Back

ⓘ বিষয়শ্রেণী:ভারতের শহর




                                               

অমরাবতী, অন্ধ্রপ্রদেশ

অমরাবতী ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের প্রকৃত রাজধানী শহর। পরিকল্পিত শহরটি অন্ধ্রপ্রদেশ রাজধানী অঞ্চলের গুন্টুর জেলার কৃষ্ণ নদীর দক্ষিণ তীরে অবস্থিত। ২৩ অক্টোবর ২০১৫ তারিখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উড্ডন্ডারউনিপালেম এলাকায় ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়। গুন্টুর শহর, এবং বিজয়ওয়াডের মহানগরী এলাকা হল অমরাবতী রাজধানী।

                                               

অশোকনগর কল্যাণগড়

অশোকনগর কল্যাণগড় পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বারাসাত সদর মহকুমার অশোকনগর থানার অধীন একটি শহর ও একটি পৌরসভা এলাকা । পুরসভার নাম অশোকনগর কল্যাণগড় পৌরসভা। অশোকনগর কল্যাণগড়ের এক বিরাট ঐতিহ্য আছে এখানকার রাজনৈতিক চেতনা, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন প্রভৃতির জন্য। এই শহরটি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ বি.সি.রায় দ্বারা পরিকল্পিত। কিন্তু এর প্রধান স্থপতি প্রয়াত কংগ্রেস নেতা তরুন কান্তি ঘোষ, প্রয়াত কংগ্রেস নেতা কেশব ভট্টাচার্য, প্রয়াত সিপিআইএম নেতা ননী কর এবং প্রয়াত সিপিআই নেতা ডাঃ সাধন সেন। অশোকনগর-কল্যাণগড় পৌরসভা এলাকার অধীন পর্যটক আকর্ষণ করার মতো দুটি উদ্যান রয়েছে - সংহতি পা ...

                                               

আইজল

শহরটির অবস্থানের অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ হল ২৩.৭৩° উত্তর ৯২.৭২° পূর্ব  / 23.73; 92.72 । সমূদ্র সমতল হতে এর গড় উচ্চতা হল ১০১৮ মিটার ৩৩৩৯ ফুট। আইজলের উত্তর-পূর্বে মণিপুর।

                                               

আগরতলা

ত্রিপুরার প্রথম দিকের রাজাদের একজন ছিলেন পাত্রদান খ্রীস্টপূর্ব ১৯০০, মানিক্য রাজবংশের অনেক আগে। লোককাহিনী অনুসারে আগরতলায় চিত্রারথ,দ্রীকপতি, ধর্মপা, লোকনাথ জীবনধারণ খ্রীস্টপূর্ব সময়ের গুরুত্বপূর্ণ রাজা ছিলেন। অতীতে ত্রিপুরা বেশ কয়েকটি হিন্দু রাজ্যের রাজধানী ছিল। যদিও শাসকদের একটি সময়সীমা পাওয়া যায় নি তবে রেকর্ড থেকে জানা যায় যে এই অঞ্চলটিতে প্রায় ১৭৯ জন হিন্দু শাসকরা শাসন করেছিলেন, এটি পৌরাণিক রাজা দ্রুহ্য থেকে শুরু করে ত্রিপুরার শেষ রাজা কিরীট বিক্রম কিশোর মানিক্য পর্যন্ত শাসিত হয়েছে। ত্রিপুরাও মোগল শাসনের অধীনে এসেছিল। ১৮০৮ সালে এই রাজ্যটি ব্রিটিশদের শাসনের অধীনে আসে।

                                               

আগ্রা

আগ্রা উত্তর ভারতের উত্তর প্রদেশ অঙ্গরাজ্যের আগ্রা জেলার রাজধানী শহর। শহরটি ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লি থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত। আগ্রা একটি রেলওয়ে জংশন এবং আশেপাশের কৃষি এলাকার জন্য এটি একটি বাণিজ্যিক ও শিল্পকেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। আগ্রা শহরে তুলা, খাদ্যশস্য, তামাক, লবণ ও চিনির পাইকারি বাণিজ্য হয়। এখানকার কলকারখানায় খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং সুতির টেক্সটাইল, কার্পেট, লোহা ও ইস্পাত উৎপাদন সম্পন্ন হয়। আগ্রাতে প্রায় সাড়ে ১৬ লক্ষ লোকের বাস। আগ্রাতে অবস্থিত ঐতিহাসিক সৌধগুলির মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত হল পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের এক আশ্চর্য তাজমহল। আগ্রা আরও ব ...

