Back

ⓘ মুন্সিগঞ্জ জেলা




মুন্সিগঞ্জ জেলা
                                     

ⓘ মুন্সিগঞ্জ জেলা

মুন্সিগঞ্জ জেলার উত্তরে ঢাকা জেলা,উত্তর-পূর্বে নারায়ণগঞ্জ জেলা, দক্ষিণে ফরিদপুর জেলা, পূর্বে মেঘনা নদী ও কুমিল্লা জেলা এবং পশ্চিমে পদ্মা নদী ও ফরিদপুর জেলা অবস্থিত।আয়তন: ৯৫৪.৯৬ বর্গ কিমি। অবস্থান: ২৩°২৩´ থেকে ২৩°৩৮´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯০°১০´ থেকে ৯০°৪৩´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।মোট আয়তন ২৩৫৯৭৪ একর যার মধ্যে ১৩৮৪৭২ একর চাষযোগ্য এবং ৫৬০৯ একর নিচু জমি। মুন্সিগঞ্জ সমতল এলাকা নয়। জেলার কিছু কিছু অঞ্চল যথেষ্ট উচু যদিও জেলায় কোনো পাহাড় নেই। মুন্সিগঞ্জের বেশির ভাগ এলাকা নিম্নভূমি বলে বর্ষায় পানিতে অধিকাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়ে।

পূর্বে- কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি ও হোমনা উপজেলা, চাঁদপুর জেলার মতলব উপজেলা যা মুন্সিগঞ্জের সাথে প্রবাহিত মেঘনা নদীর দ্বারা বিভাজিত।

পশ্চিমে- শরিয়তপুর ও মাদারীপুর জেলাকে পদ্মা নদী বিভাজিত করেছে।

উত্তরে- ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ উপজেলা ও দোহার উপজেলা এবং নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর উপজেলা।

দক্ষিণে- পদ্মা নদী যার অপর পাশে শরিয়তপুর জেলা।

                                     

1. জলবায়ু

মুন্সিগঞ্জের জলবায়ু সমভাবাপন্ন। তবে আর্দ্রতা ও দূষনযুক্ত এলাকার সংখ্যাও নেহাত কম নয়। এখানকার জলবায়ু ঋতু বিশেষে পরিবর্তনশীল। শীতকালে শীতের তীব্রতা দেশের অন্যান্য স্থানের মতো তত প্রবল নয়। এলাকাটি নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলভূক্ত।

                                     

2. জনসংখ্যা

মুন্সিগঞ্জ জেলার জনসংখ্যা ১২,৯৩,৯৭২ জন; পুরুষ ৬৫৫৫৮৫ জন ও মহিলা ৬৩৮৩৮৭ জন।

মুসলিম ১১৮১০১২ জন, হিন্দু ১১০৮০৪ জন, বৌদ্ধ ১৯২২ জন, খ্রিস্টান ১০৩ জন এবং অন্যান্য ৩০৮ জন।

                                     

3. নামকরণ

মোঘল শাসনামলে মুন্সিগঞ্জ এর নাম ছিলো ইদ্রাকপুর । ষোড়শ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে ইদ্রাকপুর কেল্লার ফৌজদারের নাম ছিলো ইদ্রাক। ধারণা করা হয় তার নাম অনুসারেই তখন এখানকার নাম হয়েছিলো ইদ্রাকপুর।চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সময়ে রামপালের কাজী কসবা গ্রামের মুন্সী এনায়েত আলীর জমিদারভুক্ত হওয়াপর তার মুন্সী নাম থেকে ইদ্রাকপুরের নাম মুন্সিগঞ্জ হিসেবে অভিহিত হয়। আবার অনেকের মতে, মোঘল শাসনামলে এলাকার ফৌজদারী আদালতের প্রধান হায়দার আলী মুন্সীর নামানুসারে মুন্সিগঞ্জ নামের উৎপত্তি।

                                     

4. শিক্ষা

শিক্ষার হার ৬১.২০%; পুরুষ ৬১.০৮%, মহিলা ৫৯.১২%। কলেজ ১৬টি, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৮৮টি, প্রাথমিক বিদ্যালয় ৫৪৯টি, মাদ্রাসা ২৯টি। উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে কে কে গভঃ ইন্সটিটিউশন ১৯৪২, এ ভি জে এম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ১৮৯২ যা ১৯৯১ সালে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ নির্বাচিত হয়, মুন্সীগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ১৮৮৫ যেখান থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ, মুন্সীগঞ্জ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় ১৯৬৮, সরকারি হরগঙ্গা কলেজ ১৯৩৮, সরকারি শ্রীনগর কলেজ ১৯৭০ প্রভৃতি।

