Back

ⓘ চাঁদপুর জেলা




চাঁদপুর জেলা
                                     

ⓘ চাঁদপুর জেলা

চাঁদপুর জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। উপজেলার সংখ্যানুসারে চাঁদপুর বাংলাদেশের একটি" এ” শ্রেণীভুক্ত জেলা। পদ্মা, মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীর মিলনস্থলে এ জেলা অবস্থিত। ইলিশ মাছের অন্যতম প্রজনন অঞ্চল হিসেবে চাঁদপুরকে ‘ইলিশের বাড়ি’ নামে ডাকা হয়।

                                     

1. জনসংখ্যার উপাত্ত

২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী চাঁদপুর জেলার মোট জনসংখ্যা ২৪,১৬,০১৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১১,৪৫,৮৩১ জন এবং মহিলা ১২,৭০,১৮৭ জন। মোট পরিবার ৫,০৬,৫২১টি।

ধর্মবিশ্বাস অনুসারে এ জেলার মোট জনসংখ্যার ৯৩.৫৪% মুসলিম, ৬.৩৮% হিন্দু এবং ০.০৮% বৌদ্ধ ও অন্যান্য ধর্মের অনুসারী। এছাড়া কিছু সংখ্যক ত্রিপুরা উপজাতি জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে এ জেলায়।

                                     

2. অবস্থান ও সীমানা

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাংশে ২৩°০০´ থেকে ২৩°৩০´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯০°৩২´ থেকে ৯১°০২´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ জুড়ে চাঁদপুর জেলার অবস্থান। রাজধানী ঢাকা থেকে এ জেলার দূরত্ব প্রায় ৯৬ কিলোমিটার এবং চট্টগ্রাম বিভাগীয় সদর থেকে প্রায় ২০৮ কিলোমিটার। এ জেলার দক্ষিণে লক্ষ্মীপুর জেলা ও নোয়াখালী জেলা; পূর্বে কুমিল্লা জেলা, উত্তরে কুমিল্লা জেলা, মেঘনা নদী ও মুন্সিগঞ্জ জেলা এবং পশ্চিমে মেঘনা নদী, মুন্সিগঞ্জ জেলা, শরিয়তপুর জেলা ও বরিশাল জেলা অবস্থিত। পদ্মা ও মেঘনা নদী দুটি চাঁদপুর শহরের কাছে এসে মিলেছে।

                                     

3.1. ইতিহাস প্রতিষ্ঠাকাল

১৮৭৮ সালে ত্রিপুরা জেলা পরবর্তীতে যা কুমিল্লা নামে পরিচিত যে তিনটি মহকুমা নিয়ে গঠিত হয়, তার মধ্যে চাঁদপুর অন্যতম। ১৯৮৪ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি চাঁদপুর জেলায় উন্নীত হয়।

                                     

3.2. ইতিহাস নামকরণ

বার ভূঁইয়াদের আমলে চাঁদপুর অঞ্চল বিক্রমপুরের জমিদার চাঁদরায়ের দখলে ছিল। এ অঞ্চলে তিনি একটি শাসনকেন্দ্র স্থাপন করেছিলেন। ঐতিহাসিক জে এম সেনগুপ্তের মতে, চাঁদরায়ের নাম অনুসারে এ অঞ্চলের নাম হয়েছে চাঁদপুর।

অন্যমতে, চাঁদপুর শহরের কোড়ালিয়া পুরিন্দপুর মহল্লার চাঁদ ফকিরের নাম অনুসারে এ অঞ্চলের নাম চাঁদপুর। কারো মতে, শাহ আহমেদ চাঁদ নামে একজন প্রশাসক দিল্লী থেকে পঞ্চদশ শতকে এখানে এসে একটি নদী বন্দর স্থাপন করেছিলেন। তার নামানুসারে নাম হয়েছে চাঁদপুর।

                                     

