Back

ⓘ বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞান




                                               

অন্তরক

অন্তরক বা বিদ্যুত কুপরিবাহী পদার্থের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ চলাচল করতে পারে না। এদের পরমাণুর সর্ব বহিঃস্থ খোলকে অবস্থিত ইলেকট্রন মুক্তভাবে চলাচল করতে অপারগ থাকায় বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রের উপস্থিতিতে বহিস্থ প্রনোদনা দেয়া হলেও এদের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হতে পারে না। আদর্শ অন্তরক বাস্তবে পাওয়া না গেলেও কিছু পদার্থ যেমন কাচ, শুকনো কাগজ, টেফলন, ইত্যাদির বৈদ্যুতিক রোধ অনেক বেশি থাকায় এরা অন্তরক হিসেবে খুব ভালো কাজ করে। আবার কিছু পদার্থ যেমন প্লাস্টিক বা রাবারের ন্যায় পলিমারের রোধ তুলনামূলকভাবে কম হলেও এরা তড়িৎ পরিবাহী পদার্থের উপরে অন্তরক আবরণ হিসেবে ভালো কাজ করে। এসব পদার্থকে অল্প থেকে মাঝারি ভ ...

                                               

অপবর্তন

অপবর্তন হল এমন একটি আলোকীয় ঘটনা, যেখানে কোনো প্রতিবন্ধকের ধার ঘেঁষে বা সরু চিরের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় জ্যামিতিক ছায়া অঞ্চলের মধ্যে আলো বেঁকে যায়। একই তরঙ্গমুখের বিভিন্ন অংশ থেকে নির্গত গৌণ তরঙ্গসমূহের উপরিপাতনের ফলে অপবর্তনের সৃষ্টি হয়। এছাড়া এই বেঁকে যাওয়ার পরিমাণ এক তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোর জন্য এক রকম। সাদা আলোকে এই ধরনের ক্ষুদ্র ছিদ্রের মধ্য দিয়ে অপবর্তিত করা হলে এর মধ্যে উপস্থিত সাতটি আলো ভিন্ন ভিন্ন কোণে বেকে যায়। এতে বর্নালীর সৃষ্টি হয়। উদাহরণস্বরূপ - মাকড়শার জালে যে বর্ণালী দেখা যায় তা এর তন্তুগুলির সরু ফাঁকগুলিতে আলোর অপবর্তনের ফলেই সৃষ্টি হয়ে থাকে।

                                               

অপভূ

পৃথিবীর চতুর্দিকে ঘূর্ণায়মান কোন বস্তুর উপবৃত্তাকার কক্ষপথের পৃথিবী থেকে সবচেয়ে দূরের বিন্দুকে অপভূ বলা হয়। সূর্য ভূ-কক্ষের অপভূতে আসে ৩ রা জুলাই।

                                               

অবলোহিত বিকিরণ

যে সকল তড়িৎ চৌম্বক বিকিরণের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের সীমা ১ মাইক্রোমিটার থেকে ১ মিলিমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত তাদের বলা হয় অবলোহিত বিকিরণ রশ্মি । এই বিকিরণের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ দৈর্ঘ্য অপেক্ষা সামান্য বড়। খালি চোখে এদের দেখা যায় না। উইলিয়াম হার্শেল ১৮০০ সালে এই বিকিরণ আবিষ্কার করেন। উত্তপ্ত সিরামিক এর একটি উত্তম উৎস। এটি দৃশ্যমান অঞ্চল হতে অর্থাৎ visible বা infra এর পর থেকেই শুরু। এটি Near IR, Middle IR, Middle IR ও Far IR এরুপ তিনটি অংশে বিভক্ত।

                                               

অভিকর্ষজ ত্বরণ

অভিকর্ষজ ত্বরণ ওপর থেকে পড়ন্ত বস্তুর বেগ বৃদ্ধির হার। অভিকর্ষের কারণে ওপর থেকে ছেড়ে দেয়া বস্তু ভূপৃষ্ঠের দিকে ধাবিত হয় এবং যতই ভূপৃষ্ঠের নিকটবর্তী হয় এর পতনের বেগ বৃদ্ধি পেতে থাকে। পতনকালে প্রতি সেকেণ্ডে বেগ যতটুকু বৃদ্ধি লাভ করে তা-ই ‘অভিকর্ষজ ত্বরণ’ হিসেবে পদার্থ বিজ্ঞানে অভিহিত। অভিন্ন বস্তু তথা একই ভরের বস্তু পতনকালে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন ত্বরণ পরিলক্ষিত হয়। ভূ-কেন্দ্রের নৈকট্যের কারণে ত্বরণ বৃদ্ধি পায়।পৃথিবীতে অভিকর্ষ ত্বরনের মান ৯.৮ মিটার/সেকেন্ড পৃথিবী ও অন্য যে কোন বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ বল তাকে অভিকর্ষ বল বলা হয়। নিউটনের ২য় সূত্র অনুযায়ী বল প্রয়োগে বস্তুর ত্বরণ ...

