Back

ⓘ বিষয়শ্রেণী:রসায়ন




                                               

নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড

নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড একটি রাসায়নিক যৌগ যার রাসায়নিক ফর্মুলা NO 2 । নাইট্রোজেন এর অক্সাইডসমূহের মধ্যে এটাই অন্যতম। নাইট্রিক এসিডর শিল্প সংশ্লেষনে NO 2 অন্তঃমর্ধক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এ কারণে প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ টন NO 2 উৎপাদন করা হয়। উচ্চ তাপমাত্রায় এটা লালচে বাদামী গ্যাস, এরা কটু গন্ধযুক্ত এবং বায়ু দূষক।

                                               

দার্শনিকের পাথর

দার্শনিকের পাথর বা পরশ পাথর একটি কল্পিত রাসায়নিক বস্তু। বলা হয়ে থাকে এটার স্পর্শে সীসা ইত্যাদি ধাতু সোনা অথবা রূপায় পরিণত হয়। এজন্য বাংলায় একে পরশ পাথরও বলা হয়। এটাকে অনেক সময় সঞ্জীবণী সুধা বলা হয়ে থাকে। এটার পূণঃর্জীবন বা অমরত্ত্ব প্রদানের ক্ষমতা আছে। কয়েক শতাব্দী ধরে আলকেমির লক্ষ্য ছিলো এই পরশ পাথর খুঁজে বের করা। এই দার্শনিকের পাথর আবিষ্কারের প্রচেষ্টাকে বলা হতো ম্যাগনাম ওপাস ।

                                               

সোডিয়াম বাইকার্বনেট

সোডিয়াম বাইকার্বনেট একটি রাসায়নিক যৌগ যার রাসয়নিক সংকেত NaHCO 3 । সোডিয়াম বাইকার্বনেট সাদা কঠিন স্ফটিক পদার্থ কিন্তু প্রায়শই একে মিহি পাউডার রূপে ব্যবহার করা হয়। এটা সামান্য লবনাক্ত, সোডিয়াম কার্বনেট এর মত ক্ষারীয় স্বাদ। এটার প্রাকৃতিক খনিজ রূপ হচ্ছে নাকোলাইট। এটা খনিজ ন্যাট্রন এর উপাদান এবং একে খনিজ ঝরণার পানিতে মিশ্রিত দ্রবীভূত অবস্থায় পাওয়া যায়। এটা ইউরোপীয় ইউনিয়ন কর্তৃক খাদ্য উপাদান হিসেবে স্বীকৃত। বহুদিন ধরে ব্যবহৃত হওয়ার সুবাদে এই লবনটি অনেক নামে পরিচিত। যেমনঃ বেকিং সোডা, ব্রেড সোডা, কুকিং সোডা, বাইকার্বনেট অব সোডা ইত্যাদি।

                                               

অণু

অণু হচ্ছে কোনো পদার্থের ক্ষুদ্রতম একক,যাতে ঐ পদার্থের সকল গুণাগুণ বিদ্যমান থাকে। অণুর গঠনে রাসায়নিক বন্ধনে আবদ্ধ যুক্ত দুই বা ততোধিক তড়িৎ-নিরপেক্ষ পরমাণু থাকে। এতে বৈদ্যুতিক আধানের অভাব থাকায় তাদেরকে খুব সহজে আয়ন থেকে পৃথকভাবে শনাক্ত করা যায়। আয়নে বৈদ্যুতিক আধান থাকে কিন্তু অণু আধান-নিরপেক্ষ। পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়ন বিজ্ঞানে অণু বহুল আলোচিত একটি শব্দ।বায়ব গতি তত্ত্বে এর পরিমাণ বোঝাতে অণু শব্দ ব্যবহৃত হয় । এই গতিসুত্রানুসারে নিষ্ক্রিয় বায়ব পরমাণুকে অণু হিসেবে বিবেচনা করা যায়। কেননা নিষ্ক্রিয় বায়বের পরমাণু সাধারণ অবস্থায় অন্য বায়বের মত পরস্পর যুক্ত হয়ে অণু গঠন করে না। দুই বা ...

