Back

ⓘ বিষয়শ্রেণী:ভাস্কর্য




                                               

পম্পেই লক্ষ্মী

পম্পেই লক্ষ্মী হল একটি হাতির দাঁতের মূর্তি যা পম্পেই-এর ধ্বংসাবশেষে আবিষ্কৃত হয়, যেটি ৭৯ খ্রিস্টাব্দে ভিসুভিয়াস পর্বতের অগ্ন্যুৎপাতে ধ্বংস হয়েছিল। ১৯৩৮ সালে ইতালীয় পণ্ডিত আমেদেও মাইউরি এটিকে খুঁজে পান। মূর্তিটি প্রথম শতাব্দীতে নির্মিত হয়েছিল। মূর্তিটি নারীসৌন্দর্য এবং প্রজননের একজন ভারতীয় দেবীর প্রতিনিধিত্বের ভাবনাপ্রসূত। এটি সম্ভব যে, ভাস্কর্যটি মূলত একটি আয়নার হাতল গঠন করেছিল। লক্ষ্মী প্রথম শতাব্দীতে ভারত ও ইতালির মধ্যে পণ্য ও সংস্থার বাণিজ্যিক ব্যবসায়ের অনুস্মারক। অনেক বছরের পরিশ্রমে ইতিহাসবিদরা সুদূর প্রাচ্য বিশেষ করে ভারতের সাথে রোমের বাণিজ্যের সংযোগ স্থাপন করতে সক্ষম হন। মূলত ...

                                               

পিয়েতা (মাইকেলেঞ্জেলো)

পিয়েতা হল ইউরোপীয় নবজাগরণ বা রেনেশাঁস যুগের বিশ্ববিখ্যাত শিল্পী, চিত্রকর, ভাস্কর ও স্থপতি মাইকেলেঞ্জেলোর সৃষ্ট এক অনবদ্য কীর্তি। পঞ্চদশ শতাব্দীর একেবারে শেষে তৈরি এই অনুপম ভাস্কর্যটি বর্তমানে রোমে ভ্যাটিকান সিটির সন্ত পিওত্‌র্‌এর ব্যাসিলিকা গির্জায় রক্ষিত। এই একই বিষয়ের উপর তৈরি শিল্পীর একাধিক শিল্পকর্মর মধ্যে এটি প্রথম। কারারা-মার্বেলে তৈরি এই মূর্তিটি আসলে ফরাসি কার্ডিনাল জ্যঁ দ্য বিলেরের নির্দেশে গির্জায় তার স্মৃতিরক্ষার্থে একটি আলঙ্কারিক ফলক হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু অষ্টাদশ শতাব্দীতে এই ভাস্কর্যটি তার বর্তমান অবস্থানে সরিয়ে নিয়ে আসা হয়। মাইকেলেঞ্জেলোর তৈরি এটি এমন একটি ব ...

                                               

বীরের প্রত্যাবর্তন (ভাস্কর্য)

বীরের প্রত্যাবর্তন গুলশান দুই নম্বর ঘেঁষে ভাটারা ইউনিয়নে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে এলাকাটি ছিল গুরুত্বপূর্ণ এক অঞ্চল। মোজাম্মেল হক বীরপ্রতীকের উদ্যোগে স্থাপিত হয়েছে ভাস্কর্যটি।

                                               

ভাস্কর্য

ভাস্কর্য ত্রি-মাত্রিক শিল্পকর্মকে ভাস্কর্য বলে।অর্থাৎ, জ্যামিতিশাস্ত্রের ন্যায় ভাস্কর্যকে দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং গভীরতা সহ ত্রি-মাত্রিক হতে হবে। বাংলাদেশ এবং চীনের ন্যায় বিশ্বের সর্বত্র বিভিন্ন ধরনের, বহুমূখী আকৃতির ভাস্কর্য দেখতে পাওয়া যায়। রেনেসাঁ এবং আধুনিককালে এটি ব্যাপকভাবে প্রসারিত হয়েছে। পুতুল, মুখোশ, মাটির জিনিসপত্র ভাস্কর্যের উদাহরণ। কিন্তু প্রায় চারশত বছর পূর্বে বিভিন্ন বিধি-নিষেধের কবলে পড়ে সেখানে ভাস্কর্য শিল্পকলার তেমন উন্মেষ ঘটেনি। যিনি প্রস্তরাদি, কাঠ ইত্যাদি দিয়ে ভাস্কর্য করেন, তিনি ভাস্কররূপে জনসমক্ষে পরিচিতি লাভ করেন।

