Back

ⓘ কোম্পানি




                                               

ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন

ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন একটি সরকারি ফাউন্ডেশন যা ক্ষুদ্রায়তন খামার এবং কৃষকদের কল্যাণের জন্য দায়বদ্ধ। এটি বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের ক্ষুদ্র কৃষকদের জামানত মুক্ত ক্ষুদ্র ঋণ প্রদান করে।

                                               

আফগান টেলিকম

আফগান টেলিকম একটি টেলিযোগাযোগ কোম্পানি যা আফগানিস্তান সরকার মালিকানাধীন এবং পরিচালিত। কোম্পানিটি ২৫ বছরের লাইসেন্সের আওতায় স্থির লাইন, তারবিহীন ভয়েস এবং ডেটা পরিষেবা সরবরাহ করে। ২০০৫ সালে, আফগানিস্তানের যোগাযোগ মন্ত্রনালয় এর তদারকি ও নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে এর বেসরকারিকরণ করে। আফগান টেলিকম আফগানিস্তানে টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক সংযোগ বৃদ্ধির জন্য বিশ্বব্যাংকের অনুদান সাহায্য হিসাবে ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সুবিধাভোগ করেছে।

                                               

নেপালের ঔষধ প্রস্তুতকারক কোম্পানি

                                               

নর্থ ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড

নর্থ ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড বাংলাদেশ সরকারের মালিকানাধীন একটি ইউটিলিটি এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন সংস্থা। এর সদরদপ্তর বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত।

                                               

ইউবিসফট মন্ট্রিয়ল

ইউবিসফট ডিভারটিসেমেন্টস ইনকর্পোরেটেড বা ইউবিসফট মন্ট্রিয়ল হলো একটি ভিডিও গেম নির্মাতা কোম্পানি এবং ইউবিসফটের মন্ট্রিয়লের স্টুডিও। নতুন মাল্টিমিডিয়া চাকরি তৈরিতে মন্ট্রিয়ল, কুইবেক এবং কানাডার সরকার থেকে সহায়তা সহকারে বিশ্বব্যাপী ইউবিসফটের প্রসারনের অংশ হিসাবে ১৯৯৭ সালের এপ্রিলে স্টুডিওটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। স্টুডিওর প্রাথমিক পণ্যগুলি ছিল বিদ্যমান মেধা সম্পদের ভিত্তিতে বাচ্চাদের জন্য তৈরিকৃত লো-প্রোফাইল গেম। ইউবিসফট মন্ট্রিয়লের জনপ্রিয়তার শুরু হয়েছিল টম ক্ল্যানসিস স্প্লিন্টার সেল এবং ২০০৩ সালের প্রিন্স অফ পার্সিয়া: দ্য স্যান্ডস অফ টাইম প্রকাশের মাধ্যমে। পরবর্তীতে স্টুডিওটি সিরিজে ...

                                               

নাসির গ্রুপ

নাসির গ্রুপ একটি বাংলাদেশি বৃহত্তম শিল্প সংস্থা। এই সংস্থার সমষ্টিগত শিল্পের মধ্যে রয়েছে শিল্প গ্লাস, তামাক, মুদ্রণ এবং প্যাকেজিং, এনার্জি সেভিং ল্যাম্প ইত্যাদি। ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও নাসির গ্রুপের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন বিশ্বাস ১৯৭৭ সালে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

                                               

হ্যালো এয়ারলাইন্স

হ্যালো এয়ারলাইন্স হল বাংলাদেশের একটি পণ্যবাহী বিমান সংস্থা। এটি ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং এর কার্যক্রম ২০১৭ সালে শুরু হয়েছিল। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংস্থাটির মূল কেন্দ্র রয়েছে এবং এর বহরে একটি এটিআর ৪২-৩০০ কিউসি বিমান রয়েছে।

কোম্পানি
                                     

ⓘ কোম্পানি

কোম্পানি বা কর্পোরেশন, এক অভিনব ও সর্বাধুনিক ব্যবসায় সংগঠন, যা সর্বাপেক্ষা আইনসৃষ্ট প্রতিষ্ঠান, এবং শেয়ারহোল্ডারদের মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত হয়।

                                     

