Back

ⓘ বিষয়শ্রেণী:জীববিজ্ঞান




                                               

সমকামিতার সাথে জীববিজ্ঞানের সম্পর্ক

সমকামিতার সাথে জীববিজ্ঞানের সম্পর্ক বিজ্ঞানী ও সাধারণ মানুষ উভয়ের নিকট সমভাবে কৌতূহলের বিষয় হলেও এখনো পর্যন্ত দুইয়ের মধ্যে নিশ্চিত কার্যকারণ সূত্র আবিষ্কৃত হয় নি। সমকামিতার সাথে বিজ্ঞান বিশেষ করে জীববৈজ্ঞানিক সম্পর্ক আছে কী নেই, থাকলে কতটুকু আছে - তা নিয়ে নিরন্তর গবেষণা চলছে। একজন মানুষ কেন সমলিঙ্গের প্রতি যৌন আকর্ষণ বোধ করে তার কোনো একক নির্ণায়ক এখনো অবধি কোনো গবেষণার মাধ্যমে চিহ্নিত করা সম্ভব হয় নি। এখনো পর্যন্ত বিজ্ঞানীদের বিশ্বাস সমলিঙ্গের প্রতি যৌনাকর্ষণের পেছনে সামাজিক নির্ণায়ক ও জীববৈজ্ঞানিক উভয়বিধ কারণ যুগপৎ সক্রিয়। মানুষের স্বভাব গঠনে ক্রিয়াশীল জিন ও হরমোন এবং সামাজিক ন ...

                                               

পরিবেশ এবং যৌন অভিমুখীতা

পরিবেশ এবং যৌন অভিমুখিতা নিয়ে যে গবেষণা করা হয়; তা দ্বারা বুঝানো হয় মানুষের যৌন অভিমুখিতার ক্রমবিকাশে পরিবেশগত প্রভাবের একটি সম্ভাবনা আছে। কিছু গবেষকের মতে পরিবেশগত প্রভাব হরমোনের প্রভাব কে প্রভাবিত করে। আবার কিছু গবেষক মনে করেন মানুষের যৌন অভিমুখিতা পরিবেশগত নয় বরং তার জন্মপূর্ব থেকে নির্ধারিত; যেখানে জন্মপূর্ব হরমোন ক্রিয়া করে বিজ্ঞানীরা যৌন অভিমুখিতার একদম সঠিক কারণ সম্বন্ধে জ্ঞাত নন। তারা বিশ্বাস করেন জিনগত, হরমোনগত, এবং পরিবেশগত প্রভাব যৌন অভিমুখিতা নির্ধারণে একত্রে মিথস্ক্রিয়া করে। যৌন অভিমুখিতার পরিচয় যেভাবে পরিবর্তন করা যায়, এমনটা সবাই নিশ্চিত থাকলেও, যৌন অভিমুখিতা পরিচয়ের ...

                                               

অঙ্গসংস্থান

অঙ্গসংস্থান জীববিজ্ঞানের একটি শাখা যা জীবের আকার আকৃতি এবং তাদের নির্দিষ্ট কাঠামোগত বৈশিষ্ট্য অধ্যয়ন নিয়ে কাজ করে। এর মধ্যে বাহ্যিক দিকগুলি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, অর্থাৎ বাহ্যিক অঙ্গসংস্থান বা আইডোনমি, পাশাপাশি হাড় এবং অঙ্গগুলির মতো অভ্যন্তরীণ অংশগুলির আকার অর্থাৎ অভ্যন্তরীণ অঙ্গসংস্থান বা শারীরস্থান । এটি দেহতত্ত্বের বিপরীতে যা মূলত ফাংশন নিয়ে কাজ করে। অঙ্গসংস্থান জীবন বিজ্ঞানের একটি শাখা যা কোনও জীব বা ট্যাক্সনের স্থূল কাঠামো এবং এর উপাদানগুলির অংশ অধ্যয়ন নিয়ে কাজ করে।

                                               

অণুজীব

অণুজীব হলো সেই সকল ক্ষুদ্র এককোষী জীব যাদেরকে খালি চোখে দেখা যায় না। এরা আদিকেন্দ্রিক ও সুকেন্দ্রিক উভয় প্রকার হতে পারে। সকল প্রকার ব্যাক্টেরিয়া, আরকিয়া, প্রোটোজোয়া, এককোষী শৈবাল এবং ছত্রাক অণুজীবের অন্তর্গত।

                                               

অণুবীক্ষণ যন্ত্র

অণুবীক্ষণ যন্ত্র হলো অণুজীব বিজ্ঞান পরীক্ষাগারের এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র। এই যন্ত্রের সাহায্যে যে সকল বস্তু খালি চোখে দেখা যায় না তাদের দেখা যায়। এর সাহায্যে কোনো বস্তুকে প্রায় ১০০ থেকে ৪০ লক্ষ গুণ বড় করে দেখা যায়। যে বিষয়ে অণুবীক্ষণযন্ত্রের গঠন ও কার্যপ্রণালি আলোচনা করা হয় তাকে মাইক্রোস্কোপি বলে।

