Back

ⓘ বিষয়শ্রেণী:মুঘল স্থাপত্য




                                               

আকবরের সমাধিসৌধ

আকবরের সমাধিসৌধ মুঘল স্থাপত্যের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। ৪৮ হেক্টর জমির ওপর স্থাপিত সমাধিসৌধটি ভারতের উত্তর প্রদেশের আগ্রার শহরতলী সিকান্দ্রাতে অবস্থিত। ১৬০৫ সালে সমাধিসৌধটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ১৬১৩ সালে নির্মাণ সম্পন্ন হয়।

                                               

আতিয়া মসজিদ

আতিয়া মসজিদ বাংলাদেশের টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার উপজেলায় অবস্থিত একটি প্রাচীন ঐতিহাসিক মসজিদ যা বাংলাদেশের অন্যতম প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। এই মসজিদটি ষোড়শ শতাব্দীতে নির্মিত হয়েছে এবং এখানে নিয়মিত জামাতে নামাজ আদায় করা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের পুরাতত্ত্ব বিভাগ এ স্থাপনার তত্ত্বাবধান করছে। টাঙ্গাইল অঞ্চলে প্রাপ্ত মূল শিলালিপিগুলোর মধ্যে আতিয়া জামে মসজিদ এলাকায় প্রাপ্ত একটি আরবি এবং একটি ফার্সি শিলালিপি রয়েছে, তবে এগুলোতে মসজিদের নির্মাণকাল সম্পর্কিত তথ্যের ক্ষেত্রে কিছুটা অসংগতি পরিলক্ষিত হয়। বাংলাদেশের জাতীয় জাদুঘরে রক্ষিত শিলালিপিটিতে নির্মাণকাল ১০১৯ হিজরি ১৬১০-১১ খ্রি. দেয ...

                                               

আব্দুল রেহমান জিলানি দেহলভী

সৈয়দ আব্দুল রেহমান জিলানী দেহলভি ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের কাদরী সম্প্রদায়ের একটি উল্লেখযোগ্য সুফি সাধক। তার পূর্বসূরীদের মধ্যে আবদুল কাদির জিলানী ছিলেন। যিনি কাদরী সিলসিলার সূচনা করেছিলেন। দিল্লিতে সিলসিলা প্রতিষ্ঠায় তিনি প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন।

                                               

ওয়াজির খান মসজিদ

ওয়াজির খান মসজিদ পাকিস্তানের পাঞ্জাবের লাহোরে অবস্থিত একটি মুঘল যুগের মসজিদ। সম্রাট শাহজাহানের শাসনামলে ১৬৩৪ সালে এই মসজিদ নির্মাণ শুরু হয় এবং ১৬৪২ সালে নির্মাণ শেষ হয়। মুঘল যুগের মসজিদসমূহের মধ্যে এটি সবচেয়ে সুসজ্জিত হিসেবে স্বীকৃত। মসজিদ খান মসজিদ টাইলের কাশি-কারি নামক জটিল শিল্পকর্ম ও অভ্যন্তরের চমৎকার মুঘল ফ্রেসকোর কারণে জন্য পরিচিত। আগা খান ট্রাস্ট ফর কালচার, ও পাঞ্জাব সরকারের তত্ত্বাবধানে ২০০৯ সাল থেকে মসজিদে সংস্কার কাজ শুরু হয়। জার্মানি, নরওয়ে ও যুক্তরাষ্ট্র সরকার এতে সহায়তা প্রদান করেছে।

                                               

খেরুয়া মসজিদ

খেরুয়া মসজিদ বাংলাদেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রত্ননিদর্শন। মুঘল-পূর্ব সুলতানি আমলের স্থাপত্যশৈলীর সঙ্গে মোগল স্থাপত্যশৈলীর সমন্বয়ে নির্মিত এই মসজিদ। প্রায় ৪৩৫ বছর ধরে টিকে থাকা এই মসজিদের অবস্থান বগুড়া শহর থেকে ২০ কিলোমিটার দক্ষিণে শেরপুর উপজেলা সদরের খোন্দকার টোলা মহল্লায়।

                                               

চাটমোহর শাহী মসজিদ

চাটমোহর শাহী মসজিদ বাংলাদেশের একটি প্রাচীন মসজিদ। চাটমোহর উপজেলা হতে আনুমানিক ২০০ গজ দূরে অবস্থিত। এটি বাংলাদের একটি প্রত্নতত্ত্বিক স্থান। এক সময়ে মসজিদটি ধবংসস্তুপে পরিণত হয়েছিল। ১৯৮০’র দশকে বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এটিকে সম্পুর্ণরূপে নির্মাণ করে। বর্তমানে এটি একটি সংরক্ষিত ইমারত। মসজিদটিতে একটি তুঘরা লিপিতে উৎকীর্ণ একটি ফারসি শিলালিপি ছিলো। বর্তমানে শিলালিপিটি রাজশাহী বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।

খান মোহাম্মদ মৃধা মসজিদ
                                               

খান মোহাম্মদ মৃধা মসজিদ

খান মহম্মদ মির্ধার মসজিদ বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহরের পুরানো ঢাকা এলাকার আতশখানায় অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ। এটি ১৭০৬ খ্রিস্টাব্দে নায়েবে নাযিম ফররুখশিয়ারের শাসনামলে নির্মিত হয়। ইতিহাসবিদ মুনতাসীর মামুনের মতে ঢাকার প্রধান কাজী ইবাদুল্লাহের আদেশে খান মহম্মদ মির্ধা এটি নির্মাণ করেন। বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ এই মসজিদের রক্ষণাবেক্ষণ করে থাকে।

মোতি মসজিদ (লালকেল্লা)
                                               

মোতি মসজিদ (লালকেল্লা)

মোতি মসজিদ মার্বেল পাথর দ্বারা নির্মিত একটি সুবৃহৎ মসজিদ। এটি ভারতের রাজধানী দিল্লীর রেড ফোর্ট প্রাঙ্গণে অবস্থিত। মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব আনুমানিক ১৬৫৯-১৬৬০ সালে এটি নির্মাণ করিয়েছিলেন। ১৬৪৫ সালে আওরঙ্গজেবের পিতা সম্রাট শাহজাহান একই নামে আরেকটি মসজিদ নির্মাণ করিয়েছিলেন বর্তমান পাকিস্তানের লাহোরে অবস্থিত লাহোর দুর্গ প্রাঙ্গণে।