1. গঠনপ্রণালী

কোম্পানির গঠনপ্রণালী মূলত কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হয়। ধাপ ১: আইনানুগ সর্বনিম্ন সংখ্যক ব্যক্তি পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন ধাপ ২: কোম্পানীর প্রবর্তকগণ নিম্নোক্ত দুটি দলিল সংগ্রহ করেন বা প্রস্তুত করেন

ক. স্মারকলিপি বা সংঘস্মারক বা পরিমেলবন্ধ স্মারকলিপি হলো কোম্পানীর মূল দলিল। এর দ্বারাই কোম্পানীর কার্যক্ষেত্র ও ক্ষমতার সীমা নির্ধারিত হয়। খ. পরিমেল নিয়মাবলী বা সংঘবিধি এই দলিলে অন্তর্ভুক্ত থাকে কোম্পানির অভ্যন্তরীণ কার্যকলাপ পরিচালনা সংক্রান্ত যাবতীয় নিয়ম-কানুন। এতে পরিচালকদের কর্তব্য, অধিকার ও ক্ষমতা, ব্যবসায় পরিচালনার পদ্ধতি ও প্রকৃতি ইত্যাদিরও উল্লেখ থাকে।

ধাপ ৩: প্রবর্তকগণ এ পর্যায়ে দলিলপত্রাদি সংযোজনের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশনের নির্ধারিত ফি প্রদানপূর্বক রেজিস্ট্রেশন অফিস থেকে রেজিস্ট্রেশন ফরম পূরণ করেন ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য দলিলাদি সংযোজন করেন। ধাপ ৪: শুধুমাত্র পাবলিক লিমিটেড কোম্পানীর ক্ষেত্রে এপর্যায়ে কাজ আরম্ভ করার অনুমতি পত্র সংগ্রহ করতে হয়। এজন্য প্রবর্তকগণ আরও কিছু দলিল নিবন্ধকের নিকট জমা দেন এবং কোম্পানীর বিবরণপত্র প্রস্তত করেন। নিবন্ধকের সন্তুষ্টিতে কার্যারম্ভের অনুমতিপত্র সংগৃহীত হয়। ধাপ ৫: কোম্পানী কাজ আরম্ভ করে।

                                     

2.1. শ্রেণীবিভাগ সনদপ্রাপ্ত কোম্পানি

বাংলাদেশে ১৮৪৪ সালে কোম্পানি আইন পাস হওয়ার আগে তৎকালীন গ্রেট ব্রিটেনের রাজার বা রাণীর বিশেষ ফরমান বা সনদবলে যে কোম্পানি গঠিত হতো তাকে সনদপ্রাপ্ত কোম্পানি Chartered Company বলে। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি, চার্টার্ড ব্যাংক অব ইংল্যান্ড, চার্টার্ড মার্কেন্টাইল ব্যাংক অব ইন্ডিয়া এই ধরনের কোম্পানির উদাহরণ। পরে অবশ্য বাংলাদেশে কোম্পানি আইন পাশ হওয়াপর এ ধরনের কোম্পানি গঠনের সুযোগ রহিত করা হয়।

                                     

2.2. শ্রেণীবিভাগ নিবন্ধিত কোম্পানি

রেজিস্ট্রিকৃত বা নিবন্ধিত কোম্পানি Registered Company বলতে কোম্পানী আইনের অধীনে গঠিত ও নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানকে বোঝায়। নিবন্ধিত কোম্পানিকে আবার কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়। তন্মধ্যে দায়ের ভিত্তিতে নিবন্ধিত কোম্পানিকে দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

                                     

2.3. শ্রেণীবিভাগ সসীম দায় কোম্পানি

যে কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের দায় সীমাবদ্ধ থাকে, তাকে সসীম দায় কোম্পানী বলে। এধরনের কোম্পানি আবার দুই প্রকার। যথা-

                                     

2.4. শ্রেণীবিভাগ প্রতিশ্রুত মূল্য দ্বারা সসীম দায় কোম্পানি

প্রতিশ্রুত মূল্য দ্বারা সসীম দায় কোম্পানির Company Limited by Guarantee শেয়ারহোল্ডারদের দায় স্মারকলিপিতে বর্ণিত থাকে এবং বর্ণনা অনুযায়ী শেয়ারহোল্ডাররা দায় পরিশোধ করে থাকেন।

