Back

ⓘ গন্ধগোকুল




গন্ধগোকুল
                                     

ⓘ গন্ধগোকুল

গন্ধগোকুল ‘সাধারণ বা এশীয় তাল খাটাশ’, ‘ভোন্দর’, ‘নোঙর’,‘সাইরেল’ বা ‘গাছ খাটাশ’ নামে পরিচিত। তালের রস বা তাড়ি পান করে বলে তাড়ি বা টডি বিড়াল নামেও পরিচিত। গন্ধগোকুল বর্তমানে অরক্ষিত প্রাণী হিসেবে বিবেচিত। পুরোনো গাছ, বন-জঙ্গল কমে যাওয়ায় দিন দিন এদের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘের বিবেচনায় পৃথিবীর বিপন্ন প্রাণীর তালিকায় উঠে এসেছে এই প্রাণীটি। আফ্রিকা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াসহ বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন প্রজাতির গন্ধগোকুলের বাস।

বাংলাদেশের ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইনের তফসিল-১ অনুযায়ী এ প্রজাতিটি সংরক্ষিত।

স্ত্রী-পুরুষনির্বিশেষে গন্ধগ্রন্থির নিঃসরণের মাধ্যমে নিজেদের সীমানা নির্ধারণ করে। মূলত একাকী হলেও প্রজননের সময় স্ত্রী-পুরুষ একত্রে থাকে। বছরে সাধারণত দুবার প্রজনন করে। গর্ভধারণকাল দুই মাসের কিছু বেশি। পুরোনো গাছের খোঁড়ল ছানা প্রসবের উপযুক্ত স্থান। কিন্তু খোঁড়লের অভাবে গাছের ডালার ফাঁকে, পরিত্যক্ত ঘর বা ইটের ভাটা, ধানের গোলা, তাল-সুপারির আগায় ছানা তোলে। প্রতিবার ছানা হয় তিনটি। ছানারা চোখ খোলে ১০-১২ দিনে। মা-গন্ধগোকুল দেহের সঙ্গে লেজ মিলিয়ে একটি বৃত্তের সৃষ্টি করে। ছানারা কখনোই বৃত্তের বাইরে যায় না। প্রায় ছয় মাস বয়সে ছানারা সাবালক হয়।

                                     

1. আবাস

এশিয়ান গন্ধগোকুল ভারত, নেপাল, বাংলাদেশ, ভুটান, মায়ানমার, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, মালয় উপত্যকা, সাবাহ, সারাওয়াক, ব্রুনেই দারুসসালাম, লাওস, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম, চীন, ফিলিপাইন এবং ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা, জাভা, কালিম্যানতান, বইয়ান ও সিবেরাত এলাকায় স্থানীয়। ইরিয়ান জয়া, লেজার সুন্দ্রা দ্বীপপুঞ্জ, মালুকু, সুলাওজি এবং জাপানে এ প্রাণীর প্রাচীন আবাসস্থল। পাপুয়া নিউগিনিতে এদের উপস্থিতি তেমন চোখে পড়ে না।

                                     

2. উপপ্রজাতি

Since Peter Simon Pallass first description published in 1777, a significant number of subspecies have been described between 1820 and 1992. They are listed according to the year of description:

  • P. h. pallasii Gray, 1832
  • P. h. balicus Sody, 1933
  • P. h. minor Bonhote, 1903
  • P. h. milleri Kloss, 1908
  • P. h. kangeanus Thomas, 1910
  • P. h. bondar Desmarest, 1820
  • P. h. nictitans Taylor, 1891
  • P. h. philippinensis Jourdan, 1837
  • P. h. canescens Lyon, 1907
  • P. h. canus Miller, 1913
  • P. h. lignicolor Miller, 1903
  • P. h. pulcher Miller, 1913
  • P. h. pugnax Miller, 1913
  • P. h. senex Miller, 1913
  • P. h. musanga Raffles, 1821
  • P. h. exitus Schwarz, 1911
  • P. h. sumbanus Schwarz, 1910
  • P. h. javanica Horsfield, 1824
  • P. h. cochinensis Schwarz, 1911
  • P. h. hermaphroditus Pallas, 1777
  • P. h. laotum Gyldenstolpe, 1917
  • P. h. parvus Miller, 1913
  • P. h. pallens Miller, 1913
  • P. h. enganus Lyon, 1916
  • P. h. scindiae Pocock, 1934
  • P. h. simplex Miller, 1913
  • P. h. vellerosus Pocock, 1934
  • P. h. sacer Miller, 1913
  • P. h. setosus Jacquinot and Pucheran, 1853
  • P. h. dongfangensis Corbet and Hill, 1992

The taxonomic status of these subspecies has not yet been evaluated.