                                               

অভিকর্ষজ বল

পৃথিবী তার কেন্দ্রাভিমুখে সকল বস্তুকে যে বল দ্বারা আকর্ষণ করে সেই বলকে অভিকর্ষ বা অভিকর্ষ বল বা মাধ্যাকর্ষণ বল বা Gravity বলে। সর্বপ্রথম নিউটন অভিকর্ষজ বল সম্পর্কে ধারণা দিয়েছিলেন। কথিত আছে, একদিন নিউটন আপেল গাছের নিচে বসে ভাবছিলেন এমন সময় তার মাথায় একটি আপেল এসে পড়ে। আপেলটি কেন মাটিতে পড়ল এই নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করেই তিনি অভিকর্ষ বা মহাকর্ষ বল সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন। এই সৌরজগতের যে কোনো দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ বল কাজ করে তাকে মহাকর্ষীয় বল বলে। আর এই দুটি বস্তুর মধ্যে একটি যদি পৃথিবী হয় তখনি এই বলকে অভিকর্ষজ বল বলে। অভিকর্ষজ বল" মাধ্যাকর্ষণ শক্তি” নামেও সাধারণের কাছে পরিচিত, যদিও ...

                                     

ⓘ পদার্থবিজ্ঞান

  • জ র ম ন র স র চ ক উন স ল র সভ পত ছ ল ন, প রম ণব ক পদ র থব জ ঞ ন কম শন র চ য রম য ন, প রম ণব ক পদ র থব জ ঞ ন ব ভ গ র চ য রম য ন এব আল কজ ন ড র ভন হ য ম ব ল ট
  • আইনস ট ইন কর ত ক ল খ ত আপ ক ষ কত তত ত ব ব ষয ক একট বই পড র পর ত ন পদ র থব জ ঞ ন ব ষয আগ রহ হয উঠ ন এই আগ রহ র উপর ভ ত ত কর ই ত ন আর ট ইনস ট ট উট
  • আন তর জ ত ক পদ র থব জ ঞ ন অল ম প য ড হ ই স ক ল শ ক ষ র থ দ র জন য একট প রত য গ ত স ল প ল য ন ড র ওয রশত এর প রথম আসর অন ষ ঠ ত হয প রত ট
  • Clarendon Press Reissued 1979 New York: Dover আইএসব এন  - - - পদ র থব জ ঞ ন প রব শদ ব র ত র ম ত র ক স ঘর ষ দ ব ম ত র ক স ঘর ষ একম ত র ক স ঘর ষ দ ব ম ত র ক
  • বছর ক জ কর ন স ল স ট য নফ র ড ব শ বব দ য লয র পদ র থব জ ঞ ন ও ফল ত পদ র থব জ ঞ ন ব ভ গ য গদ ন কর ন - স ল পর যন ত ত ন এই ব ভ গ র
  • ন ব ল প রস ক র ল ভ কর ন ত ন ইউন ভ র স ট অব ন ব র স ক থ ক স ল পদ র থব জ ঞ ন ও গণ ত ব য চ লর স ড গ র অর জন কর ন ত ন ইউন ভ র স ট অব ক য ল ফ র ন য
  • শ স প ট ম বর, একজন ম র ক ন পদ র থব জ ঞ ন য ন মহ কর ষ য পদ র থব জ ঞ ন এব জ য ত র ব জ ঞ ন অবদ ন র জন য পর চ ত ত ন ম র ক ন য ক তর ষ ট র র
  • ইউন ভ র স ট ত চল য ন স ল ইউন ভ র স ট অব ক য ল ফ র ন য স ন ড য গ ত পদ র থব জ ঞ ন ব ভ গ চ য রম য ন হ স ব য গ দ ন এব স ল পর যন ত এখ ন ই ছ ল ন
  • প রত ফল ত রশ ম সর বদ অভ লম ব র ব পর ত প র শ ব অবস থ ন কর ম ধ যম ক পদ র থব জ ঞ ন বই অধ য য - প ষ ঠ - থ ক রচন ড. শ হ জ হ ন তপন, ম হ ম মদ
  • Nobelpriset i fysik প রদ ন কর ব জ ঞ ন আলফ র ড ন ব ল - এর উইল অন য য পদ র থব জ ঞ ন রস য ন, চ ক ৎস ব জ ঞ ন, শ ন ত এব স হ ত য এই প চট ব ভ গ ন ব ল প রস ক র
  • ত ন ওয শ টন র ওয ল ওয ল ত অবস থ ত হ ইটম য ন কল জ থ ক স ল পদ র থব জ ঞ ন এব গণ ত ব ষয স ন তক শ ক ষ সম পন ন কর ন এরপর স ল অর গন ব শ বব দ য লয
                                               