                                     

2.5. শ্রেণীবিভাগ শেয়ার মূল্য দ্বারা সসীম দায় কোম্পানি

যে কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের দায় তাদের ক্রীত শেয়ারের আঙ্কিক মূল্য দ্বারা সীমাবদ্ধ থাকে তাকে শেয়ার মূল্য দ্বারা সীমাবদ্ধ দায় কোম্পানি Company Limited by Share বলে। এক্ষেত্রে কোনো অবস্থাতেই শেয়ারহোল্ডারদেরকে তাদের ক্রীত শেয়ারের আঙ্কিক মূল্যের অতিরিক্ত দায়ের জন্য দায়ী করা যায় না। পৃথিবীর সকল দেশেই এরকম কোম্পানি দেখা যায়।

                                     

2.6. শ্রেণীবিভাগ প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে যে সীমাবদ্ধ দায় কোম্পানিতে সদস্যের সংখ্যা ন্যূনতম ২ বা সর্বোচ্চ ৫০ জন রাখা হয় এবং সীমাবদ্ধ দায়ের ভিত্তিতে কোম্পানিকে প্রদত্ত আইনের আওতায় নিবন্ধিত করা হয়, তাকে ঘরোয়া মালিকানায় সীমাবদ্ধ কোম্পানি বা প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি Private Limited Company বলে।

                                     

2.7. শ্রেণীবিভাগ পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি

পৃথিবীব্যাপী সবচেয়ে জনপ্রিয় কোম্পানি সংগঠন হলো পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি Public Limited Company। এসকল কোম্পানী বাজারে শেয়ার ছাড়ার মাধ্যমে মূলধন জোগাড় করে থাকে। বাংলাদেশে এধরনের কোম্পানির সদস্যসংখ্যা সর্বনিম্ন ৭ জন এবং সর্বোচ্চ শেয়ার দ্বারা সীমাবদ্ধ থাকে, শেয়ার অবাধে হস্তান্তরযোগ্য এবং কোম্পানি শেয়ার ও ঋণপত্র জনগণের উদ্দেশ্যে ক্রয়-বিক্রয়ের আহবান জানায়। পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিকে মালিকানার ভিত্তিতে দুইভাগে এবং নিয়ন্ত্রণের ভিত্তিতে আরো দুভাগে ভাগ করা যায়:

                                     

2.8. শ্রেণীবিভাগ সরকারি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি

কোনো কোম্পানির মালিকানা বা এর শেয়ার মালিকানার কমপক্ষে ৫১% শেয়ার যদি সরকারি মালিকানায় থাকে এবং এর পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব সরকারের হাতে থাকে, তবে তাকে সরকারি মালিকানায় পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি বলে।

                                     

2.9. শ্রেণীবিভাগ বেসরকারি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি

কোনো কোম্পানির শেয়ারের কিয়দংশ সরকার গ্রহণ করলে তাকে আধা-সরকারি কোম্পানি বলে। কোনো কোনো সময় সরকার শেয়ার মূলধনের শতকরা ৩০% বা ৪০% গ্রহণ করে। এতে সরকারি ও বেসরকারি মালিকানার সংমিশ্রণ ঘটে বলে একে আধা-সরকারি কোম্পানি বলে।

                                     

2.10. শ্রেণীবিভাগ হোল্ডিং কোম্পানি

যদি কোনো কোম্পানি অন্য কোম্পানির ৫০% শেয়ারের বেশি শেয়ারের মালিক হয় বা মোট ভোটদান ক্ষমতার ৫০%-এর অতিরিক্ত ভোটদান ক্ষমতা ভোগ করে অথবা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অধিকাংশ পরিচালক নিয়োগ করার ক্ষমতার অধিকারী হয় তবে ঐ কোম্পানিকে নিয়ন্ত্রণশালী বা ধারক কোম্পানি বা হোল্ডিং কোম্পানি বলে।

                                     

