Back

ⓘ সাসক্যাচুয়ান পর্বত (আলবার্টা)




সাসক্যাচুয়ান পর্বত (আলবার্টা)
                                     

ⓘ সাসক্যাচুয়ান পর্বত (আলবার্টা)

একই নামের অন্য পর্বতের জন্য দেখুন, সাসক্যাচুয়ান পর্বত ইউকন

সাসক্যাচুয়ান পর্বত কানাডার আলবার্টা প্রদেশের ব্যানফ জাতীয় উদ্যানের অবস্থিত উত্তর সাসক্যাচুয়ান নদীর উপত্যাকা অঞ্চলের ৩,৩৪২ মিটার একটি পর্বত। ভৌগোলিকভাবে পর্বতটি কানাডিও রকিজের অংশ। প্রাক-ক্যাম্ব্রিয়ান থেকে জুরাসিক যুগের পাললিক শিলায় গঠিত। পর্বতের পূর্ব শৈলশিরায় দুই কিলোমিটারের মধ্যে ক্লিওপেট্রার সূচ নামে পরিচিত বাতিঘর সদৃশ্য ৭৫ মিটার উচ্চ একটি প্রাকৃতিক চূড়া আছে।

                                     

1. ইতিহাস

১৮৯৮ সালে বৃটিশ পর্বতারোহী জন নরম্যান কলি, পর্বতটির নিকটবর্তী সাসক্যাচুয়ান নদীর নামে নামকরণ করেছিলেন। একটি প্রতিবেদনে বলা হয় যে, এ পর্বতের বারিপাতে সৃষ্ঠ পানি প্রবাহ উত্তর সাসক্যাচুয়ান নদীতে পতনের কারণে নরম্যান কলি এই নদীর নামে নামকরণ করেছিলেন। ১৯২৩ সালে কনরাড কেইন, ডাব্লিউ এস লাড ও জে মনরো থোরিংটন সর্বপ্রথম এই পর্ব আরোহণ করেছিলেন।

                                     

2. বাতিঘর চূড়া

সাসক্যাচুয়ান পর্বতের চুড়া হতে দুই কিলোমিটার পূর্ব খাড়িতে একটি ৭৫ মিটার ২৪৬ ফুট প্রাকৃতিক সুউচ্চ মিনার আছে, যা অনানুষ্ঠানিক ভাবে বাতিঘর চূড়া নামে পরিচিত। সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে ২,৯৬০ মিটার ৯,৭১০ ফুট মিনারটি ক্লিওপেট্রার সূচ নামেও পরিচিত।

১৯৬৪ সালে জি বোয়েনিশ ও এল ম্যাকেয় এই চূড়াটিতে সর্বপ্রথম আরোহণ করেছিলেন।

                                     

3. ভূতত্ত্ব

ব্যানফ জাতীয় উদ্যানের অন্যান্য পর্বতের মত সাসক্যাচুয়ান পর্বত মূলত প্রাক-ক্যাম্ব্রিয়ান থেকে জুরাসিক যুগের পাললিক শিলায় গঠিত। ল্যরামাইড অরোজেনির মত ভূতাত্ত্বিক ঘটনা চলাকালীন সময়ে অগভীর সমুদ্রের পাললিক শিলা ধাক্কা দিয়ে আরো পূর্ব দিকের অপেক্ষাকৃত নবীন শিলার উপর ঠেলে দিলে এপর্বতগুলির সৃষ্টি হয়। সাসক্যাচুয়ান পর্বতের উত্তরাংশে একটি নামহীন হিমবাহ আছে, যা পার্কার শৈলশিরা হতে ভালভাবে দেখা যায়।

                                     

4. জলবায়ু

কোপেনের জলবায়ু শ্রেনীবিভাগ অনুযায়ী সাসক্যাচুয়ান পর্বত, উত্তর মেরুর ঠিক দক্ষিণে অবস্থিত ঠান্ডা, তুষারাবৃত শীত মৌসুম এবং মৃদু গ্রীষ্মকালীন জলবায়ু অঞ্চলে অবস্থিত। এখানে তাপমাত্রা সাধারণত -২০° এবং শীতল বায়ূ প্রবাহ থাকলে -৩০° সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যায়। এই পর্বত আরোহণের জন্য গ্রীষ্মকালের আবহাওয়া সবচেয়ে উপযোগী।