3.3. ইতিহাস ব্র্যান্ডিং জেলা

দেশ-বিদেশে চাঁদপুরকে বিশেষভাবে উপস্থাপনের জন্য ২০১৫ সালের আগস্ট মাস হতে জেলা ব্র্যান্ডিং কার্যক্রম শুরু করেন তৎকালিন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুস সবুর মণ্ডল। ইলিশের সাথে সামঞ্জস্য রেখে এর ব্র্যান্ডিং নাম দেন ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর । ২০১৭ সালে বাংলাদেশের প্রথম ব্র্যান্ডিং জেলা হিসেবে চাঁদপুরকে স্বীকৃতি দেয় । এ নামানুসারে একটি লোগো রয়েছে, যা অঙ্কন করেছেন এ জেলার সন্তান বরেণ্য চিত্রশিল্পী হাশেম খান। একইসাথে ইলিশের বাড়ি চাঁদপুএর রূপকার হিসেবে স্বীকৃতি পান তৎকালিন ২০১৫-২০১৮ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুস সবুর মণ্ডল।

                                     

4. প্রশাসনিক এলাকাসমূহ

চাঁদপুর জেলা ৮টি উপজেলা, ৮টি থানা, ৮টি পৌরসভা, ৮৮টি ইউনিয়ন, ১০৪১টি মৌজা, ১৩৬৫টি গ্রাম ও ৫টি সংসদীয় আসন নিয়ে গঠিত।

উপজেলাসমূহ

চাঁদপুর জেলায় মোট ৮টি উপজেলা রয়েছে। উপজেলাগুলো হল:

                                     

5. শিক্ষা ব্যবস্থা

২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী চাঁদপুর জেলার সাক্ষরতার হার ৫৬.৮%। এবং বর্তমানে সাক্ষরতার হার ৬৯.৮০%। এ জেলায় রয়েছে:

  • মাদ্রাসা: ১২৫৭টি
  • ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ: ১টি
  • নার্সিং ইনস্টিটিউট: ২টি
  • মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট: ১টি
  • পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট: ৪টি
  • হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ: ১টি
  • মেরিন ইনস্টিটিউট: ১টি
  • সরকারি কলেজ: ৯টি
  • স্কুল এন্ড কলেজ: ২০টি
  • আইনল কলেজ: ১টি
  • প্রাথমিক বিদ্যালয়: ১১২০টি
  • শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট: ১টি
  • টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ: ২টি
  • বেসরকারি কলেজ: ৪৫টি২৭টি এম.পি. ভুক্ত
  • মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ২৪৯টি
  • মেডিকেল কলেজ: ১টি
  • বিশ্ববিদ্যালয়: ১টি
                                     

6. অর্থনীতি

চাঁদপুর জেলার অর্থনীতি মূলত কৃষিনির্ভর। নদী তীরবর্তী এলাকা বলে প্রায় ৩০% মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মৎস্য শিল্পের সাথে জড়িত। এছাড়াও উল্লেখযোগ্যভাবে অনেক ব্যবসায়ী বিদ্যমান। জেলা সদরে অনেক মাছের আড়ত রয়েছে, যা জেলার অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। চাঁদপুর সদর উপজেলার বাবুরহাটে বড়বড় বহু শিল্পকারখানা রয়েছে। এই জায়গাটিকে সরকার বিসিক শিল্প নগরী ঘোষণা করে। এই এলাকাটি শুধু চাঁদপুরের নয় পুরো বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প নগরী। মেঘনার ভাঙ্গনে প্রতি বছর চাঁদপুরের আয়তন কমে যায়। প্রতি বর্ষায় পানিতে ডুবে যায়, ফলে বর্ষাকালে চাঁদপুর মাছের মাতৃভূমি হয়ে যায়। জেলার প্রধান শস্য ধান, পাট, গম, আখ। রপ্তানী পণ্যের মধ্যে রয়েছে নারিকেল, চিংড়ি, আলু, ইলিশ মাছ, সবুজ শাক-সবজি, বিসিক নগরীর তৈরি পোশাক শিল্প।

