Back

ⓘ বাঁধ




                                               

ইন্দ্রায়নী নদী

ইন্দ্রায়নী নদী ভারতের মহারাষ্ট্রের একটি নদী। এটি লোনাভালার কাছে সহ্যাদ্রি পর্বতমালার একটি পাহাড়ি অঞ্চলে কুরভান্দে গ্রাম থেকে উতপন্ন হয়ে পূর্ববাহিনী হয়ে অবশেষে ভীমা নদীতে মিশেছে। । নদীটি বৃষ্টির জলে পুষ্ট। এটি পুণে জেলার মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত এবং বিখ্যাত কিছু হিন্দু তীর্থক্ষেত্র যেমন দেহু ও আলন্দি -ইন্দ্রায়নী নদীর তীরে অবস্থিত। এটি একটি পবিত্র নদী হিসাবে পরিচিত এবং এটি সন্ত তুকারাম এবং জ্ঞানেশ্বরের মতো মহান ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের সাথে জড়িত। কামশেটের কাছে ইন্দ্রায়ণী নদীতে বলবন বাঁধ নামে একটি জলবিদ্যুৎ বাঁধ রয়েছে ।

                                               

বারাণসীর ঘাট

বারাণসীর ঘাটগুলি গঙ্গা নদীর তীরে প্রবাহিত রিভারফ্রন্ট পদক্ষেপ। শহরে ৮৮ টি ঘাট রয়েছে । বেশিরভাগ ঘাট স্নান ও পূজা অনুষ্ঠানের ঘাট, অন্যদিকে দুটি মণিকর্ণিকা এবং হরিশচন্দ্র ঘাট একচেটিয়াভাবে শ্মশান হিসাবে ব্যবহৃত হয়। বেশিরভাগ বারাণসী ঘাটগুলি ১৮ তম শতাব্দীতে পুনর্নির্মাণ করা হয়েছিল, যখন শহরটি মারাঠা শাসনের অধীনে এসেছিল। বর্তমান ঘাটে পৃষ্ঠপোষকদের মারাঠারা Shindes হয় Scindias, Holkars, Bhonsles এবং Peshwes Peshwas। অনেক ঘাট কিংবদন্তী বা পৌরাণিক কাহিনীর সাথে জড়িত এবং অনেকগুলি ঘাট ব্যক্তিগত মালিকানাধীন। ঘাটের ওপারে গঙ্গায় সকালের নৌকা বাইচ জনপ্রিয় দর্শনার্থীদের আকর্ষণ।

                                               

আফগানিস্তানের নদীর তালিকা

ঝোব নদী সিন্ধু নদী পাকিস্তান কুন্ডার নদী গোমাল নদী লন্ডাই সিন নদী কাবুল নদী পেচ নদী কুনার নদী কুররাম নদী বড় নদী ঘোড়াবন্দ নদী সুরখব সালং নদী আলিঙ্গার নদী পাঞ্জশির নদী লোগার নদী

                                               

দিবাং নদী

দিবাংয়ের সূচনা অরুণাচল প্রদেশের উচ্চ দিবাং উপত্যকা জেলার ইন্দো-চীনা সীমান্তে কেয়া পাসের নিকটে। অরুণাচল প্রদেশের মধ্যে নদীর জল নিষ্কাশন অববাহিকা দিবাং উপত্যকা এবং নিম্ন দিবাং উপত্যকার জেলা জুড়ে বিস্তৃত। দিবাংয়ের উপরের অংশে অবস্থিত মিশ্মি পাহাড় থেকে উতসারিত হয়ে বোমজির, দাম্বুক প্রভৃতির মধ্যে দিয়ে সমভূমিতে প্রবেশ করে দিবাং নদী। বোমজির নিজামঘাট এবং সাদিয়ার মধ্যে দিবাংয়ের একটি খাড়া নদীর ঢাল রয়েছে এবং এটির উচ্চতা ৪ থেকে ৯ কিলোমিটার ২ থেকে ৬ মা ।দিবাং প্রায়শই তার গতিপথ পরিবর্তন করে, ফলস্বরূপ বন্যা হয় এবং এর তীরবর্তী অঞ্চলে আবাদযোগ্য জমি এবং বন ধ্বংস হয়। নদীর সর্বমোট দৈর্ঘ্য ১৯৫ কিলো ...

                                               

কেরলের নদীর তালিকা

কেরলে মোট ৪৪ টি নদী রয়েছে। এদের মধ্যে তিনটি ছাড়া বাকি সবগুলি পশ্চিম ঘাটে উত্পন্ন। নদীগুলির মধ্যে ৪১টি পশ্চিমে প্রবাহিত এবং ৩টি পূর্ব দিকে প্রবাহিত। দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং জলের স্রাবের দিক দিয়ে কেরালার নদীগুলি ছোট। পার্বত্য অঞ্চল এবং পশ্চিম ঘাট এবং সমুদ্রের মধ্যবর্তী সংক্ষিপ্ত দূরত্বে নদীগুলি দ্রুত প্রবাহিত হয়। সমস্ত নদী সম্পূর্ণরূপে বর্ষার ওপর নির্ভরশীল এবং তাদের অনেকগুলি হ্রদগুলিতে পতিত হয় বা গ্রীষ্মের সময় সম্পূর্ণ শুকিয়ে যায়।

