                                     

1. ইভিএম

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিলে বিএনপি সহ বেশ কয়েকটি দল এর বিরোধিতা করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সীমিত আকারে ইভিএম ব্যবহারের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন।

                                     

2. আদাবর দুর্ঘটনা

২০১৮ সালের ১০ নভেম্বর দুপুরে ঢাকার আদাবর এলাকায় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় দুই কিশোর নিহত হয়। এই সংঘর্ষের ঘটনাটি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী সহিংসতায় বড় ধরনের প্রাণহানির প্রথম ঘটনা। তবে এ ব্যাপারে কোন মামলা বা কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।

                                     

3. নয়াপল্টনে পুলিশের সাথে সংঘর্ষ

১৪ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে ঢাকা নয়াপল্টন এলাকায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে দলটির নেতা-কর্মীদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এতে নেতাকর্মিরা ২ টি পুলিশ ভ্যান পুড়িয়ে ফেলে এছাড়াও ভাঙচুর করা হয় অনেক গাড়ি। দেড় ঘণ্টা ব্যাপি এই সংঘর্ষে ২৩ জন পুলিশ সদস্য এবং অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন বলে পুলিশ ও বিএনপি নেতাকর্মী উভয় পক্ষের দাবি। এই ঘটনায় মোট ঘটনায় ৩ মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় ৫০ জন বিএনপি কর্মিকে। ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে সহিংসতায় বিভিন্ন জেলায় ১৫ জন নিহত হয়েছে।

                                     

4. নোয়াখালির সুবর্ণচর উপজেলায় গণধর্ষণ

ধানের শীষে ভোট ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক দেওয়ায় চর জুবিলী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য ও আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক রুহুল আমীনের নেতৃত্বে ১০/১২ জন মিলে পারুল আক্তার নামে একজন নারীকে গণধর্ষণ করেন। নির্যাতনের শিকার নারী এবং তার স্বামীর বরাতে জানা যায় নির্বাচনের পরদিন, ৩১ ডিসেম্বর মধ্যরাতে ১০ থেকে ১২ জন লোক হাতে লাঠিসোটা নিয়ে বেড়া কেটে তাদের বাড়িতে ঢুকে। এরপর দুর্বৃত্তরা ধর্ষিতার সিএনজি-চালিত অটোরিকশার ড্রাইভার স্বামী ও চার সন্তানকে দড়ি দিয়ে বেঁধে ফেলে এবং তাকে বাইরে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে এবং ঘরথেকে ৪০ হাজার টাকা, সোনার গয়না ও অন্যান্য দামী জিনিসপত্র নিয়ে ধর্ষণকারীরা পালিয়ে যায়।

নির্যাতনের শিকার সেই নারীর স্বামী আরো জানান, তার স্ত্রী নির্বাচনের দিন সকাল ১১টায় চর জুবিলী প্রাথমিকে বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিতে যান। সেখানে তিনি সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারের কাছ থেকে ব্যালট পেপার নিয়ে বুথে যেতে চান। ওই সময় আওয়ামী লীগের কর্মী রুহুল আমীন তাকে নৌকায় ভোট দেওয়ার জন্য জোর করেন। কিন্তু, তাকে রুহুল আমীন যখন বলা হয় যে ধানের শীষে ভোট দেওয়া হয়েছে, তখন তিনি ব্যালট পেপারটি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু, এরমধ্যেই তার স্ত্রী ব্যালটটি বাক্সে ঢুকিয়ে দেন। এতেই রুহুল ক্ষেপে যান এবং দেখে নেওয়ার হুমকি দেন।

এঘটনায় ৯ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হলেও ধর্ষণের প্রধান নির্দেশদাতা রুহুল আমিনের নাম মামলার বিবরণীতে ছিল না। এপ্রসঙ্গে সাংবাদিকের প্রশ্নে নির্যাতিতার স্বামী অভিযোগকারী জানান, তিনি সম্পুর্ণ ঘটনা উল্লেখ করেছেন এবং পুলিশ নিজেই এফআইআর লিখেছে, তাকে একটি সাদা কাগজে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করা হয়৷ ধর্ষিতার স্বামী এর পূর্বে নির্বাচনে রুহুল আমিনকে ভোট না দেওয়ায়ও আমিন কর্তৃক মারধোরের শিকার হয়েছি বলে জানায়। পরবর্তীতে রুহুল আমিন সহ একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। এবং রুহুল আমিনকে ধর্ষণের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে আওয়ামীলিগ থেকে বহিস্কার করা হয়।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, হিউম্যান রাইটস ফোরাম বাংলাদেশসহ ৪০টি মানবাধিকার সংগঠনের একটি প্লাটফর্ম এ ঘটনার নিন্দা ও জড়িত ব্যক্তিদের যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে। ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতেরও দাবি করেছে সংগঠনগুলো।

বরেণ্য শিক্ষাবিদ মুহম্মদ জাফর ইকবাল এ গ্লানি কোথায় রাখি শীর্ষক নাতিদীর্ঘ কলামে "এ ঘটনাটিকে নির্বাচিত সরকারের জন্য আকাশছোঁয়া গ্লানি হিসেবে তুলনা করেন।" তার মন এ ঘটনায় এতটাই বিষন্নতায় আচ্ছন্ন বলে উল্লেখ করেন, যার জন্য কলামটিতে আর কিছু লিখতে পারবেন না বলে জানান।



                                     
  • হওয র পর জ ম য ত ইসল ম ও এর অঙ গস গঠনগ ল দ শ - ব দ শ ব য পক প রত ব দ ও সহ সত শ র কর ছ ল এই র য র পর র ষ ট রপক ষ ও আস ম পক ষ থ ক সর ব চ চ আদ লত
  • ত র খ এপ র ল স ল র দ ক আহমদ ছফ য ব দ তর ণ র ছফ স ই সময র ব হ ম য ন তর ণ শ ল প - স হ ত য কদ র ন য আড ড দ ন ব ল দ শ গব ষণ করত আস
  • উদ য গ: স ব ধ নত র পর র ত ন বছর হ জ র রও ব শ র জন ত ক হত য ক ণ ড ঘট সহ সত স র দ শব য প ছড য পড র আশঙ ক ত র হল ম জ ব র ষ ট র য জর র অবস থ

Users also searched:

...