Back

ⓘ বিষয়শ্রেণী:আমিষ




                                               

ইনটিগ্রাল আবরণী আমিষ

অবিচ্ছেদ্য আবরণী প্রোটিন হচ্ছে জৈব ঝিল্লির সাথে স্থায়ীভাবে সংযুক্ত এক ধরনের আবরণী প্রোটিন । সকল ট্রান্স-আবরণী প্রোটিন -ই আইএমপি এর অন্তর্ভুক্ত, কিন্তু সকল আইএমপি ট্রান্স-আবরণী প্রোটিন নয়। কোন জীবের বংশাণুসমগ্রের নকশায় থাকা উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রোটিন নিয়ে আইএমপি গঠিত হয়। যেসব প্রোটিন ঝিল্লি অতিক্রম করে, সেগুলো চক্রাকার লিপিড দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকে, তাদেরকে আবরণী প্রোটিনের সাথে প্রত্যক্ষ সংযোগে থাকা লিপিড হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়। এসব লিপিডকে কেবল পরিষ্কারক, অপোলার দ্রাবক, অথবা কখনো কখনো বিকৃতকারক পদার্থ দ্বারা পৃথক করা যায়।

                                               

ইন্টারফেরন

ইন্টারফেরন হলো প্রতিরক্ষামূলক প্রোটিন। কোন দেহকোষ ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলে এটি নিঃসৃত হয়। বহিরাগত ভাইরাস,ব্যাক্টেরিয়া, ছত্রাক,বিষ ও অন্য কোনো বস্তু ইত্যাদির আক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য প্রতিটি দেহে একটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকে,এটি দেহের প্রতিরক্ষা তন্ত্র। ইন্টারফেরনস হল প্রোটিন জাতীয় রাসায়নিক প্রতিরক্ষামূলক অস্ত্র যা দেহের প্রতিরক্ষা তন্ত্রের অন্তর্গত। ভাইরাস দ্বারা আক্রমণেপর যখন ইন্টারফেরন নিঃসৃত হয় তখন তা আক্রমণকারী ভাইরাস এর প্রোটিন সংশ্লেষণ প্রক্রিয়া বন্ধ করে, ফলে ভাইরাসটি আর সংখ্যা বৃদ্ধি করতে পারেনা। তাই সে পরবর্তী কোষগুলোকে আর আক্রমণ করতে পারেনা।কাজেই সংক্রমিত কোষের চারপাশে ...

                                               

ডিম (খাদ্য)

ডিম) হচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির প্রানীর স্ত্রী জাতির পাড়া একটি গোলাকার বা ডিম্বাকার জিনিস যা মেমব্রেনের স্তর দ্বারা ঘিরে থাকা ডিম্বক এবং বহিরাবরণের সমন্বয়ে গঠিত হয়। বহিরাবরণের মূল কাজ হলো এর অভ্যন্তরে বাড়তে থাকা ভ্রূণকে এবং ভ্রূণের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টিকে রক্ষা করা। মুরগী ও কচ্ছপের ডিমসহ বেশীরভাগ মুখরোচক ডিমই শক্ত বহিরাবরণ বা ডিমের খোসা, অ্যালবুমেন,ডিমের কুসুম এবং কিছু মেমব্রেন দিয়ে তৈরী। ডিমের সকল অংশই খাদ্যপোযোগী, যদিও খোসা সাধারণত বাদ দেয়া হয়। পুষ্টিগতভাবে ডিম প্রোটিন ও কোলিনের উৎকৃষ্ট উৎস। মুখরোচক রো এবং ক্যাভিয়ার হচ্ছে মাছের ডিম।

                                               

