Back

ⓘ বিষয়শ্রেণী:২০১৪-এ মৃত্যু




                                               

২০১৪-এ মৃত্যু

এটি ২০১৪-এ উল্লেখযোগ্য মৃত্যুর একটি কালক্রম। এখানে নামসমূহ মৃত্যু তারিখের অধীনে প্রতিবেদন করা হয়েছে। প্রতিটি তারিখের অধীনে পরিবারিক নাম বা ছদ্মনামসমূহ অদ্যাক্ষর অনুক্রমে প্রতিবেদন করা হয়েছে। উইকিপিডিয়া নিবন্ধ রয়েছে এমন উল্লেখযোগ্য এবং অন্যান্য প্রাণীর মৃত্যু এখানে প্রতিবেদন করা হয়। টিপিক্যাল ভুক্তিসমূহের নিম্নলিখিত ক্রমানুসারে তথ্য প্রতিবেদন: নাম, বয়স, নাগরিকত্ব দেশ, পরবর্তী নাগরিকত্ব দেশ, উল্লেখযোগ্যতার কারণ, মৃত্যুর প্রতিষ্ঠিত কারণ, তথ্যসূত্র।

                                               

ফজলে বারী মালিক

ফজলে বারী মালিক বাংলাদেশের পদার্থবিজ্ঞানী ছিলেন। তিনি সাউদার্ন ইলিনইস বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৮০ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত তাত্ত্বিক নিউক্লিয়ার এবং পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ একাডেমী অব সায়েন্সের ফেলো ছিলেন। তিনি ২০০৭ সালে আমেরিকান ফিজিক্যাল সোসাইটি থেকে জন হুইটলি এওয়ার্ড পান।

                                               

অন্তরা

অন্তরা শিশুশিল্পী হিসেবে চলচ্চিত্রাঙ্গনে যাত্রা শুরু করলেও পরবর্তীতে নায়িকা চরিত্রে অভিনয় করা শুরু করেন। তার বিপরীতে প্রেমের কসম চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রাঙ্গনে অভিষেক ঘটেছিল মাহফুজ আহমেদের। তিনি ২০১৪ সালের ৮ জানুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন।

                                               

আমান উল্লাহ চৌধুরী

চৌধুরী সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী। তিনি ময়মনসিংহ-১১ আসন থেকে ১৯৮৬ সালের তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ মুসলিম লীগের প্রার্থী হিসেবে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে যোগ দেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে। ১৯৯১ সালের পঞ্চম ও ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে একই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

                                               

আলি আনোয়ার

আলি আনোয়ার একজন বাংলাদেশী সাহিত্যিক ও অনুবাদক। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ২০০৬ সালে প্রবন্ধ বিভাগে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার অর্জন করেছিলেন।

                                               

এবিএমজে কিবরিয়া

১৯৫২ সালে কিবরিয়া সেন্ট্রাল সুপিরিয়র সার্ভিস পরীক্ষায় পাস করাপর পাকিস্তানের পুলিশ সার্ভিসে যোগ দেন। পূর্ব পাকিস্তান স্পোর্টস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের এইড-ডি-ক্যাম্প হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। কলকাতায় জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করেছেন। আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের সভাপতি হিসাবে ১৮ বছর দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৮৫ সালে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন সভাপতি হন। শাহাবুদ্দিন আহমেদ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন এবং যোগাযোগ ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রানালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।

                                               

জাহাঙ্গীর মোহাম্মদ আদেল

জাহাঙ্গীর মোহাম্মদ আদেল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও জাতীয় পার্টির রাজনীতিবিদ ছিলেন। তিনি ১৯৭৯ সাল থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত ঢাকা-১২ আসন থেকে এবং ১৯৮৯ থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত ঢাকা-৭ আসন থেকে নির্বাচিত সাংসদ ছিলেন। তিনি ঢাকার ডেপুটি মেয়র ছিলেন।

                                               

জে. কে. এম. এ. আজিজ

জে. কে. এম. এ. আজিজ তিনি ৬ দফা আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণসহ তৎকালীন সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। তিনি ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে পাকিস্তান গণপরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৭১ সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৭৩ সালে তিনি যশোর-৩ আসনের সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি বাকশাল গঠিত হবাপর ঝিনাইদহ জেলার গভর্নর হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন। শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করাপর তাকে এক বছরের জন্য জেলখানায় বন্দী করে রাখা হয়েছিল। জে. কে. এম. এ. আজিজ ২০১৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।