আলোকের পরিবর্তনশীল বেগ

আলোকের পরিবর্তনশীল বেগ) হল এমন এক তত্ব যা আইনস্টাইঙ্কে নাকচ করে। এই তত্বের উদ্ভাবক হলেন আমেরিকার ইম্পিরিয়াল কলেজের ফিজিক্সের প্রফেসর জেও মাগাইজু। ওনার বক্তব হল relitivity অনুযায়ী আলোর গতিকে যে ধ্রুবক ভাবা হয়েছে তা মোটেও ঠিক নয়। মহাবিশব আরম্ভেপর থেকে আলোর বেগ কমে আসছে। এরই ওপর ভিত্তি করে তিনি বাতিল করে দিতে চান relitivity এবং সংশ্লিষ্ট সমীকরণসমূহ।

                                               

ইলেক্ট্রন-ভোল্ট

ইলেক্ট্রন-ভোল্ট হলো শক্তির একপ্রকার একক। একে e V {\displaystyle \,eV} দ্বারা প্রকাশ করা হয়। ১ ভোল্ট বিভব পার্থক্যর দুটি স্থানের একটি থেকে অন্যটিতে একটি ইলেক্ট্রনকে স্থানান্তর করতে ইলেকট্রনটির দ্বারা যে পরিমাণ কাজ সম্পাদিত হয় তাকেই ১ ইলেকট্রন-ভোল্ট বলে। এটি এস. আই. একক নয়, তবে মৌলিক কণিকা সমূহের শক্তি পরিমাপ করতে এই এককটি ব্যবহার করা হয়। 1 e V {\displaystyle \,1eV} = 1.602 ∗ 10 − 19 {\displaystyle \,1.602*10^{-19}} জুল

ওজমা প্রকল্প
                                               

ওজমা প্রকল্প

ওজমা প্রকল্প হলো বহির্জগতে প্রাণ-অনুসন্ধান মূলক একটি প্রকল্প। ১৯৬০ সালে পশ্চিম ভার্জিনিয়ার গ্রীন বাংকে একদল রেডিও জ্যোতির্বিদ এই প্রকল্পটি আরম্ভ করেন। এতে ২১ সে. মি. তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের রেডিও দূরবীক্ষণ যন্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল। কয়েক মাস পরেই প্রকল্পটি পরিত্যক্ত হয়। ওজমা নামটি ফ্রাংক বমের শিশুকাহিনী ওজের যাদুকর থেকে নেয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের অপর নাম ছিল ছোট্ট হরিৎ-মনু প্রকল্প।

কৃষ্ণবস্তু বিকিরণ
                                               

কৃষ্ণবস্তু বিকিরণ

একটি পূর্ণশোষী উত্তপ্ত বস্তু হতে নির্গত যে বিকিরণের মোট শক্তি উপস্থিত সবকটি তরঙ্গ দৈর্ঘ্যে সমপরিমাণে বন্টিত থাকে, তাকেই কৃষ্ণবস্তু-বিকিরণ বলে। তাপীয় সাম্যাবস্থায় সংঘটিত যেকোন বিকিরণই কৃষ্ণবস্তু-বিকিরণ। পদার্থবিজ্ঞানে নিচের বিষয়গুলোতে কৃষ্ণবস্তু বিকিরণ -এর ব্যবহার রয়েছে: ভিনের সরণ সূত্র কৃষ্ণবস্তু প্ল্যাঙ্কের সূত্র স্টেফান-বোল্ট্‌জম্যান সূত্র