                                     

7. যোগাযোগ ব্যবস্থা

চাঁদপুর জেলায় যোগাযোগের প্রধান সড়ক হল ঢাকা-চাঁদপুর মহাসড়ক এবং চট্টগ্রাম-চাঁদপুর মহাসড়ক। শুধুমাত্র চাঁদপুর জেলার জন্য আলাদা একটি রেল পথ রয়েছে, যার মাধ্যমে প্রতিদিন চাঁদপুর-চট্টগ্রাম এবং চাঁদপুর-কুমিল্লার আন্তনগর ট্রেন চলাচল করে। এছাড়া ঢাকা, চট্টগ্রাম সহ বিভিন্ন জেলা শহর থেকে নৌপথে যোগাযোগের জন্যে রয়েছে চাঁদপুর নদী বন্দর।

                                     

8. স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা

চাঁদপুর জেলায় স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবার জন্য রয়েছে:

  • বেসরকারি হাসপাতাল: ৭৩টি
  • বক্ষব্যাধী হাসপাতাল: ১টি
  • রেলওয়ে হাসপাতাল: ১টি
  • আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র -আইসিডিডিআর,বি: ১টি icddr,b - বাংলাদেশের একমাত্র উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র
  • মাতৃমঙ্গল কেন্দ্র: ৩টি
  • রেডক্রিসেন্ট হাসপাতাল: ১টি
  • চক্ষু হাসপাতাল: ৪টি
  • ডায়বেটিক হাসপাতাল: ১টি
  • ডায়গনস্টিক সেন্টার: ১০৭টি
  • বেসরকারি ডেন্টাল ক্লিনিক: ৭টি
  • জেনারেল হাসপাতাল: ১টি ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট
  • উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স: ৮টি
                                     

9. পত্র-পত্রিকা

  • মাসিক: ৩টি; ফরিদগঞ্জ বার্তা, পল্লী কাহিনী, হেরার পয়গাম।
  • পাক্ষিক: ২টি; কচুয়া কণ্ঠ, কচুয়া বার্তা।
  • সাপ্তাহিক: ১২টি; দিবাচিত্র, রূপালী চিত্র, রূপসী চাঁদপুর, হাজীগঞ্জ, দিবাকণ্ঠ, মানব সমাজ, আমাদের অঙ্গীকার, চাঁদপুর কাগজ, মতলব কণ্ঠ, নতুনের ডাক, চাঁদপুর সকাল, শাহরাস্তি।
  • অনলাইন পত্রিকা: ৪টি; চাঁদপুর টাইমস, চাঁদপুর নিউজ, চাঁদপুর ওয়েব, চাঁদপুর রিপোর্ট
  • দৈনিক: ১৫টি; চাঁদপুর কণ্ঠ, চাঁদপুর দর্পণ, চাঁদপুর জমিন, চাঁদপুর প্রবাহ, চাঁদপুর বার্তা, চাঁদপুর প্রতিদিন, চাঁদপুর সংবাদ, চাঁদপুর দিগন্ত, আলোকিত চাঁদপুর, চাঁদপুর খবর, মেঘনা বার্তা, ইলশেপাড়, মতলবের আলো, সুদীপ্ত চাঁদপুর, শাহরাস্তি বার্তা।
                                     