নন-হিস্টোন প্রোটিন

নন-হিস্টোন প্রোটিন হলো ক্রোমাটিনের হিস্টোন প্রোটিনসমূহ অপসারণেপর অবশিষ্ট প্রোটিনের সাধারণ নাম। এই নন-হিস্টোন প্রোটিন হলো হেটারোজেনাস প্রোটিনের একটি বিশাল গ্রুপ, যা ক্রোমোজোমের উচ্চস্তরের গঠন কাঠামোর সংগঠন এবং পূরণে ভূমিকা রাখে। এরা নিউক্লিওসোম পুনর্গঠন, ডিএনএ অনুলিপন, আরএনএ সংশ্লেষণ এবং প্রক্রিয়াকরণ, নিউক্লীয় পরিবহন, স্টেরয়েড হরমোন ক্রিয়া এবং ইন্টারফেজ/মাইটোসিস রূপান্তরেও ভূমিকা রাখে। স্ক্যাফল্ড প্রোটিন, ডিএনএ পলিমারেজ, হেটারোক্রোমাটিন প্রোটিন ১ এবং পলিকম্ব-গ্রুপ প্রোটিনসমূহ হলো সাধারণ নন-হিস্টোন প্রোটিন। এছাড়াও আরও বেশ কিছু গাঠনিক, নিয়ন্ত্রক এবং কার্যকর মোটর প্রোটিন এই গ্রুপের অন্তর ...

                                               

প্রিয়ন

প্রিয়ন হলো ভাইরাসের মতোই একপ্রকার সংক্রামক সত্ত্বা যা PrP নামক প্রোটিন বা আমিষ দিয়ে তৈরি । এটিকে transmissible spongiform encephalopathies নামক স্নায়ুতন্ত্রের জটিলতার জন্য দায়ী করা হয়। প্রিয়ন গবাদি পশুর Mad cow disease ও scrapie, মানুষের Creutzfeldt–Jakob disease, Gerstmann–Sträussler–Scheinker syndrome, fatal familial insomnia, এবং kuru - এসব ভয়ানক মারণব্যাধির কারণ।. প্রিয়ন সুস্থ কোষের ভিতরে প্রবেশ করে কোষাভ্যন্তরস্থ প্রোটিনের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করতে পারে। প্রায় সব প্রিয়ন প্রোটিন এমাইলয়েড নামক জমাটবদ্ধ প্রোটিন তৈরি করে। এ জমাটবদ্ধ প্রোটিন খুবই স্থায়ী এবং এগুলো আক্রান্ত স্থানে জ ...

                                               

হিস্টোন

জীববিজ্ঞানে, ইউক্যারয়োটিক প্রাণীকোষের নিউক্লাইয়ে প্যাকেজ হয়ে ডিএনএর গাঠনিক একককে সুষমভাবে রাখা উচ্চ এলকালাইন প্রোটিন পাওয়া যায়, এদের হিস্টোন বলে। ক্রোমাটিনের প্রধান প্রোটিন অংশ হিসেবে ডিএনএন কে আবদ্ধ করে রাখতে, জিন রেগুলেশনে হিস্টোন অবদান রাখে। হিস্টোনের অনুপস্থিতিতে ক্রোমোজোমের দৈর্ঘ্য অনেক লম্বা হত। মানবদেহে প্রায় ১.৮ মিটার দৈর্ঘ্যের ২৩ জোড়া ক্রোমোজম। হিস্টোন না থাকলে ৯০ মাইক্রোমিটার ক্রোমাটিন মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় প্রতিরূপ তৈরি করে প্রায় ১২০ মাইক্রোমিটার দৈর্ঘের ক্রোমোজোম তৈরি করতো।

                                               

কনড্রিন

কনড্রিন হলো জেলাটিনসদৃশ নীলাভ-সাদা আমিষ-শর্করা নির্মিত জটিল যৌগ। তরুণাস্থিকে পানিতে সিদ্ধ করলে এই যৌগটি পাওয়া যায়। তরুণাস্থি হলো কনড্রিন মাতৃকাপূর্ণ কোষ দ্বারা গঠিত যোজক কলা। কনড্রিন কনড্রোঅ্যালবুনয়েড এবং কনড্রোমিউকয়েড নামক দুইটি প্রোটিন দ্বারা গঠিত।

                                               

ব্রাডফোরর্ড বিকারক

এই বিকারক প্রোটিনের আমিষজাত খাদ্য দ্রবণের সাথে বিক্রিয়া করে রঙ পরিবর্র্তীন করে যা বর্ণালিবীক্ষণ বিশ্লেষণ যন্ত্রের স্পেক্ট্রোস্কোপিক এনালাইজার মাধ্যমে পরীক্ষা করে দ্রবণে প্রোটিনের ঘনমাত্রা নির্নয় করে।