Back

ⓘ বিষয়শ্রেণী:ভারতের রেল পরিবহন




                                               

ভারতের রেল পরিবহন ব্যবস্থা

রেল পরিবহন ভারতের পরিবহন ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। ভারতের সকল প্রধান লাইনে রেল পরিচালনা ভারতীয় রেলওয়ে আইআর দ্বারা পরিচালিত হয়, যা রেল মন্ত্রণালয়ের একটি মালিকানাধীন সরকারি সংস্থা। মার্চ ২০১৭ সালের হিসাবে ৬৭,৩৬৮ কিলোমিটার ৪১,৮৬১ মাইল রেলপথ এবং ৭,৩৪৯ টি স্টেশন নিয়ে গঠিত রেল নেটওয়ার্কটিতে ১,২১,৪০৭ কিমি ৭৫,৪৩৯ মাইল রেল ট্র্যাক রয়েছে। এটি বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম রেলওয়ে নেটওয়ার্ক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীন-এর পরে। ৪৯ শতাংশ পথ ২৫ কেভি এসি বৈদ্যুতিক ট্র্যাকশন দিয়ে বিদ্যুতায়িত, যার মধ্যে ৩৩ শতাংশ দুটি বা দুইয়ের অধিক ট্র্যাক নিয়ে গঠিত। এটি বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ততম নেটওয ...

                                               

ভারতের রেল পরিবহনের ইতিহাস

ভারতের রেল পরিবহনের ইতিহাস আরম্ভ হয়েছিল উনিশ শতকের মধ্যভাগ থেকে। ১৮৪৯ সালে ভারতে এক কিলোমটারও রেলপথ ছিল না। ১৯২৯ সাল পর্যন্ত দেশের বেশিরভাগ জেলা নিয়ে ৪১,০০০ মাইল রেলপথ বাড়ানো হয়েছিল। সেই সময়ের হিসাবে রেলওয়ের মূলধন ছিল ৬৮৭ মিলিয়ন ষ্টার্লিং।

                                               

জোড়হাট প্রভিন্সিয়াল রেলওয়ে

জোড়হাট প্রভিন্সিয়াল রেলওয়ে ব্রিটিশ অসমের শিবসাগর জেলার ও বর্তমানের জোড়হাট জেলার একটি ২ ফুট দীর্ঘ ন্যারোগজ রেলওয়ে পরিষেবা ছিল। প্রথমে ককিলামুখ ট্রামওয়ে নামকরণ করা এই রেলপরিষেবার নাম পরে ককিলামুখ স্টেট রেলওয়ে, জোড়হাট স্টেট রেলওয়ে ও জোড়হাট প্রভিন্সিয়াল রেলওয়ে হয়েছিল। ১৮৮৪ সালের ৯ ডিসেম্বরে গোহাঁইগাঁও থেকে জোড়হাট শহর পর্যন্ত ৭ মাইল দৈর্ঘ্যের পথ মুক্ত করা হয়। পরবর্তী পর্যাযে একে তিতাবর পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা হয় ও একটি শাখা পথ সিনামরার থেকে মরিয়নি পর্যন্ত নির্মাণ করা হয়।

                                               

ডিব্রু-শদিয়া রেলওয়ে

ডিব্রু-শদিয়া রেলওয়ে ব্রিটিশ অসমের প্রথম রেল প্রতিষ্ঠান। মূলতঃ চা ও কয়লা, সঙ্গে যাত্রী পরিবহনের উদ্দেশ্যে এই মিটারগজ রেলপথটি জন বেরি হোয়াইটের প্রচেষ্টায় গঠিত হওয়া "আসাম রেলওয়ে অ্যান্ড ট্রেডিং কোম্পানী" নির্মাণ করেছিল। ডিব্রু-শদিয়া রেলপথে ১৮৮২ সালের ১ মেতে ডিব্রুগড়ের ডিব্ৰুমুখ থেকে জয়পুর পর্যন্ত প্রথম রেলটি চলে। ১৮৮৩ সালের ১৬ জুলাই ডিব্রুগড় থেকে মাকুম পর্যন্ত নির্মাণ সম্পূর্ণ হওয়া ৪০ মাইল পথে রেল চলাচল আরম্ভ হয়। ১৯৪৫ সালে সালে ডিব্রু-শদিয়া রেলওয়েকে বেঙ্গল আসাম রেলওয়েতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।