10. দর্শনীয় স্থান

  • মঠখোলার মঠ
  • সাহাপুর রাজবাড়ি
  • চাঁদপুর বন্দর
  • মেঘনা নদীর তীর
  • লোহাগড় জমিদার বাড়ি
  • মত্‍স্য জাদুঘর
  • রক্তধারা স্মৃতিসৌধ
  • পর্তুগীজ দুর্গ, সাহেবগঞ্জ
  • বোয়ালিয়া জমিদার বাড়ি
  • আলমগীরী মসজিদ
  • বখতিয়ার খান মসজিদ
  • গুরুচর
  • রূপসা জমিদার বাড়ি
  • বড়কুল জমিদার বাড়ি
  • হযরত শাহরাস্তি রহ. এর মাজার
  • শোল্লা জমিদার বাড়ি
  • শাহ সুজা মসজিদ
  • দুর্লভ জাতের নাগলিঙ্গম গাছ জেলা প্রশাসক বাংলো
  • লুধুয়া জমিদার বাড়ি
  • হাজীগঞ্জ বড় মসজিদ ৬ষ্ঠ বৃহত্তম
  • অঙ্গীকার স্মৃতিসৌধ
  • মোহনপুর পর্যটন লিমিটেড
  • চাঁদপুর মেডিকেল কলেজ
  • যাত্রা মুনির মঠ
  • কড়ৈতলী জমিদার বাড়ি
  • ফরাক্কাবাদ ডিগ্রি কলেজ
  • রাগৈ মুঘল আমলের ৩ গম্বুজ মসজিদ
  • শপথ চত্বর
  • মিনি কক্সবাজার, চাঁদপুর
  • বলাখাল জমিদার বাড়ি
  • লোহাগড় মঠ
  • সত্যরাম মজুমদারের মঠ
  • শাহাবুদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজ
  • ওনুয়া স্মৃতি ভাস্কর্য
  • বোটানিকাল গার্ডেন
  • বড়স্টেশন মোলহেড নদীর মোহনা চাঁদপুর সদর
  • স্বাধীনতা ভাস্কর্য - রক্তধারা, বড় স্টেশন ।
  • চাঁদপুর সরকারি কলেজ
  • শহীদ রাজু ভাস্কর্য
  • রামচন্দ্রপুর বড় পাটওয়ারী বাড়ী ডাকাতিয়া নদী সংলগ্ন
  • সাচার রথ
  • তুলাতুলী মঠ
  • চৌধুরী বাড়ি
  • ইলিশ চত্বর
  • ফাইভ স্টার পার্ক
  • নাওড়া মঠ
  • গজরা জমিদার বাড়ি
  • মনসা মুড়া
  • শিশু পার্ক


                                     

11. উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব

  • এম এ ওয়াদুদ –– ভাষা সৈনিক এবং মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক।
  • আমেনা বেগম –– রাজনীতিবিদ।
  • আবদুর রব মিঞা –– ভাষা সৈনিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং রাজনীতিবিদ।
  • মমিনউল্লাহ পাটোয়ারী –– বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।
  • ফারুক আহমদ পাটোয়ারী –– বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।
  • আবুল কাশেম ভূঁইয়া –– বীর বিক্রম খেতাব প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।
  • রসু খাঁ –– বাংলাদেশের প্রথম ধারাবাহিক খুনি।
  • নওয়াব আলী –– ঢাকা মেডিকেল কলেজের প্রথম অধ্যক্ষ।
  • মিজানুর রহমান চৌধুরী –– প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।
  • মহিউদ্দীন খান আলমগীর –– রাজনীতিবিদ।
  • মুশতাক আহমদ –– ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের উপ-পরিচালক ও দেওবন্দি ইসলামি পণ্ডিত।
  • মুনতাসীর মামুন –– লেখক এবং শিক্ষাবিদ।
  • দীপু মনি –– রাজনীতিবিদ।
  • ঢালী আল মামুন –– চিত্রশিল্পী।
  • আহমদ জামান চৌধুরী –– চলচ্চিত্র সাংবাদিক, চলচ্চিত্রের কাহিনী, চিত্রনাট্য, সংলাপ এবং গীতিকার।
  • আ ন ম এহসানুল হক মিলন –– রাজনীতিবিদ।
  • মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী –– সাবেক আইজিপি, বাংলাদেশ পুলিশ।
  • মোঃ নুরুল হুদা –– বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং রাজনীতিবিদ।
  • মোহাম্মদ বজলুল গণি পাটোয়ারী –– বীর বিক্রম খেতাব প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।
  • শাইখ সিরাজ –– গণ মাধ্যম ব্যক্তিত্ব, পরিচালক ও বার্তা প্রধান, চ্যানেল আই।
  • মুহম্মদ শফিকুর রহমান –– সাংবাদিক এবং রাজনীতিবিদ।
  • আইউব আলী খান –– ভাষা সৈনিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং রাজনীতিবিদ।
  • মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন –– বীর উত্তম খেতাব প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।
  • সিরাজুল ইসলাম –– মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রাক্তন সংসদ সদস্য।
  • আমিন উল্লাহ শেখ –– বীর বিক্রম খেতাব প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।
  • আব্দুল্লাহ সরকার –– রাজনীতিবিদ।
  • ওয়াসিম –– চলচ্চিত্র অভিনেতা।
  • নূর আহমেদ গাজী –– বীর বিক্রম খেতাব প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।
  • মেহেদী হাসান রানা –-ক্রিকেটার।
  • নূরজাহান বেগম –– মাসিক বেগম পত্রিকার সম্পাদক।
  • বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর –– লেখক, চিত্র সমালোচক এবং শিক্ষাবিদ।
  • হুমায়ূন কবীর ঢালী –– শিশু সাহিত্যিক।
  • প্রবীর মিত্র –– চলচ্চিত্র অভিনেতা।
  • আবদুল জব্বার পাটোয়ারী –– বীর বিক্রম খেতাব প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।
  • দিলদার –– অভিনেতা।
  • মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন –– সাংবাদিক এবং মাসিক সওগাত পত্রিকার সম্পাদক।
  • আবদুল হালিম –– বীর বিক্রম খেতাব প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।
  • হাশেম খান –– চিত্রশিল্পী।
  • মনিরুল ইসলাম –– চিত্রশিল্পী।
  • মোহাম্মদ আবেদ মিয়া –– প্রাক্তন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
  • মোহাম্মদ তবারক উল্লাহ –– বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।
  • সিরাজুল মওলা –– বীর উত্তম খেতাব প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।
  • পুষ্পিতা পপি –– অভিনেত্রী।
  • সাদেক বাচ্চু –– অভিনেতা।
  • দেলোয়ার হোসেন –– বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।
  • এম এ মাওলানা আবদুল মান্নান –– রাজনীতিবিদ।
  • এস ডি রুবেল –– সঙ্গীতশিল্পী।
  • শাহেদ আলী পাটোয়ারী –– আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ।
  • অরুন নন্দী –– সাঁতারু।
  • মুহাম্মদ আব্দুল জলিল –– ইসলামী রাজনীতিবিদ।
  • শামসুল হক –– বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।
  • রফিকুল ইসলাম –– সেক্টর কমান্ডার, ১নং সেক্টর, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ও বীর উত্তম খেতাব প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং সংসদ সদস্য।
  • নূরেজ্জামান ভুঁইয়া –– রাজনীতিবিদ এবং ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সৈনিক।
