Back

ⓘ ২০১৩ নোবেল শান্তি পুরস্কার




২০১৩ নোবেল শান্তি পুরস্কার
                                     

ⓘ ২০১৩ নোবেল শান্তি পুরস্কার

২০১৩ নোবেল শান্তি পুরস্কার নেদারল্যান্ডের হেগ শহরে অবস্থিত ও ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক রাসায়নিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ সংস্থাকে প্রদান করা হয়। রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারে নিরুৎসাহিতকরণ ও বিস্তার রোধে প্রাণান্তকর চেষ্টায় সম্পৃক্ত থাকায় এ সংস্থাকে বৈশ্বিক স্বীকৃতি দেয়া হয়। পুরস্কার ঘোষণায় বলা হয় যে, আন্তর্জাতিক আইনে রাসায়নিক অস্ত্র ট্যাবু হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। সিরিয়ায় সাম্প্রতিককালের ঘটনায় রাসায়নিক অস্ত্রের আবারো ব্যবহার করা হয়েছে এবং এ ধরনের অস্ত্র ব্যবহারকে দূরে রাখার স্বার্থেই এ সংগঠনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে ও এ সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

                                     

1. প্রতিক্রিয়া

আন্তর্জাতিক রাসায়নিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ সংস্থার প্রধান ও বর্তমান মহা-পরিচালক আহমেত ওজুমকু প্রতিবেদকদেরকে বলেছেন যে, তিনি আশা করেন - এ পুরস্কার প্রাপ্তির ফলে সংস্থার কর্মকাণ্ডগুলোর ফলে সিরিয়ায় শান্তি ফিরিয়ে নিয়ে আসবে ও সাধারণ নাগরিকদের দুঃখ-দুর্দশা লাঘব হবে।

জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন আন্তর্জাতিক রাসায়নিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ সংস্থাকে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করায় সংস্থার কর্মকাণ্ডকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

লন্ডনভিত্তিক সিরীয় বিরোধী কর্মীর উদ্বৃতি দিয়ে ইউএসএ টুডে জানিয়েছে, সিরীয় জনগোষ্ঠী এ পুরস্কার উদযাপন করবে কি-না তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। একইভাবে, সিরীয় জাতীয়তাবাদী জোটের এক মুখপত্র এ পুরস্কারকে ব্যাঙ্গাত্মকপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন।

পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার ও বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ইমরান খান বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার উচিত তাদের নিজেদের মজুতকৃত রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংস করা। এর পরিবর্তে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত মালালা ইউসুফজাইকে পুরস্কৃত করলে তা পাকিস্তানের জন্য গর্বের প্রতীক হতো।