                                               

অম্ল

অম্ল হচ্ছে একটি রাসায়নিক পদার্থ। যৌগের অণুতে এক বা একাধিক প্রতিস্থাপনীয় হাইড্রোজেন পরমাণু থাকে এবং ঐ প্রতিস্থাপনীয় হাইড্রোজেনকে ধাতু বা যৌগমূলক দ্বারা আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে প্রতিস্থাপিত করা যায় এবং যা ক্ষারকের সাথে প্রশমন বিক্রিয়া করে লবণ ও জল উৎপন্ন করে তাকে অম্ল বা অ্যাসিড বলে।Acid শব্দটির উৎপত্তি অ্যাসিডাস কিংবা এসিয়ার হতে; যার অর্থ টক। টক স্বাদযুক্ত সব বস্তুর মধ্যে অ্যাসিড থাকে। তেঁতুল, লেবু প্রভৃতিতে জৈব অ্যাসিড বিদ্যমান। এসকল অ্যাসিড অতি অল্প পরিমাণে থাকে বলে ক্ষতিকারক নয়। কিন্তু পরীক্ষাগারে ব্যবহৃত অ্যাসিড অত্যন্ত তীব্র। এগুলোকে অজৈব বা খনিজ অ্যাসিড বলে। অম্ল,ক্ষারের সাথে বিক ...

                                               

অ্যাডিপিক অ্যাসিড

অ্যাডিপিক অ্যাসিড একটি জৈব যৌগ যার সংকেত 4 2 । ব্যবসায়িক দৃষ্টিকোণ থেকে এটি সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ ডাইকার্বক্সিলিক এসিড। নাইলনের কাঁচামাল হিসেবে প্রায় আড়াই বিলিয়ন কেজি এডিপিক এসিডের সাদা গুঁড়া প্রতিবছর প্রস্তুত করা হয়। অন্যথায় প্রকৃতিতে কদাচিৎ এডিপিক এসিড উৎপন্ন হয়।

                                     

ⓘ রসায়ন

  • প ল নব হ র সরক র ম র চ, - ম র চ ছ ল ন একজন ব ঙ ল জ ব রস য ন ব জ ঞ ন স সদ ব ঙ ল চর ত ভ ধ ন, সম প দন স ব ধচন দ র স নগ প ত এব অঞ জল
  • অজ ব রস য ন স শ ল ষণ গব ষণ অজ ব আচরণ এব জ ব ধ তব য গ র অধ যয ন এই ক ষ ত রট র আওত য পড সব র স য ন ক য গ, শ ধ অগণ ত জ ব য গ ছ ড ক র বনভ ত ত ক
  • জ ব রস য ন হল রস য ন র একট শ খ য হ ইড র ক র বন ও হ ইড র ক র বন র জ তকসম হ র গঠন, ধর ম, স য ক ত এব প রস ত ত ব স শ ল ষণ আল চন কর এসব য গক বল
  • ম ত ত ক রস য ন বলত ম ট র র স য ন ক ব শ ষ ট য ন য অধ যয ন ও গব ষণ ম লক কর মক ণ ডক ব ঝ য ম ত ত ক রস য ন - খন জ পদ র থসম হ, জ ব বস ত এব প র ক ত ক
  • ক য ন ট ম রস য ন রস য ন র একট শ খ য র প র থম ক উদ দ শ য হচ ছ ভ ত মড ল এব র স য ন ক ব যবস থ র পর ক ষ য ক য ন ট ম বলব জ ঞ ন র প রয গ এট আণব ক ক য ন ট ম
  • জ ব - ধ তব রস য ন হল রস য ন ব জ ঞ ন র এমন একট শ খ য খ ন জ ব - ধ তব য গ সম পর ক আল চন কর হয একট ধ ত এব ক ন জ ব অণ র একট ক র বন পরম ণ র মধ য অন তত
  • আল ক - রস য ন হল রস য ন র একট শ খ য ত পরম ণ ক ষ দ র অণ এব আল ক ব তড ৎ - চ ম বক য ব ক রণ র ম থস ক র য ন য গব ষণ কর হয রস য ন র শ খ এই
  • রস য ন শ স ত র র ব ভ ন ন শ খ য গ র ত বপ র ণ অবদ ন র খ র জন য রয ল স ইড শ এক ড ম অফ স ইন স ব জ ঞ ন দ রক প রত বছর রস য ন ন ব ল প রস ক র স য ড য
  • ব শ ল ষণ রস য ন অধ যয ন কর এব যন ত রপ ত ও পদ ধত ব যবহ র কর পদ র থক প থক, সন ক তকরণ এব পর ম ণ ন র ধ রণ কর য য অন শ লন প থক করণ, সন ক তকরণ ব
                                               

