Back

ⓘ নেজামে ইসলাম পার্টি




                                     

ⓘ নেজামে ইসলাম পার্টি

বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, যার পূর্বনাম ছিলো জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ও নেজামে ইসলাম পার্টি । বাংলাদেশের ও উপমাহদেশের একমাত্র প্রাচীনতম একটি ঐতিহ্যবাহী ইসলামী রাজনৈতিক দল।

                                     

1. প্রতিষ্ঠা

১৯৪৫ সালের ২৮ ও ২৯ অক্টোবর কলিকাতার মুহাম্মদ আলী পার্কে মুসলিম লীগের প্রত্যক্ষ সমর্থনে একটি উলামা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলন থেকে প্রতিষ্ঠিত হয় নিখিল ভারত জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম নামে একটি নতুন সংগঠন। এই নতুন জমিয়ত পাকিস্তান প্রশ্নে মুসলিম লীগের পক্ষ নেয়।

কিন্তু দেশভাগেপর মুসলীম লীগ নেতৃবৃন্দের ওয়াদা ভঙ্গের ফলে নবগঠিত পাকিস্তানে নেজামে ইসলাম তথা ইসলামী শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হওয়া সুদূর পরাহত দেখে তারা নিরাশ হয়ে পড়েন। এক প্রকার প্রতারিত হয়েই ১৯৫২ সালে নিখিল ভারত জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামের নেতৃবৃন্দ মুসলিম লীগের সঙ্গ ত্যাগ করে নেজামে ইসলাম পাটি নামে পৃথক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

এই লক্ষ্যে ৫২ সালের ১৮, ১৯ ও ২০ মার্চ বর্তমান কিশোরগঞ্জ জেলার হয়বতনগরে দলটির কাউন্সিল অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অধিবেশনেই মাওলানা আতহার আলী রহ. কে সভাপতি, মাওলানা সৈয়দ মুসলেহ উদ্দিন রহ. কে সাধারণ সম্পাদক এবং মাওলানা আশরাফ আলী ধর্মন্ডলীকে সহকারী সম্পাদক নির্বাচিত করে নেজামে ইসলাম পার্টির কার্যক্রম শুরু হয়।

যেকোন মূল্যে পাকিস্তানে নেজামে ইসলাম তথা ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাকে এই পার্টির প্রধান লক্ষ্য হিসেবে স্থির করা হয়। মুসলিম লীগের তুলনায় এই দলের নেতৃতে বড় বড় উলামা থাকায় অল্পদিনেই নেজামে ইসলাম পার্টি একটি শক্তিশালী বৃহৎ দলে পরিণত হয়।

                                     

2. ১৯৫৪ সালের জাতীয় নির্বাচন

১৯৫৪ সালে নেজামে ইসলাম পার্টি জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেয়। এই নির্বাচনে তাদের এককালের পৃষ্ঠপোষক ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগকে পরাজিত করার লক্ষ্যে অপরাপর বিরোধী দলগুলোর সমন্বয়ে একটি যুক্তফ্রন্ট গঠন করা হয়। এই ফ্রন্টে নেজামে ইসলাম পার্টি ছাড়া আরও যে সব দল ছিল সেগুলো হলো আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক লীগ ও কৃষক শ্রমিক পার্টি।

যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা। যা বর্তমানে আওয়ামী লীগের পরিচয় চিহ্নে পরিণত হয়েছে। ফ্রন্টের পক্ষ থেকে ২১-দফা দাবি সম্বলিত একটি নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করা হয়। এর ভূমিকায় বলা হয়: কুরআন ও সুন্নাহ-বিরোধী কোন আইন প্রণয়ন করা হবে না।

যুক্তফ্রন্ট সরকারে নেজামে ইসলাম পার্টি অংশ নেয় এবং মন্ত্রিত্ব লাভের সুবাদে গুরুত্বপূর্ণ নীতি নির্ধারনী ভূমিকা পালন করে। জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে দলটির ৩৬ জন নেতা নির্বাচিত হন।

জাতীয় পরিষদে সংসদীয় দলের নেতা ছিলেন দলীয় সভাপতি মাওলানা আতহার আলী রহ., এডভোকেট মৌলভী ফরিদ ছিলেন কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রী। প্রাদেশিক পরিষদের স্পীকার ছিলেন আব্দুল ওহাব খান। এছাড়া আইন, ভূমি ও শিক্ষা মন্ত্রনালয়ও ছিল নেজামে ইসলাম পার্টির মন্ত্রীদের দায়িত্বে। পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী চৌধুরী মুহাম্মদ আলী পরবর্তীতে নেজামে ইসলাম পার্টিতে যোগ দিলে তাকে দলের সভাপতি নিযুক্ত করা হয়।

                                     
  • খ র ষ ট ব দ থ ক ড ম হ ম মদ রফ ক ল ইসল ম এর আহব ব ন প র ট র ন ম আ শ ক পর বর তন র ম ধ যম ব ল দ শ জনত প র ট ব জ প - ওসম ন ন ম বঙ গব র ওসম ন র
  • জ ক র প র ট ব ল দ শ র একট ইসল ম দল দলট র বর তম ন ন ত হল ন ম স তফ আম র ফয সল ম জ দ দ দ জ ক র প র ট আন ষ ঠ ন কভ ব স ল আত মপ রক শ কর এর
  • ব ল দ শ র ব প লব ওয র ক র স প র ট হচ ছ ব ল দ শ র একট র জন ত ক দল এই দলট ব ল দ শ র ওয র ক র স প র ট থ ক ব ভক ত হয গড ওঠ এই দল র গণস গঠনসম হ
  • উল ম য ইসল ম ব ল দ শ, ব ল দ শ ম সল ম ল গ ব এমএল ন য শন ল প পলস প র ট এনপ প ন য শন ল ড ম ক র ট ক প র ট এনড প ব ল দ শ ল ব র প র ট ইসল ম ক
  • ব ল দ শ কল য ণ প র ট ব ল দ শ র একট ন বন ধ ত র জন ত ক দল এর প রত ষ ঠ ত জ ন র ল ম হ ম মদ ইব র হ ম ব র প রত ক ত ন বর তম ন দলট র চ য রম য ন র দ য ত ব
  • ভ ম ক প লন কর স ল র ড স ম বর দলট ক ষক শ রম ক প র ট প ক স ত ন গণতন ত র দল ও ন জ ম ইসল ম র সঙ গ ম ল য ক তফ রন ট গঠন কর স ল র ম র চ র

Users also searched:

...