বাঁধ
                                     

ⓘ বাঁধ

বাঁধ বলতে এমন একটি প্রতিবন্ধক দেয়ালকে বোঝানো হয়, যেটি জলের প্রবাহকে বাধা দান করে। এটি মূলত কোন স্থানে কৃত্রিম উপায়ে জল ধরে রেখে এর নিকট বা দূরবর্তী এলাকায় সেচ বা পানীয় জলের কৃত্রিম উৎস হিসাবে ব্যবহার করা হয়। এছাড়া বন্যা নিয়ন্ত্রক বাঁধ কোন একটি এলাকাকে বন্যা বা প্লাবিত হওয়া থেকে রক্ষা করে। এছাড়া জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের একটি প্রধান অংশ হিসেবে বাঁধ তৈরি করা হয়।

                                     

1.1. ইতিহাস প্রাচীন বাঁধ

প্রারম্ভিক বাঁধ নির্মাণ মধ্যপ্রাচ্য এবং মেসোপটেমিয়াতে সংগঠিত হয়েছিল।এসময় বাঁধ টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর জলের স্তর নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ব্যবহার করা হত।

সবচেয়ে প্রাচীন বাঁধ হিসেবে জর্ডানের জাওয়া বাঁধ এর কথা জানা যায়। এটি জর্দানের রাজধানী আম্মান থেকে ১০০ কিলোমিটার ৬২ মাইল উত্তরপূর্বে অবস্থিত। এই মাধ্যাকর্ষণ বাঁধটি ৯ মিটার উঁচু ৩০ ফুট এবং ১ মিটার ব্যাপী ৩.৩ ফুট পাথরের তৈরী যা ৩০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে নির্মিত হয়।

খ্রিস্টপূর্ব ১৯ শতকে দ্বাদশ সাম্রাজ্যের সময়ে, ৩য় সেনোসার্ট, ৩য় এবং ৪র্থ আমেনেমহাট নামের ফারাও গণ ১৬ কিমি৯.৯ মাইল দীর্ঘ একটি খাল খনন করেন, যা নীলনদ এবং ফাইয়াম মরুদ্যানকে সংযুক্ত করেছিল।পূর্ব-পশ্চিম বরাবর হার-উর নামের দুটি বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছিল, যাদের মাধ্যমে বার্ষিক বন্যার সময় পানি সংরক্ষণ করা হত এবং পরবর্তীতে পার্শ্ববর্তী এলাকায় সরবরাহ করা হত।

কায়রোর দক্ষিণে প্রায় ২৫ কিলোমিটার ১৬ মাইল দূরে ওয়াদি-আল-গারামিতে বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য ২৮০০ বা ২৬০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সাদ আল-কাফারা নামক বাঁধটি তৈরী করা হয়। এটি একটি ভিন্নমুখকরণ বাঁধ যা মূলতঃ বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য বানান হয়েছিলো যা নির্মাণ চলাকালীন বা তার কিছু পরে ‌‌প্রবল বৃষ্টিপাতে ভেঙ্গে যায়।

প্রাচীন বিশ্বের স্থাপত্যকলার অন্যতম বিস্ময় ছিল মারিবের মহাবাঁধ, যা ইয়েমেনে অবস্থিত ছিল।এর নির্মাণ শুরু হয়েছিল খ্রিস্টপূর্ব ১৭৫০ থেকে ১৭০০ সালের মাঝামাঝি কোন এক সময়ে। এটি তৈরী হয়েছিল মাটি দ্বারা। প্রস্থচ্ছেদে এটি ছিল ত্রিকোণাকার, দৈর্ঘ্যে ৫৮০ মি ১৯০০ ফিট, প্রকৃত উচ্চতায় ৪ মি ১৩ ফিট । এটি দুই সারি পাথরের মাঝে তৈরী হয়েছিল, যাদের সাথে শক্তিশালী ভাবে বাঁধ টি জুড়ে দেয়া হয়েছিল। বিভিন্ন সময়ে এর সংস্কার করা হয়, যাদের মাঝে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল খ্রিস্টপূর্ব ৭৫০ সালের সংস্কার। এর ২৫০ বছর পর বাঁধটির উচ্চতা বৃদ্ধি করে ৭ মি ২৩ ফিট এ উন্নীত করা হয়। সাবাদের রাজত্বের শেষে বাঁধটির নিয়ন্ত্রণ চলে যায় হিমইয়ারাইটদের ~১১৫ খ্রিস্টপূর্ব হাতে, যারা এর কলেবর বৃদ্ধি করে। তাদের বানানো বাঁধ ছিল ১৪ মি ৪৬ ফিট উঁচু এবং এতে ছিল অতিরিক্ত পানি বের হবার জন্য ৫ খানা পথ, ২ খানা শক্তিশালী জলকপাট ও বিতরণ চৌবাচ্চায় সংযোগকারী ১০০০ মি দীর্ঘ খাল। এই ব্যাপক সংস্কার ৩২৫ খ্রিষ্টাব্দ নাগাদ শেষ হয় এবং ২৫০০০ একর ১০০ বর্গকিমি এলাকায় সেচকার্য সম্ভব করে তোলে।

খ্রিস্টপূর্ব ৩য় শতকের মাঝামাঝির পরের দিক নাগাদ বর্তমান ভারতের ঢোলাভিরা তে এক জটিল পানি ব্যবস্থাপনা স্থাপনা নির্মাণ করা হয়। এতে পানি সংগ্রহ ও সংরক্ষণের জন্য ১৬টি জলাধার, বাঁধ এবং নানা দৈর্ঘ্যের খাল অন্তর্ভুক্ত ছিল।

                                     

2. রোমান ইঞ্জিনিয়ারিং

রোমান বাঁধ নির্মাণকে "বিশাল আকারে ইঞ্জিনিয়ারিং নির্মাণ পরিকল্পনা এবং রোমানদের ক্ষমতা দ্বারা চিহ্নিত করা হয়েছিল।"

এফলাতুন পিনার একটি বাঁধ ও জলমন্দির কনইয়া, তুরস্কে অবস্থিত।