                                     

5. প্রশাসনিক এলাকাসমূহ

মুন্সিগঞ্জ জেলায় ছয়টি উপজেলা রয়েছে। ৬ টি উপজেলার মধ্যে ৬৭ টি ইউনিয়ন রয়েছে।

  • মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলা

মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ০৯ টি।

শিলই, আধারা, বাংলাবাজার, পঞ্চসার, রামপাল, বজ্রযোগীনি, চরকেওয়ার, মোল্লাকান্দি, মহাকালি।

  • টংগিবাড়ী উপজেলা

টংগিবাড়ী উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ১৩ টি।

ধীপুর, পাঁচগাও, কাঠাদিয়া-শিমুলিয়া, সোনারং-টংগিবাড়ী, বেতকা, আব্দুল্লাপুর, যশলং, কামারখাড়া, দিঘিরপাড়, হাসাইল-বানারী, আউটশাহী, আড়িয়ল, বালিগাঁও

  • শ্রীনগর উপজেলা

শ্রীনগর উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ১৪ টি।

শ্রীনগর, শ্যামসিদ্ধি, ষোলঘর, কুকুটিয়া, তন্তর, আটপাড়া, রাঢ়ীখাল, ভাগ্যকুল, বাঘড়া, কোলাপাড়া, পাটাভোগ, হাসাড়া, বীরতারা, বাড়ৈখালী

  • লৌহজং উপজেলা

লৌহজং উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ১০ টি।

মেদিনীমন্ডল, খিদিরপাড়া, বৌলতলী, কলমা, গাওদিয়া, বেজগাঁও, কনকসার, লৌহজং-তেউটিয়া, কুমারভোগ, হলদিয়া

  • গজারিয়া উপজেলা

গজারিয়া উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ৮ টি।

টেংগারচর, বালুয়াকান্দি, ভবেরচর, বাউশিয়া, গজারিয়া, হোসেন্দী, ইমামপুর, গুয়াগাছিয়া

  • সিরাজদিখান উপজেলা

সিরাজদিখান উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ১৪ টি।

চিত্রকোট, শেখর নগর, রাজানগর, কেয়াইন, বাসাইল, রশুনিয়া, লতব্দী, বালুচর, ইছাপুর, বয়রাগাদি, মালখানগর, মধ্যপাড়া, জৈনসার, কোলা



                                     

6. ইতিহাস

প্রাচীনকালে নিঃসন্দেহে মুন্সিগঞ্জ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কেন্দ্র ছিল। অঞ্চলটি খ্রিস্টীয় দশ শতকের শুরু থেকে তেরো শতকের প্রথম পর্যন্ত চন্দ্র, বর্মন ও সেন রাজাদের রাজধানী ছিল। মুন্সিগঞ্জ উল্লেখ ‘স খলু শ্রী বিক্রমপুর সমাবাসিত শ্রীমজ্জয়স্কন্ধবারাত’ বিজয় অথবা রাজধানীর রাজকীয় স্থান যা মুন্সিগঞ্জে অবস্থিত-রূপে শ্রীচন্দ্রের তাম্রশাসনে সর্বপ্রথম দেখা যায় এবং পরবর্তী বর্মন ও সেন রাজবংশের শাসনামলে ম এ মর্যাদা অব্যাহত ছিল। এমনকি সেনদের শাসনামলে, যাঁরা বলতে গেলে প্রায় সমগ্র বঙ্গের ওপর প্রাধান্য বিস্তার করেছিলেন, মুন্সিগঞ্জ তাদের রাজধানী রূপে বলবৎ ছিল এবং নদীয়ায় মুসলমান আক্রমণকারী বখতিয়ার খলজীর হাতে পরাজিত হওয়াপর লক্ষ্মণসেন এ অঞ্চলে এসেছিলেন। তার দুই পুত্র বিশ্বরূপসেন ও কেশবসেন স্বল্পকালের জন্য এ অঞ্চল শাসন করেছিলেন। বিশ্বরূপসেন ও কেশবসেনের তাম্রশাসনগুলিতে রাজধানী রূপে মুন্সিগঞ্জের উল্লেখ না থাকলেও তারা যে ভূমি দান করেছিলেন তার অবস্থান ছিল মুন্সিগঞ্জ ভাগে। এতে এ অঞ্চলের ওপর তাদের কর্তৃত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। মুন্সিগঞ্জের খ্যাতি ১২৮০ খ্রিষ্টাব্দের প্রথম দিক পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল। এসময় দনুজমাধব দশরথদেব কিংবা জিয়াউদ্দীন বরনীর দনুজ রায় সুবর্ণ গ্রামের সোনারগাঁও সন্নিকটে তার রাজধানী স্থানান্তর করেন। তখন থেকে সমগ্র সুলতানি আমলে এ অঞ্চলটি বিস্মৃতির পাতায় থেকে যায়। এরপর মুগল যুগে রাজস্ব তালিকায় শুধু পরগনা হিসেবে এর নামের উল্লেখ পুনরায় দেখা যায়। মুগল আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মুন্সিগঞ্জের জমিদার চাঁদ রায় ও কেদার রায়এর বাংলার বারো ভূঁইয়াদের উল্লেখযোগ্য দুজন বীরোচিত প্রতিরোধ মুন্সিগঞ্জকে কিছুটা স্বল্পস্থায়ী গৌরব প্রদান করে।



