Back

ⓘ ফ্রাঙ্ক কিং




                                     

ⓘ ফ্রাঙ্ক কিং

ফ্রাঙ্ক ম্যাকডোনাল্ড কিং সেন্ট মাইকেলের ব্রাইটন এলাকার ডেলামেয়ার ল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৫৩ থেকে ১৯৫৬ সময়কালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে ১৪ টেস্টে অংশ নিয়েছেন তিনি।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে বার্বাডোস এবং ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর প্রতিনিধিত্ব করেছেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি ফাস্ট বোলার হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে ডানহাতে ব্যাটিং করতেন ফ্রাঙ্ক কিং ।

                                     

1. প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট

১৯৪৭-৪৮ মৌসুম থেকে ১৯৫৬-৫৭ মৌসুম পর্যন্ত বার্বাডোসের পক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেন ফ্রাঙ্ক কিং। ব্যতিক্রম হিসেবে ১৯৫০-৫১ মৌসুমে ত্রিনিদাদের সদস্য থাকাবস্থায় দুই খেলায় বার্বাডোসের বিপক্ষে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। ১৯৫১-৫২ মৌসুমে জ্যামাইকার বিপক্ষে নিজস্ব সেরা বোলিং পরিসংখ্যান ৫/৩৫ দাঁড় করান।

                                     

2. খেলোয়াড়ী জীবন

১৯৫০-এর দশকে উপর্যুপরি তিনটি টেস্ট সিরিজে ডানহাতি ফাস্ট বোলার হিসেবে বোলিং উদ্বোধন করেন। ১৯৫২-৫৩ মৌসুমে সফরকারী ভারতের বিপক্ষে তার টেস্ট অভিষেক ঘটে। এ সিরিজে দূর্দান্ত ক্রীড়াশৈলীর উপস্থাপনা ঘটান ফ্রাঙ্ক কিং। সিরিজে ১৭ উইকেট দখল করে প্রতিশ্রুতিশীলতার পরিচয় দেন ও আল্ফ ভ্যালেন্টাইনেপর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারীতে পরিণত হন। উল্লেখযোগ্য দিক ছিল সিরিজের তৃতীয় টেস্টে ভারতের প্রথম ইনিংসে ৫/৭৪ লাভ করা। এছাড়াও, ভারতীয় উইকেট-রক্ষক ইব্রাহিম মাকা’র হাত ভেঙ্গে ফেলেন তিনি। তবে, তিনি এ ধারাবাহিকতা পরবর্তী সিরিজগুলোয় তুলে ধরতে ব্যর্থ হন। এ সফর সম্পর্কে উইজডেন মন্তব্য করে যে, এ ধরনের আশ্চর্য বলে খুব কমই সফলতা পেয়েছেন।

পরবর্তী মৌসুমে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিন টেস্টের সিরিজে অংশ নিয়ে আট উইকেট দখল করেন তিনি। এবারও তার বোলিংয়ের আগ্রাসনের শিকারে পরিণত হয় ইংরেজ দল ও বেশ কয়েকজন ব্যাটসম্যান আহত হন। তবে, পেশীর সঙ্কোচনের কবলে পড়েন তিনি। ১৯৫৪-৫৫ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হন। সফরকারী দলটির বিপক্ষে চার টেস্টে অংশ নেন। তিনি মাত্র তিন উইকেট পেয়েছিলেন। প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে নিজস্ব ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ২১ রান তুলেন। এরফলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল ইনিংস পরাজয় এড়াতে সক্ষম হয়েছিল।

                                     

3. নিউজিল্যান্ড সফর

১৯৫৫-৫৬ মৌসুমে একবারই বিদেশ সফরে যান। স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আঘাতের কারণে তার স্বাভাবিক ক্রীড়াশৈলী ব্যাহত হয়। প্রথম টেস্টে নয় ওভার বোলিংয়েপর পেশীর সঙ্কোচনের ফলে মাঠের বাইরে চলে যান। তৃতীয় টেস্টে আবারও দলে ফিরে আসেন। এবারও আঘাতের কবলে পড়েন নবম ওভারের চতুর্থ বলের সময়। এ সফরেই টম ডিউডনি’র উত্থান দেখা যায় ও কিংকে এরপর আর ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে খেলতে দেখা যায়নি।

১৯৫৭ সালে তাকে দলের বাইরে রেখে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল ইংল্যান্ড গমন করে। এর পরপরই কিং প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটকে চিরতরে বিদায় জানান। ইংল্যান্ডে চলে যান তিনি ও সেখানকার লীগ ক্রিকেটে তাকে খেলতে দেখা যায়। বার্মিংহাম লীগে ওয়েস্ট ব্রোমউইচ ডার্টমাউথের পক্ষে খেলেন তিনি।

                                     

4. আরও দেখুন

  • আলফ্রেড বিন্স
  • ত্রিনিদাদ ও টোবাগো জাতীয় ক্রিকেট দল
  • ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান টেস্ট ক্রিকেটারদের তালিকা
  • বার্কলি গ্যাসকিন
  • প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট দলসমূহের বর্তমান তালিকা