অজৈব রসায়ন

অজৈব রসায়ন সংশ্লেষণ গবেষণা, অজৈব আচরণ এবং জৈব ধাতব যৌগের অধ্যয়ন। এই ক্ষেত্রটির আওতায় পড়ে সব রাসায়নিক যৌগ, শুধু অগণিত জৈব যৌগ ছাড়া, যা জৈব রসায়নের বিষয়। দুই বিভাগের মধ্যে অনেক পার্থক্য থাকলেও এদের নিজেদের মধ্যে অনেক বিষয়ে মিল আছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো উভয়ই জৈব-ধাতব রসায়ন এর উপ-বিষয়। এটা ব্যবহারিক ক্ষেত্রগুলো হলো রাসায়নিক অনুঘটন, বস্তুগত বিজ্ঞান, রঞ্জক, ঔষধ, জ্বালানি, এবং কৃষি প্রভৃতি।

                                               

অপঘর্ষক

অপঘর্ষক হল অত্যন্ত কঠিন, দুর্গলনীয় বস্তু যা অপেক্ষাকৃত কম কঠিন পদার্থকে ঘষে মসৃণ করা বা বিভিন্ন আকার দান করার জন্য ব্যবহৃত হয়। হীরা, ঝামা, বালি ইত্যাদি হল প্রাকৃতিক অপঘর্ষক; সিলিকন কার্বাইড, বোরাজন ইত্যাদি হল কৃত্রিম অপঘর্ষক। আজকাল অর্ধকৃএিম অপঘর্ষক পাওয়া যাচ্ছে।অপঘর্ষক নানা আকারে ব্যবহার করা যায়, যেমন উকো file শীরিষ কাগজ Sand paper, coated abrasive লেদ মেশিনের Lathe সঙ্গে কাঠমিস্রীরা ব্যবহার করতেও দেখা যায়।

                                               

অস্বাভাবিক বাষ্প ঘনত্ব

আস্বাভাবিক বাষ্প ঘনত্ব বলতে কোন যৌগের উষ্ণতা বৃদ্ধির সাথে সাথে তার পরীক্ষালব্ধ বাষ্পঘনত্বের গাণিতিক বাষ্পঘনত্বের প্রায় অর্ধেকের কাছাকাছি নেমে আসার ঘটনাকে বোঝায়। অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড, ফসফরাস পেন্টাক্লোরাইডের ক্ষেত্রে এরকম ঘটে।

অ্যাবসিসিক অ্যাসিড
                                               

অ্যাবসিসিক অ্যাসিড

অ্যাবসিসিক অ্যাসিড গাছের এক ধরনের হর্মোন যা পাতা ও ফলের ঝরে পড়ার নিয়ন্ত্রক হিসাবে প্রথমে আবিষ্কৃত হয়। তবে এখন ঝরে পড়া ছারাও এর আরো বহু কাজ জানা গেছে, বিশেহ করে জলাভাব বা অন্য যেকোন প্রতিকূল পরিবেশে এই হর্মোন গাছের বাঁচার পক্ষে জরুরি। এর সংকেত C15H20O4।

আইসোটোন
                                               

আইসোটোন

যেসব পরমাণুর নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ও ভর সংখ্যা ভিন্ন হয়, তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোন বলা হয়। যেমন: 36 S, 37 Cl, 38 Ar, 39 K এরা পরস্পরের আইসোটোন। কারণ এদের প্রত্যেকের ক্ষেত্রে নিউট্রন সংখ্যা 20 কিন্তু এদেভর সংখ্যা তথা প্রোটন সংখ্যা অসমান।

