Back

ⓘ বিষয়শ্রেণী:এশিয়ার সাবেক রাজতন্ত্র




                                               

আফগানিস্তান রাজ্য

আফগান রাজ্য বা আফগানিস্তান রাজ্য ছিল ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দে দক্ষিণ এশিয়ায় প্রতিষ্ঠিত একটি সাংবিধানিক রাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র। এই রাষ্ট্র আফগানিস্তান আমিরাতের উত্তরসুরি। ক্ষমতারোহণের সাত বছর পর আমানউল্লাহ খান এই রাষ্ট্রের প্রথম বাদশাহ হন। আমানউল্লাহ খান দেশের আধুনিকীকরণ করতে চেয়েছিলেন। এর ফলে দেশে কয়েকবার অসন্তোষ দেখা দেয়। বিদ্রোহ সৃষ্টিপর ১৯২৯ খ্রিষ্টাব্দে তিনি তার ভাই ইনায়েতউল্লাহ খানের হাতে ক্ষমতা দিয়ে পদত্যাগ করেন। ইনায়েতউল্লাহ খান মাত্র তিনদিন ক্ষমতায় ছিলেন। এরপর বিদ্রোহের নেতা হাবিবউল্লাহ কালাকানি ক্ষমতা গ্রহণ করেন। দশ মাস পরে আমানউল্লাহ খানের যুদ্ধমন্ত্রী মুহাম্মদ নাদির ভারত থেকে নি ...

                                               

ইন্দোর রাজ্য

ইন্দোর রাজ্য, যা হোলকার রাজ্য নামেও পরিচিত ছিল, ভারতের একটি দেশীয় রাজ্য ছিল। এর শাসকরা হোলকার রাজবংশের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। ভারতে ব্রিটিশ শাসনামলে ইন্দোর রাজ্য ছিল ১৯-বন্দুক স্যালুটের সম্মান প্রাপ্ত একটি রাজ্য। ইন্দোর রাজ্যটি বর্তমান ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্যে অবস্থিত। রাজ্যের রাজধানী ছিল ইন্দোর শহর। রাজ্যটির আয়তন ছিল ২৪,৬০৫ বর্গ কিলোমিটার এবং ১৯৩১ সালে জনসংখ্যা ছিল ১,৩২৫,০৮৯ জন। ইন্দোর ছাড়া অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলির মধ্যে ছিল, রামপুরা, খরগোনে, মহেশ্বর, মাহিদপুর, বরওয়াহ এবং ভানপুরা। রাজ্যের অধীনে মোট ৩৬৮৮ টি গ্রাম ছিল

                                               

ইরাক রাজতন্ত্র

ইরাক রাজতন্ত্র উসমানীয় সাম্রাজ্যের পতনেপর ১৯২১ সালের ২৩ আগস্ট ব্রিটিশ প্রশাসনের অধীনে গঠিত হয়েছিল। লীগ অব নেশনসের মেন্ডেটেপর ১৯২০ সালে এটি ব্রিটেনের হস্তগত হলেও সেবছরের বিদ্রোহের কারণে মূল মেন্ডেট পরিকল্পনা বদলে ইঙ্গ-ইরাকি চুক্তির মাধ্যমে ও ব্রিটিশদের মিত্র হাশিমিদের অধীনে একটী অর্ধস্বাধীন রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৩০ সালে ইঙ্গ-ইরাকি চুক্তি স্বাক্ষর হয়। ১৯৩২ সালে ইরাক রাজতন্ত্র পূর্ণ স্বাধীনতা পায়। হাশিমি শাসকদের অধীন স্বাধীন ইরাক রাজতন্ত্র তার পুরো সময়জুড়ে বেশ অস্থিতিশীলতার মধ্য দিয়ে গেছে। সুন্নি শাসিত ইরাকে এসিরিয়ান, ইয়াজিদি ও শিয়ারা অসন্তুষ্ট ছিল। ১৯৩৬ সালে প্রথম সামরিক অভ্য ...

                                               

পাত্তানি রাজ্য

পাত্তানি রাজ্য ঐতিহাসিক পটানি অঞ্চলে পাত্তানি সালতানাত নামে একটি মালয় সালতানাত ছিল। এটি বর্তমানে আধুনিক পটানি, ইলাও নারাওয়াই থাই প্রদেশ এবং উত্তর মালয়েশিয়ার কিছু অংশ পড়েছে।

                                               

ফাতিমীয় খিলাফত

ফাতেমীয় খিলাফত ইসলামী খিলাফতগুলোর মধ্যে চতুর্থতম। এই খিলাফত ইসমাইলি শিয়া মতবাদকে ধারণ করত। পূর্বে লোহিত সাগর থেকে শুরু করে পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর পর্যন্ত উত্তর আফ্রিকার বিস্তীর্ণ এলাকায় এই খিলাফতের অধীনস্থ ছিল। এটি তিউনিসিয়াকে ভিত্তি করে গড়ে উঠে। এই রাজবংশ আফ্রিকার ভূমধ্যসাগরীয় উপকূল শাসন করত এবং মিশরকে খিলাফতের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করে। সর্বোচ্চ সীমায় পৌছাপর ফাতেমীয় খিলাফতের অধীনে মাগরেব, সুদান, সিসিলি, লেভান্ট ও হেজাজ শাসিত হয়। ফাতেমীয়দের দাবি অনুযায়ী তারা মুহাম্মদ এর কন্যা ফাতিমার বংশধর ছিল। তারা উত্তর আফ্রিকা জয় করে। কুতামা নামক বার্বা‌র গোষ্ঠীর মধ্যে ফাতেমীয় রাষ্ট্র আ ...