Back

ⓘ বিষয়শ্রেণী:সামাজিক বিজ্ঞান




                                               

সামাজিক বিজ্ঞান

সামাজিক বিজ্ঞান হচ্ছে জ্ঞানের এমন একটি শাখা যা সমাজ ও মানবিক আচরণ নিয়ে আলোচনা করে। সামাজিক বিজ্ঞানকে সাধারণত জ্ঞানের একটি বৃহত্তর ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করা যার মধ্যে রয়েছে নৃবিজ্ঞান, প্রত্নতত্ত্ব, অপরাধ বিজ্ঞান, অর্থনীতি, শিক্ষা, ইতিহাস, ভাষাবিজ্ঞান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, সমাজবিজ্ঞান, মানবিক ভূগোল, মনোবিজ্ঞান। আইন, পরিবেশ বিজ্ঞান, সমাজকর্ম ও তুলনামূলক-সংস্কৃতি অধ্যয়ন এর মতো বিষয়গুলোও কখনো কখনো সামাজিক বিজ্ঞানে আলোচনা করা হয়। সামাজিক বিজ্ঞানের আলচনার শুরুতেই একজন দার্শনিকের নাম চলে আসে তিনি ইবনে খালদুন। ইবনে খালদুন একজন আরব মুসলিম পণ্ডিত। আধুনিক সমাজবিজ্ঞান, ইতিহাস ও অর ...

                                               

অপরাধ বিজ্ঞান

অপরাধ বিজ্ঞান হল অপরাধের কারণ, প্রভাব, অপরাধীর চরিত্র, বিষয় বিবেচনা, প্রতিকার বা নিয়ন্ত্রণের সামাজিক, বিজ্ঞানভিত্তিক অনুশীলন। অপরাধ বিজ্ঞান সব ধরনের অপরাধের প্রকৃতি, পরিধি ও বিজ্ঞানভিত্তিক পদ্ধতিতে অপরাধ সংক্রান্ত গবেষণার ফলাফলসমূহকে সমন্বয় সাধন এবং পর্যালোচনা করে থাকে।

                                               

আনুষ্ঠানিক বিবাহ

এই নিবন্ধটি অভিভাবক দ্বারা বিয়ে সম্পর্কিত, প্রেম করে বিয়ে করা সম্পর্কিত নিবন্ধের জন্য দেখুন ভালোবেসে বিয়ে আনুষ্ঠানিক বিবাহ একটি সামাজিক বন্ধন যেখানে বিবাহ উপযোগী বর ও বধূ নির্ধারিত/বাছাই হয়ে থাকে তাদের নিজ পরিবার-পরিজন কতৃক।

                                               

আন্তঃসাংস্কৃতিক সম্পর্ক

আন্তঃসাংস্কৃতিক সম্পর্ক যা আন্তঃসাংস্কৃতিক অধ্যয়ন হিসেবেও পরিগণিত হয়; মুলত সামাজিক বিজ্ঞান অধ্যয়নের তুলনামূলক নতুন ক্ষেত্র, যার বাস্তবমুখী ও বহুমুখী পাঠক্রম ছাত্রছাত্রীদের নিজস্ব সংস্কৃতি, অন্যান্য সংস্কৃতি বুঝতে এবং সাংস্কৃতিক যোগাযোগ রক্ষা করার মাধ্যমে নিজেদের লক্ষ্য অর্জনের জন্য দক্ষ করে গড়ে তোলে। আন্তঃসাংস্কৃতিক সম্পর্ক প্রধানত অন্যের চোখ দিয়ে নিজেকে এবং বিশ্বকে দেখতে শেখায়। আন্তঃসাংস্কৃতিক সম্পর্কের অধ্যয়নে ব্যক্তি নিজের সংস্কৃতির ভিন্ন আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটের মানুষদের বুঝতে যেমন সক্ষম হয় একই সাথে ভিন্ন কোন সংস্কৃতির সাথে সফল যোগাযোগ নিশ্চিত করতে পারে।

                                               

নির্ভরশীলতা তত্ত্ব

নির্ভরশীলতা তত্ত্ব বা ডিপেন্ডেন্সী থিওরী হচ্ছে সামাজিক বিজ্ঞানের এমন একটি তত্ত্ব, যার ভিত্তি হচ্ছে এমন একটি ধারণা যে, "পেরিফেরি বা দূরের" গরিব ও অন্নুনত দেশগুলো হতে সম্পদ কোর বা কেন্দ্রের সম্পদশালী ও উন্নত দেশে প্রবাহিত হয়, ফলে ধনী দেশগুলো আরো উন্নত হয়, গরিব হয় আরো গরিব। নির্ভরশীলতা তত্ত্বের মূল যুক্তি হচ্ছে গরিব দেশগুলোর বিশ্ব ব্যবস্থার সাথে যুক্ত হওয়ার ধরনের কারণেই গরিব দেশগুলো আরো দরিদ্র হচ্ছে এবং ধনী দেশগুলো আরো ধনবান হচ্ছে। আধুনিকীকরণ তত্ত্বের প্রতিক্রিয়া রূপে ১৯৭০ সালের কাছাকাছি সময়ে এই তত্ত্বের উদ্ভব হয়।

                                               

প্রত্নতত্ত্ব

বাংলা প্রত্নতত্ত্ব শব্দটি প্র+ত্ন= প্রত্ন অর্থ- পুরাতন ও তৎ+ত্ব= তত্ত্বঅর্থ-বিজ্ঞান। সমষ্টিগত অর্থ হল, পুরাতন বিষয়ক জ্ঞান। প্রচলিত ধারণায়, বস্তুগত নিদর্শনের ভিত্তিতে অতীত পুনঃনির্মাণ করার বিজ্ঞানকেই প্রত্নতত্ত্ব বলে চিহ্নিত করা হয়। অতীতের সংস্কৃতি ও পরিবেশগত নিয়ে চর্চা করে এমন অন্যান্য বিজ্ঞান বা বিষয়গুলোর মধ্যে প্রত্নতত্ত্বের বিশেষত্ব হলো- এটি কেবল বস্তুগত নিদর্শন অর্থাৎ প্রামাণ্য তথ্য নিয়ে কাজ করে এবং তার সাথে মানুষের জীবনধারার সম্পর্ক নির্ণয় করে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়- ভূতাত্ত্বিক ও পরিবেশ বিজ্ঞানীরা প্রাচীন ভূমিরূপ ও অন্যান্য পরিবেশগত তথ্য বিশ্লেষণ করে ইনামগাঁওয়ের কয়েকহাজার ব ...