Back

ⓘ ২০১৫ বাংলাদেশের ছাত্র বিক্ষোভ




২০১৫ বাংলাদেশের ছাত্র বিক্ষোভ
                                     

ⓘ ২০১৫ বাংলাদেশের ছাত্র বিক্ষোভ

২০১৫ বাংলাদেশের ছাত্র বিক্ষোভ বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার উপর আরোপিত মূসক প্রত্যাহারের দাবীতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের কর্তৃক বিক্ষোভ।

বাংলাদেশ সরকারের বর্তমান অর্থমন্ত্রী ২০১৫-১৬ অর্থ বছরের খসড়া বাজেটে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উচ্চশিক্ষার উপর ১০ শতাংশ মূসক চালু করার প্রস্তাব করে। পরবর্তীতে, প্রচুর সমালোচনাপর তা কমিয়ে ৭.৫% করা হয় ও ১ জুলাই ২০১৫-১৬ অর্থবছর থেকে কার্যকর করা হয়।

                                     

1. বিক্ষোভ

২২ জুন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা একটি মিছিল নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় ভবনের দিকে তাদের দাবি জানাতে যেতে থাকে যা আইন প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষ ভণ্ডুল করে দেয়।

২০১৫ সালের আগস্টের শুরুতে, বাংলাদেশ সরকার মূসত প্রত্যাহারে অসম্মতি জানায় এবং তা শিক্ষার্থীদের কর্তৃক পরিশোধ করতে হবে বলে ঘোষণা দেয়। এই সংবাদ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করে। সেপ্টেম্বর ৯ তারিখে, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা একটি প্রতিবাদ করতে পুলিশ তাতে ফাঁকা গুলি চালায়, ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত নিবন্ধকসহ প্রায় ২৩ জন শিক্ষার্থী আহত হয়। যা একটি বিস্ফোরণের জন্ম দেয় এবং এর ফলে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হাজার হাজার শিক্ষার্থী এই প্রতিবাদের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করে। ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে, বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করার মধ্য দিয়ে টিউশন ফির উপর মূসক প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ করে।

                                     

2. অনাকাঙ্খিত ঘটনা

যদিও দেশের বেশিরভাগ মানুষই এ আন্দোলনের পক্ষে ছিল তবুও এ আন্দোলনে বেশি কিছু অপ্রীতিকর ঘটনার সম্মুখীন হতে হয়। এরমধ্যে একটি ছিল ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর দুই দফা হামলা চালানো এবং দ্বিতীয়টি ছিল কাকলি মোড়ে ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলনরত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা

                                     

3. ফলাফল

১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রীসভার একটি বৈঠকে ভ্যাট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। পরবর্তীতে সেইদিনই অর্থ মন্ত্রণালেয়র একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যামে ভ্যাট প্রত্যাহারের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।