Back

ⓘ কফি




                                               

কফি বাগাবেনা

কফি বাগাবেনা একজন ঘানিয়ান ক্রিকেটার । দক্ষিণ আফ্রিকার ২০১৭ আইসিসি ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট লিগ বিভাগের পাঁচটি টুর্নামেন্টের জন্য তাকে ঘানার দলে জায়গা দেওয়া হয়েছিল। তিনি ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭ এ ভানুয়াতুর বিপক্ষে ঘানার দ্বিতীয় ফিক্সচারে খেলেন ২০১২ সালের মে মাসে উগান্ডায় ২০১৮-১৯ আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আফ্রিকা বাছাইয়ের টুর্নামেন্টের আঞ্চলিক ফাইনালের জন্য তাকে ঘানার দলে জায়গা দেওয়া হয়েছিল। ২০ মে, ২০১৯ তারিখে নামিবিয়ার বিপক্ষে ঘানার হয়ে টি-টুয়েন্টি আন্তর্জাতিকে টি-টোয়েন্টি অভিষেক হয়।

                                               

স্প্রে ডায়িং

স্প্রে ড্রায়িং হচ্ছে এক ধরনের শুষ্ককরণ প্রক্রিয়া যেখানে তরল বা আংশিক তরল কোন বস্তু থেকে গরম গ্যাসের সাহায্যে পাওডার তৈরি করা হয়। যেসকল বস্তু তাপ সংবেদনশীল তাদের ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়া বেশ কার্যকর। অনেক খাদ্য এবং ওষুধের ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়া অবলম্বন করা হয়। শুষ্ককরণ প্রক্রিয়ায় বাতাসকেই ব্যবহার করা হয়। তবে তরল পদার্থ যদি দাজ্ব্য পদার্থ হয় সেক্ষেত্রে বাতাসের পরিবর্তে নাইট্রোজেন গ্যাস ব্যবহার করা হয়। প্রতিটি স্প্রে ড্রায়িং যন্ত্রে অটোমাইজার বা স্প্রে নোজল নামে একটি যন্ত্রাংশ থাকে। এর কাজ হচ্ছে তরল পদার্থকে খুব ছোট ছোট ফোঁটায় বের করে দেয়া। অর্থাৎ স্প্রে করা। স্প্রে নোজলের সাহায্যে ...

কফি
                                     

ⓘ কফি

কফি বিশ্বব্যাপী খুবই জনপ্রিয় পানীয়। পানির সাথে ফুটিয়ে রান্না করা "কফি বীজ" নামে পরিচিত এক প্রকার বীজ পুড়িয়ে গুঁড়ো মিশিয়ে কফি তৈরি করা হয়। এই বীজ কফি চেরি নামক এক ধরনের ফলের বীজ। প্রায় ৭০টি দেশে এই ফলের গাছ জন্মে। সবুজ কফি বিশ্বের সব থেকে বেশি বিক্রীত কৃষিপণ্যের মধ্যে একটি। কফিতে ক্যাফেইন নামক এক প্রকার উত্তেজক পদার্থ রয়েছে। ৮ আউন্স কফিতে প্রায় ১৩৫ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন থাকে। কফির উপাদান ক্যাফেইনের জন্যে কফি মানুষের উপর উত্তেজক প্রভাব ফেলে ও উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে। এখন, চায়েপর কফি বিশ্বের অত্যধিক জনপ্রিয় পানীয়।

                                     

1. উৎপাদন ব্যবস্থা

কফি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিক্রিত পণ্য জ্বালানী তেলের পরে এবং বিশ্বের সর্বাপেক্ষা বেশি পানকৃত পানীয়গুলোর মধ্যে অন্যতম। ১৯৯৮-২০০০ সালের মধ্যে ৬.৭ মিলিয়টন কফি উৎপন্ন হয়েছে। ২০১০ সাল নাগাদ কফির উৎপাদন বেড়ে ৭ মিলিয়ন টনে দাঁড়াবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্বের সর্বত্র ব্যাপকভাবে প্রচলিত উত্তেজক পানীয় হিসেবে এর ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। ১৯৯৯ সালের হিসেব অনুযায়ী আমেরিকার নাগরিকগণ প্রতিদিন গড়ে ৩.৫ কাপ কফি পানীয়রূপে গ্রহণ করে থাকেন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি মানুষ নিয়মিত কফি পান করে থাকেন এবং তারা গড়ে প্রতিদিন ৩ কাপ কফি পান করেন।