                                               

সালেহা মোশাররফ

সালেহা মোশাররফ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের রাজনীতিবিদ এবং সাবেক সাংসদ। তিনি অক্টোবর ১৯৯৯ সালের উপনির্বাচনে ফরিদপুর-৪ আসন থেকে ও ২০০৯ সালে সংরক্ষিত মহিলা আসন-২০ থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য।

                                               

সুশীল বিশ্বাস

সুশীল বিশ্বাস একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ ও শিক্ষক ছিলেন যিনি সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন। তিনি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় চারবার কৃষ্ণগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

                                     

ⓘ ২০১৪-এ মৃত্যু

  • আব দ ল মত ন জন ম: ড স ম বর, - ম ত য অক ট বর স ল র ব ল ভ ষ আন দ লন র অন যতম ভ ষ স ন ক স ল ত ন ব ল দ শ র জ ত য এব
  • শ পল চত বর সম ব শ কর এপ র ল - স ভ র র ন প ল জ ধস জন র ম ত য ঘট ম - দফ দ ব ত হ ফ জত ইসল ম র ঢ ক অবর ধ কর মস চ প লন ঢ ক সহ
  • এ এন এম ফয জ ল মহ উদ দ ন ফয জ ল মহ জন ম: - ম ত য ড স ম বর, ঢ ক ব শ বব দ য লয র শ ক ষ ব দ ও ব দ ধ জ ব ছ ল ন ত ন ফ ন ত জন মগ রহণ
  • শ ন তন ক য স র জন ম: ড স ম বর, - ম ত য এপ র ল, ব ল দ শ র একজন স হ ত য ক ত ন স ল প রবন ধ ব ল এক ড ম প রস ক র ল ভ কর ন
  • ড লটন র ম ত য - অম ব ক চক রবর ত ব ঙ ল ব র ট শ ব র ধ স ব ধ নত আন দ লন র ব প লব জ. - ম র ক ন ঔপন য স ক প র ল এস ব ক র ম ত য
  • জ ল র গ র প র উপজ ল ন য গঠ ত স ল র ম ম স মজ ব র রহম ন ফক র র ম ত য হয ব ল দ শ আওয ম ল গ র ন জ ম উদ দ ন আহম দ ন র ব চ ত হন নজর ল ইসল ম
  • আহমদ জন ম: ড স ম বর পশ চ মবঙ গ র চব ব শ পরগন য - ম ত য ড স ম বর ছ ল ন একজন ব ল দ শ শ শ স হ ত য ক ও ছড ক র স হ ত য অবদ ন র
  • বশ র আহম দ জন ম: - ম ত য এপ র ল, একজন ব ঙ ল স গ তশ ল প ব ল দ শ এই সঙ গ তশ ল প প ক স ত ন আমল আহম দ র শদ বল পর চ ত ছ ল ন ত ন
এবিএম ইলিয়াস
                                               

এবিএম ইলিয়াস

পাকিস্তান সামরিক একাডেমীর ৩৫তম ব্যাচের কমিশন ছিলেন এবিএম ইলিয়াস। তিনি কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টে অবস্থিত ৩৩তম আর্টিলারি ব্রিগেডের প্রতিষ্ঠাতা কমান্ডার ছিলেন। জেনারেল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সামরিক অভ্যুত্থানেপর তিনি সামরিক ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৪ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হুসেন মোহাম্মদ এরশাদের সামরিক সচিবের দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তিনি তুরস্কে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রতিরক্ষা অ্যাটাচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

                                               

খোদেজা আজম

খোদেজা আজম একজন বাংলাদেশি সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন যিনি ১৯৯৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ১৯৯৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি ২০১৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ৭৬ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।

                                               

ত্রিলোক প্রতাপ রাণা

ত্রিলোক প্রতাপ রানা একজন নেপালি বিচারক ছিলেন, যিনি নেপালের দশম প্রধান বিচারপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৯৭ পর্যন্ত তিনি দায়িত্বে ছিলেন। তাকে নেপালের তৎকালীন রাজা বীরেন্দ্র নিযুক্ত করেছিলেন। এই পদে রানার আগে ছিলেন সুরেন্দ্র প্রসাদ সিং এবং পরে এসেছিলেন ওম ভক্ত শ্রেষ্ঠ। তিনি সার্ক আইন নেপালের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতিও ছিলেন।

Users also searched:

...