Back

ⓘ অপেক্ষা (উপন্যাস)




                                     

ⓘ অপেক্ষা (উপন্যাস)

অপেক্ষা হুমায়ূন আহমেদ রচিত একটি উপন্যাস। হুমায়ূন আহমেদের অন্যান্য উপন্যাসের মতোই এ উপন্যাসটির প্রেক্ষাপটও একটি মধ্যবিত্ত পরিবারকে ঘিরে। মধ্যবিত্তের টানাপোড়ন যেমন রয়েছে উপন্যাসটিতে ঠিক তেমনই প্রিয় মানুষের প্রতি একজন মানুষের অকৃত্রিম যে ভালোবাসা তারও বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে চরিত্রগুলোর মাঝে।

হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাসগুলো সাধারণত আকারে ছোট হলেও অপেক্ষা উপন্যাসটি আকারে বেশ বড়। এর পৃষ্ঠা সংখ্যা ২২০।

                                     

1. কাহিনীসংক্ষেপ

স্ত্রী সুরাইয়া আর ৫ বছরের সন্তান ইমনকে নিয়ে ছিল হাসানুজ্জামানের ছোট পরিবার। তাদের এই সংসারে তাদের সাথে থাকত হাসানুজ্জামানের ছোট ভাই ফিরোজ। মাঝে মাঝে কয়েকদিনের জন্য তাদের মা বেড়াতে আসত। একদিন অফিসে যাওয়াপর আর ফিরে আসে না হাসানুজ্জামান। নানাভাবে খোঁজাখুঁজির পরও তাকে খুঁজে পাওয়া যায় না। কিন্তু সুরাইয়া বিশ্বাস করে তার স্বামী একদিন ফিরে আসবে। আর এই অপেক্ষাতেই সে বছরগুলি পার করে দেয়। কিন্তু তার ব্যবহারে ভিন্নতা আসে। সে আস্তে আস্তে নিজেকে গুঁটিয়ে ফেলে। মাঝে মাঝেই অতি অল্প কারণেই তার ছেলে-মেয়েদের প্রতি অমানুষিক অত্যাচার করে। পরবর্তীতে সুরাইয়া তার সন্তানদের নিয়ে তার ভাইয়ের বাড়িতে যায়। ধীরে ধীরে ইমন বড় হয়। এক সময় এক পীর এসে সুরাইয়াকে বলে যেদিন ইমনের বিয়ে হবে সেদিন ইমনের বাবা ফিরে আসবে। একদিন বিয়ে হয় ইমনের। এভাবেই এগিয়ে চলে তাদের জীবন।

                                     

2. এই উপন্যাসের কিছু উক্তি

  • সত্যি কথা শুনতে সব সময় চিরতার পানির মতো লাগে। পৃষ্ঠাঃ ২৬
  • ছেলে পাগলের চেয়ে মেয়ে পাগল ভয়ংকর। পৃষ্ঠাঃ ৯২
  • খুব খারাপ সময়ের পরপরই খুব ভাল সময় আসে। এটা জগতের নিয়ম। পৃষ্ঠাঃ ১১৮
  • প্রকৃতি যাকে দেবার তাকে উজাড় করেই দেয়। যাকে দেবার না তাকে কিছুই দেয় না। পৃষ্ঠাঃ ১০২
  • হাসলে মেয়েদের যতো সুন্দর লাগে হাসি চেপে রাখলে তারচে দশগুণ বেশি সুন্দর লাগে। পৃষ্ঠাঃ ৭৮
  • মানুষের বেঁচে থাকার জন্য অপেক্ষা নামের ব্যাপারটি খুব প্রয়োজন। অপেক্ষা হচ্ছে মানুষের বেঁচে থাকার টনিক। পৃষ্ঠাঃ ১৭৯