Back

ⓘ দেমোক্রিতিয় ও এপিকুরিয় প্রকৃতির দর্শনের পার্থক্য




                                     

ⓘ দেমোক্রিতিয় ও এপিকুরিয় প্রকৃতির দর্শনের পার্থক্য

দেমোক্রিতিয় ও এপিকুরিয় প্রকৃতির দর্শনের পার্থক্য হচ্ছে জার্মান দার্শনিক কার্ল মার্কসের লেখা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিসিস। এটি তিনি ১৮৪১ সালে লিখে শেষ করেন এবং এই কাজের ফলে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তার থিসিসের এডভাইজার ছিলেন তরুণ হেগেলিয়ান এবং তার ব্যক্তিগত বন্ধু ব্রুনো বাউয়ের। এই অভিসন্দর্ভটি পেশ করা হয়েছিল জেনা বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং পুস্তকাকারে প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯০২ সালে।

এই গ্রন্থের প্রথম অংশে দেমোক্রিতোস ও এপিকুরোসের প্রকৃতির দর্শনের সাধারণ পার্থক্য দিয়ে অভিসন্দর্ভের বিষয় শুরু হয়েছে। এছাড়াও এই অংশে দেমোক্রিতিয় ও এপিকুরিয় পদার্থবিদ্যার সম্পর্ক নিয়ে মতামতসমূহ আলোচিত হয়েছে। দ্বিতীয় অংশে বিস্তারিতভাবে দেমোক্রিতিয় ও এপিকুরিয় পদার্থবিদ্যার পার্থক্য পাঁচটি অধ্যায়ে বর্ণিত হয়েছে।

                                     

1. ইয়েনা বিশ্ববিদ্যালয়ে

মার্কস আগে থেকেই অনুমান করতে পেরেছিলেন যে প্রুশীয় রাজধানীর বিশ্ববিদ্যালয়ে তার থিসিসের নিরপেক্ষ মূল্যায়ন হবে না। এই কারণে তিনি থিসিস ইয়েনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠিয়ে দেন এবং ১৮৪১ সালের এপ্রিলে ডক্টরেট ডিগ্রি পান।