                                               

আমলাগোরা

ভারতের ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুসারে আমলাগোড়ার মোট জনসংখ্যা ৫,১৬৫ জন, এর মধ্যে ২,৬৬৫ জন ৫২% পুরুষ এবং ২,৫০০ ৪৮% মহিলা ছিলেন। ৬ বছর বয়সী জনসংখ্যা ৬২১ জন। আমলাগোড়ার সর্বমোট সাক্ষরতার সংখ্যা ছিল ৩,৪৬৩ ৬ বছরের বেশি বয়সী জনসংখ্যার ৬৭.০৫%।

কালি ছাপড়
                                               

কালি ছাপড়

ভারতের ২০০১ সালের আদমশুমারি অনুসারে কালি ছাপড় শহরের জনসংখ্যা হল ১০,৬৯২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৫২% এবং নারী ৪৮%। এখানে সাক্ষরতার হার ৬৯%। পুরুষদের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৭৭% এবং নারীদের মধ্যে এই হার ৬০%। সারা ভারতের সাক্ষরতার হার ৫৯.৫%, তার চাইতে কালি ছাপড় এর সাক্ষরতার হার বেশি। এই শহরের জনসংখ্যার ১১% হল ৬ বছর বা তার কম বয়সী।

পারবেলিয়া
                                               

পারবেলিয়া

ভারতবর্ষের ২০১১ আদমশুমারি অনুযায়ী পাড় বেলিয়া র মোট জনসংখ্যা হল ৫,২৭৯ জন, যার মধ্যে ২৭৮৩ ৫৩% পুরুষ এবং ২,৪৯৬ জন ৪৭% মহিলা ছিলেন। ৬ বছরের কম বয়ষ্ক জনসংখ্যা ৬১৩ জন। পাড় বেলিয়ার সাক্ষরতার সংখ্যা ৩,৪২২ জন । ভারতের ২০০১ সালের আদম শুমারি অনুসারে পাড় বেলিয়া শহরের জনসংখ্যা হল ৬০৩৬ জন।এর মধ্যে পুরুষ ৫৩%, এবং নারী ৪৭%। এহানাত সাক্ষরতার হারহান 59%,। পুরুষের সাক্ষরতার হার ৬৯%, আর নারীদোর মধ্যে সাক্ষরতার হার ৪৮%। এই শহরের জনসংখ্যার ১৪% হন 6 বছর বা তার কম বয়সী।

বামহানি
                                               

বামহানি

ভারতের ২০০১ সালের আদমশুমারি অনুসারে বামহানি শহরের জনসংখ্যা হল ৯৬১৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৫১% এবং নারী ৪৯%। এখানে সাক্ষরতার হার ৭১%। পুরুষদের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৭৯% এবং নারীদের মধ্যে এই হার ৬৪%। সারা ভারতের সাক্ষরতার হার ৫৯.৫%, তার চাইতে বামহানি এর সাক্ষরতার হার বেশি। এই শহরের জনসংখ্যার ১২% হল ৬ বছর বা তার কম বয়সী।

                                               

বাঁকুড়া (দ্ব্যর্থতানিরসন)

বাঁকুড়া হল ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বাঁকুড়া জেলার একটি শহর ও পৌরসভা। বাঁকুড়া নামটির মাধ্যমে নিম্নলিখিত ভৌগোলিক স্থানগুলিও বোঝায়: বাঁকুড়া লোকসভা কেন্দ্র, ভারতের একটি লোকসভা কেন্দ্র বাঁকুড়া জেলা, পশ্চিমবঙ্গের জেলা বাঁকুড়া ১ সমষ্টি উন্নয়ন ব্লক, বাঁকুড়া সদর মহকুমার একটি সমষ্টি উন্নয়ন ব্লক বাঁকুড়া ২ সমষ্টি উন্নয়ন ব্লক, বাঁকুড়া সদর মহকুমার একটি সমষ্টি উন্নয়ন ব্লক বাঁকুড়া সদর মহকুমা, বাঁকুড়া জেলার একটি মহকুমা বাঁকুড়া বিধানসভা কেন্দ্র, পশ্চিমবঙ্গের একটি বিধানসভা কেন্দ্র