Back

ⓘ বিষয়শ্রেণী:মৃৎশিল্প




                                               

কুমোরের মাটি

কুমোরের মাটি বা ইংরেজি পরিভাষায় সিরামিক এমন এক ধরনের ধাতব, অধাতব ও ধাতুকল্প বিভিন্ন অজৈব পদার্থের মিশ্রণে প্রস্তুত কৃত্রিম উপাদান, যাকে উচ্চ তাপমাত্রায় পুড়িয়ে কঠিন পদার্থে পরিণত করে শিল্পকর্ম, নির্মাণকাজে ব্যবহৃত সামগ্রী, গৃহস্থালি কাজে প্রয়োজনীয় সামগ্রী এবং শোভাবর্ধক সামগ্রী নির্মাণে ব্যবহার করা হয়। সিরামিক পণ্যের মধ্যে আছে কাচ, পোড়ামাটির বাসনপত্র, চীনামাটির বাসন, চীনামাটির এনামেলস, ইটের টালি, টেরাকোটা, রিফ্রাকটরিজ, সিমেন্ট, চুন এবং জিপসাম।

                                               

চীনামাটি

চীনামাটি একধরনের কুমোরের মাটি। কাওলিন নামক প্রাকৃতিক খনিজযুক্ত পদার্থের মিশ্রণকে বৃহৎ চুল্লী বা ভাঁটিতে ১২০০ ডিগ্রি থেকে ১৪০০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় পুড়িয়ে এই মাটি তৈরি করা হয়। উচ্চ তাপমাত্রায় পোড়ানোর ফলে চীনামাটির ভেতরে মালাইট নামক খনিজ গঠিত হয় এবং মাটিটির কাচীভবন ঘটে, ফলে মৃৎশিল্পে ব্যবহৃত অন্যান্য উপাদানের তুলনায় চীনামাটি অধিকতর শক্ত, ভারবহ এবং স্বচ্ছ হয়ে থাকে। চীনামাটির অন্য কিছু বৈশিষ্ট্য হল এটি অভেদ্য, পুরু অবস্থায় শ্বেতবর্ণ ও অনুরণনশীল হয়ে থাকে। চীনামাটিকে তিনটি প্রধান শ্রেণীতে বিভক্ত করা যায়: শক্ত-লেইয়ের চীনামাটি, নরম-লেইয়ের চীনামাটি এবং অস্থিচূর্ণমিশ্রিত চীনামাটি। চীনামাট ...

                                               

বোন চায়না

হাড়ের ছাই, ফিল্ডসপার এবং কেওলিনে তৈরী একধরণের কোমল পেস্টের চীনামাটিকে বোন চায়না বলা হয়। সংজ্ঞা অনুসারে এটি জন্তুর হাড়ের উৎসের নূন্যতম ৩০% ফস‌ফেট এবং নির্দিষ্ট পরিমাণের ক্যালসিয়াম ফস‌ফেট থাকা অস্বচ্ছ পাত্র। শক্তি এবং ভাঙা প্রতিরোধক্ষমতার দিক থেকে বোন চায়না সবচেয়ে শক্তিশালী চীনামাটি। উচ্চ মাত্রার বগা বর্ণ এবং অস্বচ্ছতার জন্য এটি প্রখ্যাত। জোর বেশির জন্য অন্য চীনামাটির থেকে একে পাতলা করে গড়া যায়। অন্য পোড়ামাটির মতো এটি কাচসদৃশ হয়, কিন্তু অন্য খনিজাত বৈশিষ্ট্যের জন্য এটি অস্বচ্ছ। ১৭৯০ দশকের শুরুতে ইংরেজ কুমার জোসিয়া স্পড ব্যবসায়িকভাবে প্রথম বোন চায়নার বিকাশ করেন। প্রারম্ভিক বিকাশ ...

                                               

শখের হাঁড়ি

শখের হাঁড়ি বলতে বোঝানো হয় চিত্রিত মৃৎপাত্রের হাড়ি। আকার-আকৃতির দিক থেকে সাধারণ হাঁড়ির মতো হলেও এর গায়ে উজ্জ্বল রঙ দিয়ে দৃষ্টি নন্দন চিত্র আঁকা হয়। বাঙালি লোকজ এবং সামাজিক উৎসব-পার্বণে ব্যবহার হয় এই পাত্রটি। শৌখিন কাজে ব্যবহৃত হয় বলে এর নাম শখের হাঁড়ি।