Back

ⓘ বিষয়শ্রেণী:২০১২-এ বাংলাদেশ




                                               

২০১২ আইসিটি স্কাইপ বিতর্ক

২০১২-এর আইসিটি স্কাইপ বিতর্ক বা স্কাইপ কেলেঙ্কারি হল বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি ও চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নিজামুল হক এবং ব্রাসেলসে অবস্থিত বাংলাদেশী আইনজীবী আহমেদ জিয়াউদ্দিনের মধ্যে স্কাইপ কথোপকথন এবং ইমেল ফাঁসের ঘটনা। একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা চলাকালীন সময়ে এই কথোপকথন সংগঠিত হয়েছিল। দ্য ইকোনমিস্টের মতে, রেকর্ডিং এবং ইমেলগুলি নির্দেশ করে যে, বাংলাদেশ সরকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে কার্যনির্বাহীর উপর দ্রুত বিচারের জন্য চাপ এবং হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করেছিল। নিজামুল হকের নিরপেক্ষতা ও স্বাধীনতার প্রশ্নে তাকে তলব করা হয়েছিল, কারণ ...

                                               

২০১২-এ বাংলাদেশ

২৪ নভেম্ভর - বহদ্দারহাট ফ্লাইওভার ধসে পড়ে। এতে ১৭ জন নিহত হয় ও অর্ধশত লোক আহত হয়।

                                               

বহদ্দারহাট ফ্লাইওভার ধস

২৪ নভেম্বর ২০১২ সালে চট্টগ্রামের বহদ্দারহাট এলাকায় বহদ্দারহাট ফ্লাইওভারের স্টিলের গার্ডার ধসে পড়ে ১৭ জন নিহত হয়। স্থানীয় সময় ছিল ৭:৩০টায়, হঠাৎ করে তিনটি গার্ডার নির্মাণের সময় ফ্লাইওভার থেকে পড়ে যায়। পরে বাংলাদেশ সরকার জানায় যে ঘটনাস্থলে ১৫ জন মারা যায় এবং পঞ্চাশ জন আহত হয়েছিল। এর আগে ২৯ জুন, ২০১২ সালে বহদ্দারহাটের এই নির্মাণাধীন ফ্লাইওভার থেকে ১৩০ ফুট দীর্ঘ কংক্রিটের গার্ডার ভেঙে পড়েছিল।

                                               

বিশ্বজিৎ দাস হত্যাকাণ্ড

বিশ্বজিৎ দাস হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় ২০১২ সালের ডিসেম্বর মাসের ৯ তারিখ রবিবার সকাল ৯টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে। ছাত্রলীগ সংগঠনের কর্মীরা বিশ্বজিৎ দাসকে বিনা কারণে প্রকাশ্য-দিবালোকে শত মানুষ ও আইনরক্ষা বাহিনীর সদস্য এবং সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনে নৃশংসভাবে হত্যা করে। ঐদিন সকাল থেকে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহরে সরকার বিরোধী আন্দোলন চলছিল। পঁচিশ বৎসর বর্ষীয় হিন্দু যুবক, পেশায় দর্জ্জি বিশ্বজিৎ দাস জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা হেঁটে পার হওয়ার সময় আন্দোলবিরোধীরা তাকে আঘাত হানা শুরু করে। নির্বিচার কিল-ঘুষি-লাথি ছাড়াও এই শীর্ণকায় যুবককে লৌহশলাকা দিয়ে পেটানো হয়। তদুপরি চাপাতির কোপে তাকে ধরাশায ...

                                     

ⓘ ২০১২-এ বাংলাদেশ

  • এ ব ল দ শ ঘট য ওয ঘটন বল ব ল দ শ ভ ষ ব জ ঞ ন হ ম য ন আজ দ ভ ষ ও স হ ত য অবদ ন র জন য এক শ পদক ল ভ কর ন নভ ম ভর - বহদ দ রহ ট ফ ল ইওভ র
  • ব ল দ শ প র ম য র ল গ ব ব প এল ব ল দ শ আয জ ত ব ল দ শ প র ম য র ল গ র প রথম আসর খ র ষ ট ব দ প রথমব র র মত ব ল দ শ ক র ক ট ব র ড
  • গ র ষ মক ল ন অল ম প ক স ব ল দ শ প র ব ঘ ষ ত ক র ড স চ ম ত ব ক জ ল ই - আগস ট, ত র খ য ক তর জ য র লন ডন অন ষ ঠ ত অল ম প ক ক র ড য
  • গ র ম ণফ ন ব ল দ শ ল গ শ র হয নভ ম বর এব শ ষ হয ম ত র খ ট দল এক - অপর র সঙ গ হ ম এব এওয ভ ত ত ত খ ল শ খ র স ল ক র ড
  • ব ল দ শ প র ম য র ল গ এর জন য খ ল য ড ন ল ম জ ন য র হ ট ল র ড সন, ঢ ক য অন ষ ঠ ত হয প রত য ক ফ র ঞ চ ইজ সর ব চ চ জন দ শ য
  • ব ল দ শ ক র ক ট দল শ র লঙ ক য স ল র ম র চ থ ক ম র চ পর যন ত সফর কর এ সফর শ র লঙ ক দল র স থ ট ট স ট, ট একদ ন র আন তর জ ত ক ওড আই
  • পর যন ত ধ র য য কর হয ছ স ল র গ র ষ মক ল ন অল ম প ক গ মস র উদ ব ধন অন ষ ঠ ন জ ল ই, স ল অন ষ ঠ ত হয এ অন ষ ঠ নক দ ব প র ব স ময ন ম
  • ব ল দ শ জ ম য ত ইসল ম য র প র বন ম ছ ল জ ম য ত ইসল ম ব ল দ শ ব ল দ শ র একট ইসল মপন থ র জন ত ক দল ব ল দ শ ইসল ম শর য আইন ব স তব য ন এই
  • আইস স ব শ ব ট য ন ট ই র জ 2012 ICC World Twenty20 র থ আইস স ব শ ব ট য ন ট প রত য গ ত আন তর জ ত ক ট য ন ট ক র ক ট প রত য গ ত
২০১২ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে বাংলাদেশ
                                               

২০১২ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে বাংলাদেশ

২০১২ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক্‌সে বাংলাদেশ পূর্ব ঘোষিত ক্রীড়াসূচী মোতাবেক ২৭ জুলাই - ১২ আগস্ট, ২০১২ তারিখে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অনুষ্ঠিত অলিম্পিক ক্রীড়ায় ক্রীড়াবিদদেরকে প্রেরণ করে। এটি ছিল অলিম্পিকে বাংলাদেশের অষ্টম অংশগ্রহণ। পাঁচ বাংলাদেশী ক্রীড়াবিদ অলিম্পিকে তাদের নিজ নিজ ক্রীড়ায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য নির্বাচিত হয়, যাদের মধ্যে পুরুষ ছিল ৪জন এবং মহিলা ছিল ১জন। যোগ্যতা অর্জন না করা সত্ত্বেও ওয়াইল্ড কার্ডের সৌজন্যে তারা অংশগ্রহণ করে।

সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ড
                                               

সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ড

সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ড হল ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি সংঘটিত হত্যাকাণ্ড, যেখানে প্রখ্যাত সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি তাদের পেশাগত দৃঢ় কর্মকাণ্ডের কারণে ঢাকায় নিজ বাসভবনে অজ্ঞাত দুর্বৃত্ত কর্তৃক উভয়েই ছুরিকাঘাতে নিহত হন।