Back

ⓘ বিষয়শ্রেণী:দেশ অনুযায়ী রাজনীতি




                                               

কানাডার রাজনীতি

কানাডা একটি ফেডারেশন যাতে সংসদীয় গণতন্ত্রভিত্তিক সরকারব্যবস্থা এবং একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র প্রচলিত। কানাডার সরকার দুই ভাগে বিভক্ত। কেন্দ্রীয় সরকার এবং প্রাদেশিক বা আঞ্চলিক সরকার। প্রশাসনিক অঞ্চলগুলির তুলনায় প্রদেশগুলিতে স্বায়ত্তশাসনের পরিমাণ বেশি। কানাডার বর্তমান সংবিধান ১৯৮২ সালে রচিত হয়। এই সংবিধানে পূর্বের সাংবিধানিক আদেশগুলি একটিমাত্র কাঠামোয় একত্রিত করা হয় এবং এতে অধিকার ও স্বাধীনতার উপর একটি চার্টার যোগ করা হয়। এই সংবিধানেই প্রথম কানাডার নিজস্ব স্থানীয় সরকারকে তাঁর সংবিধানের উপর পূর্ণ ক্ষমতা প্রদান করা হয়। পূর্বে কানাডা ১৮৬৭ সালে প্রণীত ব্রিটিশ উত্তর আমেরিকা অধ্যাদেশবলে প ...

                                               

কিউবার রাজনীতি

বিংশ শতাব্দীর শুরুতে কিউবা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুরক্ষায় একটি স্বাধীন রাষ্ট্র ছিল। ১৮৯৮ সালের স্পেনীয়-মার্কিনী যুদ্ধেপর যুক্তরাষ্ট্র কিউবা দখল করে এবং কিউবা মার্কিন মদতপুষ্ট একটি সরকার গঠন করে। ১৯০২ সালে দেশটি একটি ঐতিহাসিক পর্বে প্রবেশ করে, যার বৈশিষ্ট্য ছিল দুইটি স্বৈরশাসন এবং ভঙ্গুর গণতন্ত্র। ১৯৫৯ সালের পরে কিউবায় কমিউনিস্ট পার্টর নেতৃত্বে একদলীয় কমিউনিস্ট সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৫৯ সালের ১লা জানুয়ারি কিউবান বিপ্লব কিউবাতে প্রজাতন্ত্রের পতন ঘটায়। ১৯৬১ সাল নাগাদ সরকারকে কিউবার কমিউনিস্ট পার্টি ও তার নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর অধীনে সরকারকে কেন্দ্রীভূত করে ফেলা হয়। ১৯৭০-এর দশক পর্যন্ত ...

                                               

গুয়াতেমালার রাজনীতি

গুয়াতেমালার সরকারব্যবস্থায় ঐতিহাসিকভাবে নির্বাহী শাখার কর্মকর্তারা আধিপত্য বিস্তার করেছেন। অনেক সময় সেনাবাহিনী বড় ভূমিকা রেখেছে। দেশটি ২২টি ডিপার্টমেন্টে বিভক্ত। ডিপার্টমেন্টের প্রধানেরা রাষ্ট্রপতি দ্বারা নিযুক্ত হন এবং একসময় বেশ ক্ষমতাশালী ছিলেন। ১৯৪৫ সালে বিপ্লবোত্তর কালে প্রণীত সংবিধানে স্থানীয় সরকারগুলিকে ক্ষমতা দেয়া হয়। কিন্তু ১৯৫৪ সাল থেকে সিআইএ পরিচালিত প্রাসাদ বিপ্লবেপর সামরিক শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। তাপর গণতন্ত্রের ক্ষতি হয়। বর্তমান সংবিধানটি ১৯৮৫ সালের ৩১শে মে প্রণীত হয় এবং ১৯৮৬ সালের ১৪ই জানুয়ারি থেকে কার্যকর করা হয়। এটিতে গুয়াতেমালায় একটি প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র প্ ...

                                               

গ্রেনাডার রাজনীতি

গ্রেনাডা কমনওয়েলথ অভ নেশনসের একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। ব্রিটেনের রাজা বা রানী এখানকারও রাজা বা রানী এবং রাষ্ট্রপ্রধান। একজন গভর্নর জেনারেল রানীর প্রতিনিধিত্ব করেন। গ্রেনাডা ১৯৭৩ সালে সংসদীয় ব্যবস্থা ও লিখিত সংবিধান গ্রহণ করে। ১৯৭৯ সালে একটি কু-এর পর সংবিধানটি স্থগিত করা হয় এবং সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়। ১৯৮৩ সালে আরেকটি কু হয় এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনী দেশটিতে হস্তক্ষেপ করে। একটী অন্তর্বর্তীকালীন উপদেষ্টা কাউন্সিল গঠন করা হয়। ১৯৮৪ সালের ডিসেম্বরে সংবিধান ও সংসদীয় সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হয়। গ্রেনাডার আইনসভা দ্বিকাক্ষিক। ১৫ সদস্য বিশিষ্ট জনগণের ভোটে নির্বাচিত হাউজ অভ রেপ্রেজেন্টেটিভ্ ...

                                               

নিকারাগুয়ার রাজনীতি

স্বাধীনতাপর থেকে নিকারাগুয়াতে একটি প্রজাতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান, যা একজন নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি, একটি কংগ্রেস ও একটি সুপ্রিম কোর্ট নিয়ে গঠিত। তবে ঐতিহাসিকভাবে নির্বাহী শাখাটিই আধিপত্য বিস্তার করেছে। কংগ্রেস ও কোর্ট মূলত রাষ্ট্রপ্তির আদেশ মেনে চলে। রাষ্ট্রপতি সাংবিধানিক অধিকার স্থগিত করতে পারেন। সামরিক বাহিনীও অনেক সময় সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দেশটির রাজনৈতিক ব্যবস্থাতে বিকৃতি সাধন করে। যুক্তরাষ্ট্র নিজের ক্ষমতাবলে দেশটিতে মার্কিন সেনা এবং মার্কিন বন্ধুভাবাপন্ন সরকার স্থাপন করে, ও বিপ্লব দমন করে। ১৯৩৬ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত সোমোসা পরিবার দেশটিতে আধিপ ...

                                               

পানামার রাজনীতি

১৮২১ সালে স্পেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভের সময় থেকেই পানামাতে গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য বিদ্যমান। পানামাতে ১৯০৩, ১৯৪৬ এবং ১৯৭২ সালে তিনবার সংবিধান রচনা করা হয়েছে। ১৯৮৩ সালে সংবিধানে বড় ধরনের সংশোধন আনা হয়। ১৮ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সের সব নাগরিকের নির্বাচনে ভোট দেওয়া বাধ্যতামূলক। পানামার গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যের বিপরীতে ১৯৩০-এর দশক থেকেই দেশটির সেনাবাহিনী দেশের রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ করে আসছে। সামরিক বাহিনী ১৯৬৮ সাল থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত সরকারের নিয়ন্ত্রণে ছিল। পানামার সরকারীভাবে কোন সেনাবাহিনী নেই। ১৯০৩ সাল থেকে মার্কিন সেনাবাহিনী দেশটির প্রতিরক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত। তবে ইতিহাসের বিভিন্ন সময ...

                                               

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজনীতি

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজনীতি একটি যুক্তরাষ্ট্রীয়, রাষ্ট্রপতিশাসিত, নির্বাচিত রাজতন্ত্রের কাঠামোতে সংঘটিত হয়। সংযুক্ত আরব আমিরাত রাষ্ট্রটি সাতটি পরম রাজতন্ত্রের সমষ্টি: আবু ধাবি, আজমান, ফুজাইরাহ, শারজাহ, দুবাই, রাস আল-খাইমাহ এবং উম্ম আল-কাইওয়াইন আমিরাতগুলি। আবু ধাবির আমির হলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রপতি ও রাষ্ট্রের প্রধান। অন্যদিকে দুবাইয়ের আমীর হলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধানমন্ত্রী ও সরকার প্রধান। খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ান ২০০৪ সাল থেকে রাষ্ট্রটির রাষ্ট্রপতি এবং মোহাম্মেদ বিন রাশিদ আল মাক্তুম ২০০৬ সাল থেকে দেশটির প্রধানমন্ত্রী।