Back

ⓘ বিষয়শ্রেণী:কম্পিউটিং-এর ইতিহাস




                                               

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের ইতিহাস

ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী ও কম্পিউটার বিজ্ঞানী টিমথি বার্নার্স-লি সুইজারল্যান্ডের জেনেভার সার্ন সংস্থার একটি প্রকল্প হিসেবে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব উদ্ভাবন করেন। তিনি বেশ কিছু বিদ্যমান ধারণাকে একটিমাত্র ব্যবস্থাতে সংযুক্ত করেন, যাতে পদার্থবিজ্ঞানীরা ইন্টারনেটে আরও সহজে তথ্য ব্যবহার করতে পারেন। বার্নার্সের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান হল তিনি পূর্বতন গোফার সেবায় ব্যবহৃত হাইপারলিংকের ধারণার সাথে মাল্টিমিডিয়া প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটান। বার্নার্স-লি ১৯৮০-র দশকের শুরুর দিকেই হাইপারটেক্সট নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। ওয়েবের একটি শুরুর দিকের প্রোটোটাইপ রূপ ১৯৮৯ সাল থেকে সার্নে ব্যবহৃত হতে শুরু করে। বার্নার ...

                                               

কম্পিউটিং হার্ডওয়্যারের ইতিহাস

কম্পিউটারকে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার এই দুই ভাগে ভাগ করা যায়। কম্পিউটার হার্ডওয়্যার বলতে সেই ভৌত যন্ত্রকে বোঝায়, যা কোন প্রোগ্রামের নিয়ন্ত্রণে উপাত্ত সংরক্ষণ ও তাতে পরিবর্তন সাধন করতে পারে। সৃষ্টির শুরু থেকেই কম্পিউটার হার্ডওয়্যার আরও দ্রুত, সস্তা ও বেশি তথ্য ধারণক্ষমতাবিশিষ্ট করার অনবরত চেষ্টা চলছে। কম্পিউটারের উদ্ভাবনের আগে বেশির ভাগ গণনার কাজ মানুষ নিজেই সম্পাদন করত। গণনার কাজে সুবিধার জন্য মানুষ যে সব যন্ত্র উদ্ভাবন করেছে, তাদেরকে সাধারনভাবে ক্যালকুলেটর বলা হয়। যদিও ক্যালকুলেটর এখনও তৈরি করা হয়, বর্তমানে কম্পিউটার তাদেরকে ছাড়িয়ে গেছে এবং প্রায় সর্বত্রই এখন গণনার কাজে কম্পিউট ...

                                               

কম্পিউটিং-এর ইতিহাস

পরিগণনামূলক কর্মকাণ্ডের ইতিহাস তথা কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস আধুনিক স্বয়ংক্রিয় পরিগণক যন্ত্র তথা কম্পিউটার যন্ত্রের আবির্ভাবের বহু আগেই শুরু হয়েছিল। প্রাচীন যুগ থেকেই অ্যাবাকাস যন্ত্রের মাধ্যমে বড় অঙ্কের সংখ্যা যোগ-বিয়োগ-গুণ-ভাগের পদ্ধতি প্রচলিত ছিল। অ্যাাবাকাস ছিল সর্বপ্রথম দ্বি-আঙ্কিক তথা ডিজিটাল পরিগণক যন্ত্র; এটি বাণিজ্যিক হিসাব নিকাশের কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হত। এর বহু পরে ১৭শ শতকে এসে স্কটীয় গণিতবিদ জন নেপিয়ার লগারিদম পদ্ধতি আবিষ্কার করলে বিশাল অঙ্কের সংখ্যার গুণ ও ভাগ করা অনেক সহজ হয়ে যায়। ফলে যন্ত্রের মাধ্যমে পরিগণনা সম্পাদনের ইতিহাস এক নতুন দিকে মোড় নেয়।

                                               

রেট্রোকম্পিউটিং

রেট্রোকম্পিউটিং হলো আধুনিক সময়ে পুরোনো কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার ব্যবহার করা। রেট্রোকম্পিউটিং সাধারণত প্রযুক্তির বাস্তবিক প্রয়োগের চেয়ে শখ ও বিনোদন হিসেবে বিবেচিত হয়। প্রযুক্তি উৎসাহীরা প্রায় আবেগীয় কারণে দুর্লভ বা মূল্যবান হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার সংগ্রহ করে। যাইহোক, অনেকে এর ভাল ব্যবহারও করেন।