                                     

7. মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাবলি

১৯৭১ সালের ২৯ মার্চ ছাত্রজনতা সরকারি অস্ত্রাগার থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র লুট করে এবং পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ৯ মে পাকবাহিনী গজারিয়ায় অভিযান চালিয়ে চার শতাধিক নিরীহ গ্রামবাসিকে গুলি করে হত্যা করে এবং ১৪ মে কেওয়ারে হামলা করে কিছুসংখ্যক যুবককে হত্যা করে। এর আগে ৩১ মার্চ পাকবাহিনী নারায়ণগঞ্জে আক্রমণ চালালে মুন্সিগঞ্জের তরুণরা নারায়ণগঞ্জবাসীদের সঙ্গে মিলিতভাবে আক্রমণ প্রতিহত করে। জুলাই মাসে ধলাগাঁও এলাকায় শত যুবককে রিক্রুট করে ট্রেনিং দেওয়া হয় এবং তারা বিভিন্ন অপারেশনে অংশ নেয়। ১১ আগস্ট মুক্তিযোদ্ধারা শ্রীনগর থানা, ১৪ আগস্ট লৌহজং থানা নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে টংগিবাড়ী থানা আক্রমণ করে প্রচুর অস্ত্র ও গোলাবারুদ হস্তগত করে। মুক্তিযোদ্ধারা উপজেলার শিবরামপুরে আক্রমণ চালিয়ে পাকবাহিনীর তিনটি গানবোট ডুবিয়ে দেয় এবং এতে বেশসংখ্যক পাকসেনা নিহত হয়। গোয়ালিমান্দ্রায় মুক্তিযোদ্ধারা ৬ জন রাজাকারকে হত্যা করে এবং পরে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে এক সম্মুখ লড়াইয়ে প্রায় ৩৫ জন পাকসেনা নিহত হয়। পাকবাহিনী শেখর নগর গ্রামের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেয় এবং নিরীহ লোকদের হত্যা করে। ২৭ রমজান শবে কদর রাতে ১১৫ জন মুক্তিযোদ্ধা পাকসেনাদের ওপর সম্মিলিত আক্রমণ চালিয়ে মুন্সিগঞ্জ শহর দখল করে নেয়। ৪ নভেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা টংগিবাড়ী থানা দখল করে নেয় এবং ১১ ডিসেম্বর মুন্সিগঞ্জ শত্রুমুক্ত হয়।

                                     

8. অর্থনীতি

জনগোষ্ঠীর আয়ের প্রধান উৎস কৃষি ৩৪.৬৪%, অকৃষি শ্রমিক ২.১৭%, শিল্প ৪.৬৯%, ব্যবসা ২৩.১৭%, পরিবহন ও যোগাযোগ ৩.৭৫%, নির্মাণ ২.২৭%, ধর্মীয় সেবা ১.১৯%, চাকরি ১২.৮৭%, রেন্ট অ্যান্ড রেমিটেন্স ৫.৯৫% এবং অন্যান্য ৯.৩%।

অর্থনৈতিক দিক দিয়ে মুন্সিগঞ্জ খুব দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। কয়েক বছরে এখানে অনেক শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছে। মুন্সিগঞ্জের মাওয়ায় নগরী গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হয়েছে। ইতিমধ্যে অনেক উদ্যোক্তা সেখানে তাদের কাজ শুরু করে দিয়েছে। তাছাড়া সেখানে একটি উন্নত আবাসিক এলাকা তৈরি করা হয়েছে তবে এখনো তারা সবাই প্লট বিক্রি করা শুরু করেনি। অতএব বলা যায় আর কয়েক বছরের মধ্যেই মুন্সিগঞ্জ অত্যন্ত উন্নত নগরী তে পরিণত হবে এবং এদের অর্থনীতির অতি দ্রুত প্রসার ঘটবে।