  • শান্তনু কায়সার –– সাহিত্যিক।
  • নুরুন নাহার বকুল - জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ২০১৪ প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষিকা।
  • মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ - শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিবিদ।
  • খান বাহাদুর আবিদুর রেজা চৌধুরী –– রাজনীতিবিদ এবং সমাজকর্মী।
  • মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া –– বীর বিক্রম খেতাব প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রাক্তন মন্ত্রী।
  • আব্দুল করিম পাটওয়ারী –– ভাষা সৈনিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং রাজনীতিবিদ।
  • আজিজ আহমেদ –– সেনাপ্রধান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
  • আবু তাহের –– বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।
  • মোহাম্মদ আবদুল হাকিম –– বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।
  • গৌতম বুদ্ধ দাশ –– চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।
  • হারুনুর রশীদ –– রাজনীতিবিদ।
  • মো. সবুর খান –– প্রতিষ্ঠাতা, ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি।
  • ওয়ালিউল্লাহ পাটোয়ারী –– শিক্ষাবিদ।
  • জাফর মাঈনউদ্দিন –– রাজনীতিবিদ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা।
  • আবুল হোসেন –– বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।
  • আলমগীর হায়দার –– রাজনীতিবিদ।
  • ইসমাঈল হোসেন বেঙ্গল –– বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিবাহিনীর বেঙ্গল প্লাটুনের কমান্ডার এবং রাজনীতিবিদ।
  • ইসমাইল খান –– পাকবাহিনীর গুলিতে চাঁদপুর শহরের সর্বপ্রথম শহীদ মুক্তিযোদ্ধা এবং ২য় বিশ্বযুদ্ধে চাঁদপুর সদর উপজেলার একমাত্র অংশগ্রহণকারী কিংবদন্তী যোদ্ধা, যার ক্রমিক নং ছিল - ২০০৫। ২য় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণেপর হতেই তৎকালীন গণ্যমান্য সকলের ভলান্টিয়ার খেতাব প্রাপ্ত হন তিনি।
  • নূরুল হক –– বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।
  • আবু ওসমান চৌধুরী –– সেক্টর কমান্ডার, ৮নং সেক্টর, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ।
  • নূরুল আমিন রুহুল –– রাজনীতিবিদ।
  • এলাহী বক্স পাটোয়ারী –– বীর বিক্রম খেতাব প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।
  • মুহাম্মদ আলমগীর ––কুয়েটের সাবেক ভাইস-চ্যান্সেলর।
  • মোহাম্মদ মহিবুল্লাহ –– বীর বিক্রম খেতাব প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।
  • আবদুল হাকিম –– বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।
  • সালাহউদ্দিন আহমেদ –– বীর উত্তম খেতাব প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।
  • নূরজাহান বেগম মুক্তা –– রাজনীতিবিদ।
  • রৌশন আরা বেগম –– পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি এবং বাংলাদেশের প্রথম মহিলা পুলিশ সুপার।
  • আতিকুল ইসলাম –– সঙ্গীতশিল্পী।
  • নাজিম উদ্দিন মোস্তান –– একুশে পদক প্রাপ্ত সাংবাদিক।
  • রাস্তি শাহ –– ইসলাম ধর্ম প্রচারক।
  • মোহাম্মদ আবদুল মমিন –– বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।
  • জালাল আলমগীর - আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং শিক্ষাবিদ।
  • এম রাশেদ চৌধুরী –– প্রাক্তন সেনা কর্মকর্তা এবং বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত আসামী।
  • রাশেদা বেগম হীরা –– রাজনীতিবিদ।
  • এম বি মানিক –– চিত্র পরিচালক, বিএফডিসি।
  • এ টি এম আবদুল মতিন –– রাজনীতিবিদ।
  • আশেক আলী খান –– চাঁদপুর জেলার প্রথম মুসিলম গ্র্যাজুয়েট এবং শিক্ষাবিদ।
  • ওয়ালী উল্লাহ নওজোয়ান –– ভাষা সৈনিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং রাজনীতিবিদ।
  • শামছুল হক ভূঁইয়া –– রাজনীতিবিদ।
  • কবির বকুল –– গীতিকার এবং সাংবাদিক।
  • আবদুল আউয়াল –– ভাষা সৈনিক, ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের অগ্রসেনানী, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং রাজনীতিবিদ।
  • শেহরীন সহিদ হৃদিতা –-জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ আবৃত্তিশিল্পী শিশু।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট হতে স্বর্ণপদক গ্রহণ ২০১৪।
  • রফিকুল ইসলাম –– লেখক এবং দেশের প্রথম নজরুল গবেষক।
  • রেজাউল করিম –– ফুটবলার ও বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক।