Back

ⓘ বিষয়শ্রেণী:সংক্রামক রোগ




                                               

অ্যানথ্রাক্স (রোগ)

অ্যানথ্রাক্স বা তড়কা রোগ একটি তীব্র ও গুরুতর সংক্রামক রোগ, যা ব্যাসিলাস অ্যান্থ্রাসিস নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়ে থাকে। ব্যাসিলাস গণের অন্যান্য সদস্যের মতো অ্যানথ্রাক্সের জীবাণু Bacillus anthracis -ও প্রতিকূল পরিবেশে রেণু স্পোর হিসাবে সুপ্ত অবস্থায় বেঁচে থাকতে পারে। সুপ্ত দশায় এই জীবাণু শতাব্দীপর শতাব্দীও টিকে থাকতে পারে। সব মহাদেশে, এমনকি কুমেরুতেও এরকম স্পোর পাওয়া গেছে। নিঃশ্বাসের সাথে, ত্বকের ক্ষত দিয়ে, কিংবা খাদ্যের মাধ্যমে এই জীবাণুর রেণু দেহে প্রবেশ করার পরে পুনরায় সক্রিয় হয়ে উঠে এবং দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে। অ্যানথ্রাক্স সাধারণত বন্য এবং গৃহপালিত লতাপাতাভোজী স্তন্যপায়ী প্রাণীদ ...

                                               

কলেরা

কলেরা ভিব্রিও কলেরা নামক ব্যাকটেরিয়া ঘটিত ক্ষুদ্রান্ত্রের একটি সংক্রামক রোগ। এ ব্যাধি উপসর্গবিহীন অথবা মৃদু অথবা মারাত্মক হতে পারে। কলেরার প্রধান উপসর্গ হল ঘনঘন চাল ধোয়া পানির মত পাতলা পায়খানা। এছাড়াও থাকতে পারে পেটব্যথা, জলাভাবে শারীরিক দুর্বলতা এবং চিকিৎসাবিহীন অবস্থায় থাকলে শেষপর্যন্ত পানিশূন্যতার কারণে মৃত্যু ঘটতে পারে। কলেরা Vibrio cholerae -র কয়েকটি সেরোটাইপ দিয়ে হতে পারে। এদের মধ্যে কিছু সেরোটাইপ অন্যগুলোর চেয়ে বেশি মারাত্মক রোগ ঘটাতে পারে। শুধু ও১ O1 এবং ও১৩৯ O139 সেরোগ্রুপ কলেরা মহামারী ও অতিমারী ঘটায়। মানব শরীরে সংক্রমণের প্রধান বাহক দূষিত পানি অথবা দূষিত খাদ্য।

                                               

কালা জ্বর

কালা জ্বর বা ভিসেরাল লিশম্যানিয়াসিস একটি রোগ যা লিশম্যানিয়াসিস রোগের কয়েকটি প্রকারের মধ্যে সবচেয়ে গুরুতর। লিশম্যানিয়া গণভুক্ত এক প্রকার প্রোটোজোয়া পরজীবী এই রোগটি ঘটায় এবং বেলেমাছির কামড় দ্বারা এটি বিস্তার লাভ করে। পরজীবী-ঘটিত রোগগুলোর মধ্যে এটি দ্বিতীয় প্রাণঘাতী রোগ; ম্যালেরিয়ার পরেই এর স্থান। ভিসেরাল লিশম্যানিয়াসিসে প্রতি বছর পৃথিবীতে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। পরজীবীটি মানুষের যকৃত, প্লীহা একারণে ভিসেরাল, এবং অস্থি মজ্জাতে সংক্রমন ঘটায় এবং চিকিৎসা না দিলে মৃত্যু প্রায় অবধারিত। এই রোগের লক্ষণ হলো, জ্বর, ওজন হ্রাস, ক্ষত, অবসাদ, রক্তাল্পতা, চামড়া কালচে হওয়া এবং যকৃৎ ...

                                               

কালো মৃত্যু

কালো মৃত্যু বা কালো মড়ক মানবসভ্যতার ইতিহাসে একটি বীভৎস, অমানবিক ও কালো ইতিহাস বহন করছে। পৃথিবীব্যাপি ছড়িয়ে পড়া এই মহামারির কবলে পড়ে ১৩৪৬-১৩৫৩ সালের মধ্যে ইউরোপ এবং এশিয়া মহাদেশের ৭৫ থেকে ২০০ মিলিয়ন মানুষ মৃত্যুবরণ করে। কালো মৃত্যু এর কারণ সম্পর্কে বিভিন্ন তত্ত্ব রয়েছে। ২০১০ এবং ২০১১ সালে বিশেষজ্ঞরা এই মহামারি’র শিকার হওয়া উত্তর ও দক্ষিণ ইউরোপের অধিবাসীদের ডিএনএন বিশ্লেষণ প্রকাশ করেন। এতে ইয়েরসিনিয়া পেস্টিস ব্যাকটেরিয়া’র জন্য রোগ সংক্রামক জীবাণু প্যাথোজেন’কে দায়ী করা হয়। মধ্য এশিয়ার সমভূমিতে এই রোগের উৎপত্তি বলে ধারণা করা হয়। এরপর এটি সিল্ক রোড হয়ে ১৩৪৩ সালের দিকে এটি ক্রিম ...

                                               

কুষ্ঠ

কুষ্ঠরোগ বা হ্যানসেনের রোগ নামেও পরিচিত, হলো মাইকোব্যাক্টেরিয়াম লেপ্রি বা মাইকোব্যাক্টেরিয়াম লেপ্রোমাটোসিস ব্যাকটেরিয়া দ্বারা দীর্ঘমেয়াদী সংক্রমণ। সংক্রমণটি স্নায়ু, শ্বাস প্রশ্বাসের নালী, ত্বক এবং চোখের ক্ষতি করতে পারে।

                                               

কোভিড-১৯ মহামারীর সময়কালে বাংলাদেশে চিকিৎসা

বাংলাদেশে কোভিড-১৯ মহামারীর সময়কালে বিভিন্ন গণমাধ্যমে, স্বাস্থ্যখাতের বহুবিধ অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা, সমন্বয়হীনতা ও দুর্নীতির তথ্য জানা গেছে। ১৫ই জুন, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদে বিরোধী দলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের জিএম কাদের, বাংলাদেশের হাসপাতালগুলোর অব্যবস্থাপনা ও অনিয়ম খুঁজে বের করার জন্য উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছিলেন৷ এছাড়াও হাসপাতাসমূহের কী কী প্রয়োজন তা নিয়ে সেই কমিটির করা সুপারিশসমূহ বাস্তবায়নের দাবিও জানিয়েছেন তিনি। ১৫ই জুন বাংলাদেশের সুপ্রীমকোর্ট এক আদেশে জানিয়েছে যে, কোভিড-১৯ বা অন্য যেকোন রোগে আক্রান্ত রোগীকে কোনো হাসপাতাল চিকিৎসাসেবা থ ...

গুরুতর তীব্র শ্বাসযন্ত্রীয় রোগলক্ষণসমষ্টি
                                               

গুরুতর তীব্র শ্বাসযন্ত্রীয় রোগলক্ষণসমষ্টি

Severe acute respiratory syndrome সারস করোনোভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট জুনোটিক উৎসের একটি ভাইরাল শ্বাস প্রশ্বাসের রোগ । নভেম্বর ২০০২ এবং জুলাই ২০০৩ এর মধ্যে, দক্ষিণ চীনতে সার্স-এর প্রাদুর্ভাবের ফলে ঘটনাচক্রে ৮০৯৮ জন আক্রান্ত হয়েছিল, ফলে ১৭ টি দেশের ৭৭৪ জন মারা গিয়য়েছিল, মূল ভূখণ্ড চীন এবং হংকংয়ের বেশিরভাগ জায়গায় ২০০৪ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে সার্সের কোনও আক্রান্ত ব্যক্তি পাওয়া যায়নি। ২০১৭ এর শেষদিকে, চীনা বিজ্ঞানীরা উহান প্রদেশের বাদুড়গুলি থেকে মধ্যে ভাইরাসটি আবিষ্কার হয়েছিল।