উন্নয়ন প্রকল্প
                                     

9. শিল্প প্রতিষ্ঠান

১। হিমাগার- ৬৭টি

২। সিমেন্ট ফ্যাক্টরী - ১১টি

৩। লবন ফ্যাক্টরী - ৩টি

৪। কাগজ ফ্যাক্টরী - ৩টি

৫। টিস্যু - ১টি বসুন্ধরা

৬। জাহাজ নির্মাণ শিল্প- ৬টি

৭। ম্যাচ ফ্যাক্টরী - ৩টি

৮। আঁঠা ফ্যাক্টরী -১টি

                                     

10. পত্র-পত্রিকা ও সাময়িকী দৈনিক

  • দৈনিক মুন্সীগঞ্জের খবর
  • দৈনিক সভ্যতার আলো
  • মুন্সিগঞ্জ ভয়েস.কম
  • দৈনিক মুন্সীগঞ্জের কাগজ
  • সাপ্তাহিক মুন্সিগঞ্জ সংবাদ
  • দৈনিক রজতরেখা
  • শ্রীনগর নিউজ
  • গজারিয়া নিউজ ২৪.কম
  • আমার বিক্রমপুর.কম
                                     

11. উৎসব

লোকসংস্কৃতি দুর্গাপূজা, নববর্ষ, চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে যাত্রা, পালাগান, কবিগান, কীর্তনলীলা, বাউল গানের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। শ্যামসিদ্ধির মেলা এবং ঐতিহ্যবাহী ঝুলন মেলার প্রচলন রয়েছে। এছাড়া রথ যাত্রা, নৌকাবাইচ, লাঠি খেলা প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

                                     

12. দর্শনীয় স্থান

  • নাটেশ্বর দেউলের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন
  • শুলপুরের গির্জা,
  • রাজা শ্রীনাথের বাড়ি,
  • সোনারং জোড়া মন্দির,
  • অতীশ দীপঙ্করের জন্মস্থান,
  • রামপালে বাবা আদম মসজিদ,
  • ভাগ্যকুল জমিদার বাড়ি,
  • ইদ্রাকপুর কেল্লা,
  • বিক্রমপুর বিহার
  • পদ্মা সেতু
  • ধলেশ্বরী নদী
  • পদ্মার চর,
  • নয়াগাঁও বেরিবাধ,
  • মেঘনা ভিলেজ হলিডে রিসোর্ট প্রভৃতি
  • হাসারার দরগা,
  • ধলেশ্বরী সকার কিংস ক্লাব
  • জগদীশ চন্দ্র বসুর জন্মস্থান,
  • রাজা বল্লাল সেন ও হরিশচন্দ্রের দীঘি,
  • শ্যামসিদ্ধির মঠ,
                                     

12.1. দর্শনীয় স্থান প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার রামপাল ইউনিয়নের রঘুরামপুর গ্রামে মাটির নিচে চাপা পড়ে থাকা হাজার বছরের পুরনো বৌদ্ধ বিহারের সন্ধান মিলেছে। প্রত্নসম্পদ ও ঐতিহাসিক নিদর্শন উদ্ধারে চালানো খনন কাজের মাধ্যমে এ বৌদ্ধ বিহার আবিষ্কৃত হয়। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য জানিয়েছেন বিক্রমপুর অঞ্চলে প্রত্নতত্ত্ব খনন ও ঐতিহাসিক নিদর্শন আবিষ্কার নিয়ে গবেষণা পরিচালক ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. সুফি মোস্তাফিজুর রহমান। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এরই মধ্যে বৌদ্ধ বিহারের পাঁচটি ভিক্ষু কক্ষ উন্মোচিত হয়েছে। একেকটি ভিক্ষু কক্ষের পরিমাপ ৩ দশমিক ৫ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৩ দশমিক ৫ মিটার প্রস্থ। ধারণা করা হচ্ছে, বৌদ্ধ ধর্মের জ্ঞান তাপস অতীশ দ্বীপঙ্করের সঙ্গে এ বৌদ্ধ বিহারের সম্পর্ক রয়েছে।

                                     

13. উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব

  • রাজকুমার সেন
  • ইমদাদুল হক মিলন
  • চিত্তরঞ্জন দাশ
  • অতীশ দীপঙ্কর
  • শীর্ষেন্দু মখোপাধ্যায়
  • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  • মোঃ মামুনর রশিদ
  • ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ
  • ব্রজেন দাস
  • আব্দুল জব্বার খান
  • সৈয়দ মইনুল হোসেন
  • হুমায়ুন আজাদ