কোয়ান্টাম ক্ষেত্র তত্ত্ব
                                               

কোয়ান্টাম ক্ষেত্র তত্ত্ব

কোয়ান্টাম ক্ষেত্র তত্ত্ব হল ভৌত ব্যবস্থাসমূহ ব্যাখ্যা করার একটি তত্ত্ব বা কাঠামো, যা কণা পদার্থবিজ্ঞান ও ঘনীভূত পদার্থ পদার্থবিজ্ঞানে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। আধুনিক কণা পদার্থবিজ্ঞানের বেশির ভাগ তত্ত্ব আপেক্ষিক কোয়ান্টাম ক্ষেত্র তত্ত্ব ব্যবহার করে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। ঘনীভূত পদার্থ পদার্থবিজ্ঞানেও এটি ব্যবহার করা হয়, বিশেষত যখন কণার সংখ্যা হ্রাস-বৃদ্ধির সুযোগ থাকে ।

কৌণিক সরণ
                                               

কৌণিক সরণ

কৌণিক সরণ বলতে একটি অক্ষের সাপেক্ষে কোন বস্তু বা বিন্দুর স্থান পরিবর্তন বোঝায়। এর ফলে যে কোণের সৃষ্টি হয় তদ্দ্বারা কৌণিক সরণের পরিমাপ করা হয়। এই কোণের পরিমাপ রেডিয়ান, ডিগ্রী অথবা কেবল পূর্ন ঘুর্ণন হিসেবে হতে পারে। একটি বস্তু যখন কোন অক্ষের চতুর্দিকে ঘূর্নায়মান থাকে তখন এর গতিপথের প্রতিটি বিন্দু ঘুরতে থাকে। রৈখিক সরণের দিক সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হতে থাকে কারণ রৈখিক সরণ একটি ভেক্টর। ফলে কেবল রৈখিক সরণ দিয়ে কোন বস্তুর গতিকে বর্ণনা করা যায় না। এক্ষেত্রে কৌণিক সরণের পরিমাপের প্রয়োজন হয়।

                                               

তাপীয় আয়নীকরণ তত্ত্ব

তাপীয় আয়নন বা তাপীয় আয়নীকরণ তত্ত্ব একটি ভৌত প্রক্রিয়া যেখানে উত্তপ্ত পৃষ্ঠতল থেকে অনুর নিঃসরণ হয় এবং অণুগুলি আয়নিত অবস্থায় থাকে। পদার্থের এই ধর্মটি কাজে লাগিয়ে মাস স্পেক্ট্রস্কোপির প্রয়োজনে আয়ণ উৎস ও অয়ন বিম তৈরি করা হয়। মৌলের আণবিক ভর পরিমাপ করতে এটি বহুল ব্যবহার করা হয়।

দশা (তরঙ্গ)
                                               

দশা (তরঙ্গ)

তরঙ্গ সঞ্চালনকারী কোনো কণার যে কোনো মুহূর্তে গতির সম্যক অবস্থাকে তার দশা বলা হয়। এখানে গতির সম্যক অবস্থা অর্থ হলো একটি নির্দিষ্ট মুহূর্তে কণাটির সরণ, বেগ, ত্বরণ ইত্যাদি। একই বেগে গতিশীল দুটি কণার সরণ যদি একই দিকে হয়, তাহলে বলা যায় কণা দুটি সমদশা সম্পন্ন। একে গ্রিক বর্ণ ফাই দিয়ে প্রকাশ করা হয়।

নিউক্লাইড
                                               

নিউক্লাইড

দুটি নিউক্লিয়াসের প্রোটন সংখ্যা Z এবং নিউট্রন সংখ্যা N যদি অভিন্ন হয়, তাহলে তারা একই নিউক্লীয় প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত হয়। এই ধরনের একই নিউক্লীয় প্রজাতিকেই বলা হয় নিউক্লাইড । একটি নিউক্লাইডকে তার রাসায়নিক সংকেত এবং রাসায়নিক সংকেত এর শির সংখ্যা A=Z+N দ্বারা শনাক্ত করা হয়।

নিউক্লিয়ন
                                               

নিউক্লিয়ন

রসায়ন ও পদার্থবিদ্যায় পরমাণুর নিউক্লিয়াস গঠনের অন্যতম উপাদান হল নিউক্লিয়ন। প্রতিটি পারমাণবিক নিউক্লিয়াস এক বা একাধিক নিউক্লিয়ন দিয়ে গঠিত হয় এবং নিউক্লিয়াস এক বা একাধিক ইলেকট্রন দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকে। নিউক্লিয়ন দুই প্রকার: নিউট্রন ও প্রোটন। এই ভর সংখ্যা ও নিউক্লিয়নের সংখ্যা একই। তাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নিউক্লিয়ন ব্যবহার না করে ভর সংখ্যা হিসাবেই ব্যবহার করা হয়।

Users also searched:

west bengal library, পদার্থবিদ্যা বই pdf,

...
...
...