আলোক-রসায়ন
                                               

আলোক-রসায়ন

আলোক-রসায়ন হলো রসায়নের একটি শাখা, যাতে পরমাণু, ক্ষুদ্র অণু, এবং আলোক বা তড়িৎ-চৌম্বকীয় বিকিরণের মিথস্ক্রিয়া নিয়ে গবেষণা করা হয়। রসায়নের শাখা এই বিজ্ঞানে আলোক দ্বারা সংঘটিত অথবা আলোক-উৎপাদনকারী রাসায়নিক বিক্রিয়া এবং তাদের সম্পর্কিত আলোক শক্তির বৈশিষ্ট্য ইত্যাদি আলোচনা হয়।

নিকোটিনামাইড অ্যাডেনিন ডাইনিউক্লিয়টাইড ফসফেট
                                               

নিকোটিনামাইড অ্যাডেনিন ডাইনিউক্লিয়টাইড ফসফেট

নিকোটিনামাইড অ্যাডেনিন ডাইনিউক্লিয়টাইড ফসফেট, সংক্ষেপে NADP + একটি সহউৎপাদ হিসেবে ব্যবহৃত এনাবলিক প্রতিক্রিয়া যা লিপিড বা নিউক্লিক অ্যাসিড এবং NADPH সংশ্লেষণে প্রয়োজন। পূর্বে একে বলা হতো ট্রাইফসফোপাইরিডাইন নিউক্লিওটাইড ।

                                               

মিথাইল

মিথাইল হচ্ছে একটি এলকাইল মূলক যা একটি কার্বন অণু এবং তিনটি হাইড্রোজেন অণু দিয়ে গঠিত মিথেন গ্যাস থেকে উৎপাদন করা হয়। অধিকাংশ সময় এই মূলককে সংক্ষেপে Me বলা হয়। অনেক অজৈব যৌগে মিথাইল মূলকের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। মিথাইল মূলক সাধারণত বড় অনুর অংশ হিসেবে থাকে। মিথাইল মূলককে তিন পর্যায়ে পাওয়া যায়। এনায়ন, ক্যাটায়ন এবং মুক্ত মূলক।

রাসায়নিক দ্যুতি
                                               

রাসায়নিক দ্যুতি

রাসায়নিক বিক্রিয়ার কারণে আলো বিকিরণের ঘটনাকে রাসায়নিক দ্যুতি বলে। এই ধরনের বিক্রিয়ায় সামান্য পরিমাণে তাপ নিঃসরন হতে পারে। বিক্রিয়ক A ও B এর উত্তেজিত মধ্যবর্তী অবস্থা নিম্নরূপ, হলো ৩- এমিনোথ্যালেট এর উত্তেজিত অবস্থা। রাসায়নিক দ্যুতি ঘটনাটি যখন জীব কোষে ঘটে তখন তাকে জৈব দ্যুতি বলে।

সায়ানোজেন
                                               

সায়ানোজেন

সায়ানোজেন একটি রাসায়নিক যৌগ যার সংকেত হলো CN । কার্বন এবং নাইট্রোজেন ঘটিত এই যৌগটি আন্তঃনাক্ষত্রিক স্থানে দৃশ্যমান আলোর শোষণের মাধ্যমে তৈরি হয়ে থাকে। এটি একটি বর্ণহীন বিষাক্ত গ্যাস যার ঝাঝোলো গন্ধ রয়েছে। সায়ানোজেন হলো অক্সিজেনের একটি অক্সামাইড H 2 NCOCONH 2 → NCCN + 2 H 2 O যদিও অক্সামাইড সায়ানোজেনের আর্দ্র বিশ্লেষণ দ্বারা প্রস্তুত করা হয়।

Users also searched:

ছায়া প্রকাশনী রসায়ন pdf, রসায়ন চর্চার মাধ্যমে মানুষের চাহিদা কিভাবে পূরণ করা সম্ভব, রসায়ন বই,

...
...
...