                                               

অধিজগৎ (জীববিদ্যা)

জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিভাজনএ অধিজগৎ বলতে, আমেরিকান অণুজীববিদ ও জৈবপদার্থবিদ কার্ল বেইসের ত্রি-সাম্রাজ্য পদ্ধতি র সর্বোচ্চ বর্গীয় স্থানকে বোঝায় । ১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দে তার প্রকাশ করা তিনটি অধিজগতের জীবনবৃক্ষ অনুসারে, তিনটি অধিজগৎ হল - আর্কিয়া, ব্যাক্টেরিয়া ও ইউকারিয়া । একে প্রথম দুটি অধিজগতের সকল সদস্য প্রকোষকেন্দ্রীয় অণুজীব বা কোষকেন্দ্রহীন এককোষী অণুজীব । সুনির্দিষ্ট কোষকেন্দ্র থাকা ও প্রায় সকল বহুকোষী জীব সংকোষকেন্দ্রীয় অধিজগতের অন্তর্ভুক্ত । অধিজগৎসমূহকে কয়েকটি জগতে ভাগ করা হয়েছে ।

অমেরুদণ্ডী প্রাণী
                                               

অমেরুদণ্ডী প্রাণী

এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংখ্যক অমেরুদন্ডী প্রানী কীট প্রজাতির। আইইউসিএন এর আশঙ্কাজনক প্রাণীর তালিকা ২০১৪.৩" অনুসারে গুরুত্বপূর্ণ অমেরুদন্ডী প্রাণীর ট্যাক্সোনমি ও আনুমানিক সংখ্যা নিচের টেবিলে দেয়া হল। আইইউসিএন IUCN এর হিসেবে আনুমানিক ৬৬,১৭৮ প্রজাতির মেরুদন্ডী প্রাণী এখন পর্যন্ত নামকরণ করা হয়েছে। এই অনুযায়ী, প্রাণীজগতের ৯৫% এরও বেশি অমেরুদন্ডী প্রাণী।.

ওডোগোনিয়াম
                                               

ওডোগোনিয়াম

ওডোগনিয়াম হল ফিলামেন্টাস সবুজ শৈবালের একটি প্রজাতি যার এককোষী পুরুত্ব বিশিষ্ট অশাখ ফিলামেন্ট বা সূত্রক রয়েছে| যদিও এটি সাধারণত জলজ উদ্ভিদের সাথে হোল্ডফাস্টের সাহায্যে যুক্ত থাকে, পাশাপাশি এটি পানিতে মুক্তভাবেও ভাসতে পারে|

জ্যোতির্জীববিজ্ঞান
                                               

জ্যোতির্জীববিজ্ঞান

জ্যোতির্জীববিজ্ঞান বিজ্ঞানের একটি ক্ষেত্র যেখানে মহাবিশ্বে জীবনের উৎপত্তি, বিবর্তন, বিস্তরণ, এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে গবেষণা করা হয়। বিজ্ঞানের এই আন্তঃশাস্ত্রীয় ক্ষেত্রটিতে আমাদের সৌরজগতে বা তার বাইরে জীবদের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশের সন্ধান, পৃথিবীতে জীবনের উৎস, মঙ্গল গ্রহে জীবন, ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। জ্যোতির্জীববিজ্ঞানে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, জ্যোতির্বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, আণবিক জীববিজ্ঞান, পরিবেশবিজ্ঞান, ভূবিজ্ঞান এবং দর্শনের ব্যবহার করা হয়।

দাগি বসন্ত
                                               

দাগি বসন্ত

দাগি বসন্ত বা হেটুলুকা ভারত উপমহাদেশের উত্তর অঞ্চলসমূ্হে দেখতে পাওয়া একটি চড়ুই পাখির প্রজাতি৷ এটি প্রধানত হিমালয় পাদদেশে, বাংলাদেশ এবংপশ্চিমবঙ্গতে বিস্তৃত হয়ে আছে৷

পরিবেশবিজ্ঞান
                                               

পরিবেশবিজ্ঞান

বাস্তুবিদ্যা: জীববিজ্ঞানের যে শাখায় জীব ও তার পারিপার্শ্বিক জড় পরিবেশের যে সম্পর্ক আলোচনা হয় তাকে বাস্তুবিদ্যা বা ইকোলজি বলে। পরিবেশবিজ্ঞানের ইংরেজি পরিভাষা Ecology ইকোলজি । গ্রিক οίκος, ওইকোস অর্থাৎ "বাড়ি" এবং λόγος লোগোস অর্থাৎ "বিদ্যা" ইংরেজি Ecology পরিভাষাটি এসেছে। ইকোলজি শব্দটি বিজ্ঞানী "হেকেল" ১৮৬৬ সালে প্রণয়ন করেন।