                                               

ভাস্কর্য একতারা

একতারা হচ্ছে একজাতীয় বাঙালি লোকবাদ্যযন্ত্র। এক তারবিশিষ্ট বলে একে একতারা নামে অভিহিত হয়। একসময় এর নাম একতন্ত্রী বীণা ছিল বলে ইতিহাসে পাওয়া যায়। আমাদের দেশীয় সংস্কৃতির স্বকীয়তা আর ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় যে বাদ্যযন্ত্রটি আদি ও অকৃত্রিমভাবে বহমান রয়েছে তার নাম একতারা। এই বাদ্যযন্ত্রটির বাদন ভঙ্গি আর সুরের মূর্ছনায় আজো খুঁজে পাওয়া যায় মাটির ঘ্রান। এখনো এদেশের গ্রাম-গ্রামান্তর আর নগরে পাড়ি জমানো নগর বাউলদের কাছে শুনতে পাওয়া যায় এ বাদ্যযন্ত্রের বোল। আর মাত্র একটি তারের তৈরি এ বাদ্যযন্ত্রটি দিয়ে বাউল সাধকেরা সুরের যে বৈচিত্র্য ফুটিয়ে তোলেন তা সত্যিই বিস্ময়কর। একতারা আবিষ্কারের ইত ...

                                               

ভেরা ক্যাট্‌য

ভেরা ক্যাট্‌য হলো আমেরিকান শিল্পী বিল বেনের তৈরি ভেরা ক্যাট্‌য এর একটি ব্রোঞ্জের ভাস্কর্য। এটি ২০০৬ সালে অরেগন রাজ্যের পোর্টল্যান্ডের ইস্টব্যাঙ্ক এস্প্লানেডে উম্মোচিত হয়। ক্যাট্‌য ১৯৯৩ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত এই শহরের মেয়র ছিলেন। মেয়র থাকাকালীন তিনি শিল্প ও সংস্কৃতিতে সহযোগিতা করতেন এবং অরেগনে পার্সেন্ট ফর আর্ট কার্যক্রমের প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ইস্টব্যাঙ্ক এস্প্লানেডের নির্মাণেও সহায়ক ভূমিকা রাখেন, যেটির নামকরণ তার নামানুসারে হয়েছিল। জনগণ ভাস্কর্যটিকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে এবং লোকজন এটিকে কাপড়, ফুল দিয়ে বিভিন্ন সাজসজ্জায় সাজায়।

                                               

ভেরা ক্যাট্‌য (ভাস্কর্য)

ভেরা ক্যাট্‌য হলো আমেরিকান শিল্পী বিল বেনের তৈরি ভেরা ক্যাট্‌য এর একটি ব্রোঞ্জের ভাস্কর্য। এটি ২০০৬ সালে অরেগন রাজ্যের পোর্টল্যান্ডের ইস্টব্যাঙ্ক এস্প্লানেডে উম্মোচিত হয়। ১৯৯৩ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত, ক্যাট্‌য এই শহরের মেয়র ছিলেন। মেয়র থাকাকালীন তিনি শিল্প ও সংস্কৃতিতে সহযোগিতা করতেন এবং অরেগনে পার্সেন্ট ফর আর্ট কার্যক্রমের প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ইস্টব্যাঙ্ক এস্প্লানেডের নির্মাণেও সহায়ক ভূমিকা রাখেন, যেটির নামকরণ তার নামানুসারে হয়েছে। জনগণ ভাস্কর্যটিকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে এবং অনেক সময় লোকজন এটিকে কাপড়, ফুল দিয়ে বিভিন্ন সাজসজ্জায় সাজায়।

                                               

সন্ত্রাস বিরোধী রাজু স্মারক ভাস্কর্য

সন্ত্রাস বিরোধী রাজু স্মারক ভাস্কর্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টি এস সি প্রাঙ্গনে অবস্থিত ঢাকার একটি অন্যতম প্রধান ভাস্কর্য নিদর্শন। এটি ১৯৯৭ এর শেষভাগে তৈরি হয়।