2.11. শ্রেণীবিভাগ সাবসিডারি কোম্পানি

যে কোম্পানির ৫০%-এর বেশি শেয়ার বা ভোটদান ক্ষমতা অন্য কোম্পানির অধীনে চলে যায় সে কোম্পানিকে সাবসিডিয়ারি কোম্পানি বলে। মূলত হোল্ডিং কোম্পানি যে সকল কোম্পানির ৫০% শেয়ার ক্রয় করে তাদেরকেই সাবসিডারি কোম্পানি বা অধীনস্থ কোম্পানি বলে।

                                     

2.12. শ্রেণীবিভাগ অসীম দায় কোম্পানি

যে নিবন্ধিত কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের দায় অসীম অর্থাৎ শেয়ারহোল্ডারদের দায় তাদের বিনিয়োগের বাইরেও ব্যক্তিগতভাবে বর্তায় তাকেই অসীম দায়সম্পন্ন কোম্পানি বলে। বাংলাদেশে এধরনের কারবারের অস্তিত্ব নেই।

                                     

2.13. শ্রেণীবিভাগ অনিবন্ধিত কোম্পানি

বাংলাদেশের কোম্পানী আইনের ৩৭১ ধারা অনুযায়ী অনিবন্ধিত কোম্পানী হলো ৭ সদস্যের অধিক সদস্য নিয়ে গঠিত কোনো অংশিদারী ব্যবসায় বা সমিতি যা কোম্পানি আইনের আওতায় নিবন্ধিত নয়। ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইন অনুযায়ী এধরনের প্রতিষ্ঠানকে কোম্পানি বলা চলে না। তবে, কোম্পানি অবলুপ্তির কালে সীমিত পর্যায়ে এটা কোম্পানি বলে গণ্য হয়। বাংলাদেশে কার্যত এরূপ কোম্পানির অস্তিত্ব নেই।

                                     

2.14. শ্রেণীবিভাগ অব্যবসায়ী কোম্পানি

জনকল্যাণের উদ্দেশ্যে কোনো অব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান মুনাফা অর্জন করে তা জনকল্যাণ কাজে ব্যবহার করলে উক্ত প্রতিষ্ঠানকে সরকার তার সন্তুষ্টিস্বাপেক্ষে সীমাবদ্ধ দায় কোম্পানি হিসেবে নিবন্ধনের নির্দেশ দিতে পারে। একোম্পানির নামের শেষে ‘লিমিটেড’ শব্দটি ব্যবহার করতে হয় না।

                                     

3. কোম্পানির অবসায়ন

যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোম্পানি তার কাজকর্ম গুটিয়ে ফেলে, দায়-দেনার নিষ্পত্তি করে, তাকে কোম্পানির অবসায়ন বা বিলোপসাধন বলে। বাংলাদেশে ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইনের ২৩৪১ ধারায় কোম্পানীর বিলোপসাধন সম্পর্কে বলা হয়েছে। রাষ্ট্র ও আইনভেদে এর বিভিন্নতা থাকলেও মোটামুটি বিলোপের ধরনগুলো এরকম:

  • নিবন্ধন করার ১ বৎসরের মধ্যে যদি কোম্পানি কারবার আরম্ভ না করে বা ১ বৎসর যাবৎ কারবার বন্ধ রাখে।
  • আদালতের নির্দেশে বাধ্যতামূলক বিলোপসাধন
  • বিধিবদ্ধ রিপোর্ট দাখিল করার বিষয়ে বা বিধিবদ্ধ সভা অনুষ্ঠানের বিষয়ে বরখেলাপ হয়ে থাকে।
  • কোম্পানি যদি বিশেষ প্রস্তাব গ্রহণের মাধ্যমে আদালত কর্তৃক তার অবসায়নের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকে।
  • সদস্যদের স্বেচ্ছায় বিলোপসাধন
  • স্বেচ্ছায় বিলোপসাধন
  • পাওনাদার কর্তৃক স্বেচ্ছায় বিলোপসাধন
  • আদালতের তত্ত্বাবধানে স্বেচ্ছায় বিলোপসাধন।
                                     

4. গ্রন্থসূত্র

  • উচ্চ মাধ্যমিক ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ব্যবসায় নীতি ও প্রয়োগ-১ম পত্র, মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান; জুন ২৫, ২০০১ সংস্করণ; দি যমুনা পাবলিশার্স, ঢাকা।