Back

ⓘ লুটন বিমানবন্দর




লুটন বিমানবন্দর
                                     

ⓘ লুটন বিমানবন্দর

লন্ডন লুটন বিমানবন্দর বা পূর্বে লুটন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নামে পরিচিত, একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, যা ইংল্যান্ডের বেডফোর্ডশায়ার কাউন্টির লুটন টাউন সেন্টারের ১.৫ মাইল পূর্বে ও কেন্দ্রীয় লন্ডন থেকে ২৮ মাইল উত্তরে অবস্থিত। বিমানবন্দরের মালিকানা লুটন বরো কাউন্সিলের সম্পূর্ণ মালিকানাধীন সংস্থা লুটন বিমানবন্দর লিমিটেডের কাছে র‍য়েছে এবং এটি ‘লন্ডন লুটন এয়ারপোর্ট অপারেশনস লিমিটেড’ দ্বারা পরিচালিত হয়।

বর্তমান বিমানবন্দরের স্থানে ১৯৩৮ সালের ১৬ জুলাই একটি বিমানবন্দর খোলা হয়। বিমানবন্দরটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় রয়্যাল এয়ার ফোর্সের যোদ্ধারা ব্যবহার করেন। লুটনে বাণিজ্যিক কার্যকলাপ ও সাধারণ বিমান চালনার প্রশিক্ষণ ১৯৫২ সালে আবার শুরু হয়। লুটন বিমানবন্দর ১৯৬০-এর দশকের মধ্যে প্যাকেজ ছুটির ব্যবসায়ের উন্নয়নে মূল ভূমিকা পালন করে; যুক্তরাজ্য থেকে ১৯৬৯ সালে সমস্ত ছুটির উড়ানের পাঁচটির মধ্যে একটি লুটন বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে যায়। নির্বাহী বিমান ১৯৬০-এর দশকের মাঝামাঝি থেকে বিমানবন্দরে ঘাঁটি তৈরি করে। ১৯৭০-এর দশকের শেষদিকে প্রতি বছরে যাত্রী সংখ্যা ৫ মিলিয়ন হয়, যার ফলে লুটনে একটি সম্প্রসারণ পরিকল্পনা শুরু করা হয়; যদিও বিমানবন্দরে ১৯৮০-এর দশকে যাত্রীদের সংখ্যা হ্রাস পায়। বিমানবন্দরের রাজধানীর সান্নিধ্যের উপর জোর দেওয়ার জন্য ১৯৯০ সালে বিমানবন্দরটির নামকরণ লন্ডন লুটন বিমানবন্দর করা হয়।

লুটনে ১৯৯০-এর দশকে নতুন বিমান সংস্থারগুলির আগমন ঘটে, যেমন চুক্তি ভিত্তিক উড়ান পরিচালনাকারী মাইট্রাভেল গ্রুপ এবং দেবোনার ও ইজিজেট দ্বারা পরিচালিত নতুন স্বল্প মূল্যে নির্ধারিত উড়ানগুলি যাত্রীদের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধিতে অবদান রাখে, যা এটিকে যুক্তরাজ্যের দ্রুততম ক্রমবর্ধমান প্রধান বিমানবন্দরে পরিণত করে। বিমানবন্দরের £৮০ মিলিয়নের সম্প্রসারণের জন্য ১৯৭৯ সালের আগস্ট মাসে লন্ডন লুটন বিমানবন্দর অপারেশনস লিমিটেড নামে একটি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের কনসোর্টিয়ামকে ৩০ বছরের ছাড়ের চুক্তি প্রদান করা হয়। লুটনের অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধাগুলিতে নব্বইয়ের দশক জুড়ে £৩০ মিলিয়ন বিনিয়োগ করা হয়। রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ এবং প্রিন্স ফিলিপ ১৯৯৯ সালের নভেম্বর মাসে £৪০ মিলিয়ন ব্যয়ে নির্মিত একটি নতুন টার্মিনাল চালু করেন; নতুন ভবনে ৬০ টি চেক-ইন ডেস্ক, ব্যাগেজ ও উড়ানের তথ্য ব্যবস্থা এবং বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিক আউটলেট রয়েছে।

বিমানবন্দরটির মাধ্যমে ২০১৮ সালে ১৬.৫ মিলিয়নেরও বেশি যাত্রী চলাচল করে, যা লুটনকে যুক্তরাজ্যের পঞ্চম ব্যস্ততম বিমানবন্দর পরিণত করে। এটি লন্ডন অঞ্চলে হিথ্রো, গ্যাটউইক ও স্ট্যানস্টেডের পরে চতুর্থ বৃহত্তম বিমানবন্দর এবং লন্ডন সিটি ও লন্ডন সাউথএন্ডের সাথে লন্ডনের ছয়টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলির মধ্যে একটি। বিমানবন্দরটি ইজিজেট, টিইউআই এয়ারওয়েজ, রায়ানএয়ার এবং উইজ এয়ারের ঘাঁটি হিসাবে কাজ করে এবং এর আগে ২০১৩ সালের অক্টোবর মাসে কার্যক্রম বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত মনার্ক এয়ারলাইন্সের ঘাঁটি হিসাবে কাজ করে। বিমানবন্দর থেকে প্রদত্ত রুটের বেশিরভাগ অংশই ইউরোপের অভ্যন্তরে অবস্থিত, যদিও উত্তর আফ্রিকা ও এশিয়ার গন্তব্যগুলির জন্য কয়েকটি চুক্তি ভিত্তিক ও নির্ধারিত উড়ানের রুট রয়েছে।

বিমানবন্দরটি এম১ মোটরওয়ের ‘জংশন ১০’ থেকে দুই মাইল দূরে অবস্থিত। কেন্দ্রীয় লন্ডনের সেন্ট প্যানক্রাস স্টেশন থেকে লুটন বিমানবন্দর পার্কওয়ে রেলওয়ে স্টেশনর মধ্যে চলাচলকারী দ্রুততম ট্রেনগুলি পউচ্ছাতে পৌঁছাতে ২৪ মিনিট ও গড়ে ৪০ মিনিট সময় নেয়। রেলওয়ে স্টেশন ও বিমানবন্দর টার্মিনালের মধ্যে একটি ১০ মিনিটের শাটল-বাস পরিষেবা রয়েছে; এটি লুটন ডার্ট অটোমেটেড পিপল মুভারের দ্বারা ২০২১ সালের মধ্যে প্রতিস্থাপনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

                                     
  • জ ব র ল ট র আন তর জ ত ক ব ম নবন দর ব উত তর ফ রন ট ব ম নবন দর আইএট এ: জ আইব আইস এও: এলএক সজ ব একট ব স মর ক ব ম নবন দর য ব র ট শ ব দ শ অঞ চল জ ব র ল ট র র
  • ট ব হত তম ব ম নবন দর র একট ত ল ক রয ছ স ত র: য ক তর জ য র স এএ ব ম নবন দর তথ য Rank is by Total Passengers Total Passengers includes Domestic
  • ট র ম ন ল আল ট র লন ডন স ট ব ম নবন দর ল টন ব ম নবন দর প র কওয ল টন ড র ট স উথএন ড ব ম নবন দর স ট নস ট ড ব ম নবন দর পর বহন ব যবস থ উত তর ই ল য ন ড ব র নট ব

Users also searched:

...