                                               

বিদ্যমান শ্রেণীধাপ

বিদ্যমান শ্রেণীধাপ বা বিদ্যমান শ্রেণীবিন্যাস হচ্ছে একটি শব্দ যা সাধারণভাবে taxa, বোঝাতে জীববিজ্ঞানে ব্যবহৃত হয়, যেমন প্রজাতিসমূহ, গণসমূহ এবং পরিবারসমূহ, যারা এখনও অস্তিত্বশীল, মানে" এখনও জীবিত” যেটি বিলুপ্ত এর বিপরীতার্থক। উদাহরণস্বরূপ, moose হচ্ছে একটি বিদ্যমান প্রজাতি, যখন ডোডো হচ্ছে একটি বিলুপ্ত প্রজাতি। অনুরূপভাবে, cephalopods হিসেবে পরিচিত molluscs গ্রুপে, 1৯৮৭ সনের হিসাব অনুসারে অনুমানিক ৬৫০ বিদ্যমান প্রজাতি এবং ৭৫০০ বিলুপ্ত প্রজাতি ছিল।.

মার্জার
                                               

মার্জার

মার্জার বা ফেলিডি হলো বিড়াল ও বিড়ালজাতীয় প্রাণীদের বৈজ্ঞানিক পরিবার, এই পরিবার, এর একেকটি সদস্যকে ফেলিড বা মার্জার বলে। প্রায় সব মার্জারই মাংসাশী। এদেরমধ্যে সাধারণ পোষা বিড়ালই সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। প্রায় ১০,০০০ বছর আগে মানুষ প্রথম বিড়াল পোষ মানায়। এটি কার্নিভোরা বর্গের একটি পরিবার।

মাৎস্যবিদ্যা
                                               

মাৎস্যবিদ্যা

মাৎস্যবিদ্যা একটি বহুমুখি বিজ্ঞান যেখানে হ্রদবিজ্ঞান, সমুদ্রবিজ্ঞান, স্বাদুপানির জীববিদ্যা, সামুদ্রিক জীববিজ্ঞান, সংরক্ষণ, পরিবেশ, জনসংখ্যা গতিবিদ্যা, অর্থনীতি ও ব্যবস্থাপনা নিয়মানুবর্তিতা স্বপক্ষে একটি সার্বিক ছবি প্রদান করার প্রচেষ্টা করা হয়। প্রাণিবিজ্ঞানের যে শাখায় অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলজ এবং অর্ধ-জলজ সকলকে জীবকে মাৎস্য বলে। এর মধ্যে মাছ ছাড়াও অন্যান্য ক্রাষ্টেশিয়ান পতঙ্গ, মলাস্কান গুরুত্বপূর্ণ।

মৎস্যবিদ্যা
                                               

মৎস্যবিদ্যা

মৎস্যবিদ্যা জীববিজ্ঞানের অন্যতম একটি শাখা যেখানে মাছ নিয়ে অধ্যয়ন করা হয়। মৎস্যবিদ্যায় মূলত মাছের জীবতত্ত্ব অর্থাৎ উৎপত্তি, বিবর্তন, শ্রেণীবিন্যাস, অঙ্গসংস্থানবিদ্যা, শারীরতত্ত্ব, বাস্তুতন্ত্র, কোষতত্ত্ব, কলাতত্ত্ব, জেনেটিক্স ইত্যাদি নিয়ে বিজ্ঞানভিত্তিক পাঠ ও গবেষণা করা হয়।

                                               

যৌন ফলপ্রসূতা

জনসংখ্যাতত্ত্ব ও জীববিজ্ঞানে ফলপ্রসূতা বলতে কোনো জীব বা জনসংখ্যার প্রজননের প্রকৃত হারকে বোঝায়। এর পরিমাপ করা হয় গ্যামেট বা অযৌন প্রজনন-এককের সাপেক্ষে। ফলপ্রসূতা যৌন উর্বরতার সাথে তুলনীয়।

                                               

শ্রেণি (জীববিদ্যা)

শ্রেণী হচ্ছে জীববিদ্যার একটি বিশেষ শ্রেণীবিন্যাসবৈদ্যিক ধাপ যা পর্বের নিচে ও বর্গের উপরে অবস্থান করে। শ্রেণীবিন্যাসের ক্রমটি হচ্ছে জগত, বিভাগ, শ্রেণী, বর্গ, গোত্র, গণ ও প্রজাতি। অন্যান্য ধাপের মত শ্রেণীর ও উপধাপ রয়েছে যা উপশ্রেণী নামে পরিচিত।